বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জলবায়ু সহনশীল কৃষি (সিআরএ)-বিষয়ক তিন দিনব্যাপী বালাই ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম আলী ফকির সিড প্যাথলজি সেন্টারে এ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠিত হয় ।

আরো পড়ুন:

বাকৃবিতে জাতীয় নীতি প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠিত

বাকৃবিতে জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা-বিষয়ক কর্মশালা

‘এশিয়ায় প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি গড়ে তুলতে সরকারি অংশীদার এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্প (টিসিপি/আএএস/৩৯০৭)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগ এ কর্মশালা আলোজন করে। এতে সহযোগিতা করে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

প্রকল্প প্রধান ও কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.

মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমেদ, এফএও’র জাতীয় পরামর্শক অধ্যাপক ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস, কৃষিতত্ত্ব ও কৃষি আবহাওয়া বিভাগের প্রধান ড. আহমেদ খায়রুল হাসান, এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী হোসেন প্রমুখ। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন এখন কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং প্রকৃতি-নির্ভর টেকসই সমাধান গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকৃবি সবসময় কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।”

তিন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে ২২ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, ডিলার ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকসই কৃষি উৎপাদন, প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান ও কীট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

ঢাকা/লিখন/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব শ বব দ য ব যবস থ অন ষ ঠ জলব য়

এছাড়াও পড়ুন:

কক্সবাজারে মাদক পাচারের দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রিস্টালমেথ (আইস) ও ইয়াবা পাচারের মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সিরাজুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকার মৃত কাদের বকশের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৩) এবং একই ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে নুর মোহাম্মদ (২৮)।

মামলার নথির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ১৬ জুন রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের এমজি ব্যাংকার এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের বড় একটি চালান পাচারের খবর পেয়ে বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। মিয়ানমারের দিক থেকে সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে ছোট দুটি বস্তা কাঁধে নিয়ে সন্দেহভাজন ৫ জনকে আসতে দেখে থামার নির্দেশ দেন বিজিবির সদস্যরা। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে লোকগুলো রাতের অন্ধকারে গ্রামের ভিতরে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া বস্তা দুটি জব্দ করা হয়। বস্তা খুলে ৪ কেজি ৩১৫ গ্রাম আইস এবং ১ লাখ ইয়াবা পাওয়া যায়। এসব মাদকের আনুমানিক দাম ২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ওই আইনজীবী জানান, এ ঘটনায় বিজিবির এক সদস্য বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত ২৪ সালের ডিসেম্বরে আদালত গ্রেপ্তার আসামি আব্দুর রহমান ও মোহাম্মদ নুরের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক দুই আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২৫ নভেম্বর ইয়াবা পাচারের মামলায় এক রোহিঙ্গাসহ দুজনের মত্যুদণ্ড এবং দুই রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। ওই মামলায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।

ঢাকা/তারেকুর/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ