সাভারে হাঁসের খামারে মদের কারখানা!
Published: 15th, October 2025 GMT
ঢাকার সাভারে হাঁসের খামারের আড়ালে গড়ে ওঠা দেশীয় মদের কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ লিটার দেশি মদ জব্দ করেছে র্যাব-৪। জব্দকৃত দেশি মদের বেশিরভাগই ঘটনাস্থলে ধ্বংস করা হয়। সেসময় এসবের সাথে জড়িত এক যুবককে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে র্যাব-৪ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে সাভার পৌরসভার ধরেন্ডা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাতে পৌরসভার ধরেন্ডা এলাকার ‘পল কোড়াইয়া’ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালনো হয়। অভিযানে প্রায় ৫০০ লিটার বাংলা মদ জব্দ করা হয়। বাড়ির পাশের বাগানে মাটির গর্তে ও বাড়ির ভেতরে হাঁস মুরগির পালনের ঘরে প্লাস্টিকের ড্রামে মদ রাখা ছিল। এসময় ঘটনায়স্থল থেকে ‘নিথিন এ্যান্থনি কোড়াইয়া’ নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
আটককৃত যুবক প্রাথমিকভাবে মদ তৈরির কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় র্যাব। পরে রাতেই তাকে সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।
ঢাকা/সাব্বির/এস
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
কক্সবাজারে মাদক পাচারের দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রিস্টালমেথ (আইস) ও ইয়াবা পাচারের মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সিরাজুল ইসলাম।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকার মৃত কাদের বকশের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৩) এবং একই ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে নুর মোহাম্মদ (২৮)।
মামলার নথির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ১৬ জুন রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের এমজি ব্যাংকার এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের বড় একটি চালান পাচারের খবর পেয়ে বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। মিয়ানমারের দিক থেকে সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে ছোট দুটি বস্তা কাঁধে নিয়ে সন্দেহভাজন ৫ জনকে আসতে দেখে থামার নির্দেশ দেন বিজিবির সদস্যরা। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে লোকগুলো রাতের অন্ধকারে গ্রামের ভিতরে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া বস্তা দুটি জব্দ করা হয়। বস্তা খুলে ৪ কেজি ৩১৫ গ্রাম আইস এবং ১ লাখ ইয়াবা পাওয়া যায়। এসব মাদকের আনুমানিক দাম ২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
ওই আইনজীবী জানান, এ ঘটনায় বিজিবির এক সদস্য বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত ২৪ সালের ডিসেম্বরে আদালত গ্রেপ্তার আসামি আব্দুর রহমান ও মোহাম্মদ নুরের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক দুই আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২৫ নভেম্বর ইয়াবা পাচারের মামলায় এক রোহিঙ্গাসহ দুজনের মত্যুদণ্ড এবং দুই রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। ওই মামলায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।
ঢাকা/তারেকুর/রফিক