যাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ কাজ করব : সাখাওয়াত
Published: 15th, October 2025 GMT
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, আগামী নির্বাচন আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সেই নির্বাচনে সারা বাংলাদেশে বিএনপি থেকে যাদেরকে প্রার্থী করবে তাদেরকে বিজয় করতে হবে। আমাদের নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে অনেকেই বিএনপি'র প্রার্থী রয়েছে কারণ বিএনপি একটি জনপ্রিয় বড়দল।
এই দলে অনেক যোগ্য প্রার্থী আছে সে যোগ্য প্রার্থীরাই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চায়। আর মনোনয়ন দলের কেন্দ্র বিবেচনা করবে। তার জন্য আমাদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কিন্তু বলেছে তিনটি কাইটেরিয়ার মধ্যে কিন্তু মনোনয়ন দেওয়া হবে। সেই কাইটেরিয়ার মধ্যে যাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে তার পক্ষে আমরা ঐক্যবদ্ধ কাজ করব।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আওতাধীন বন্দর থানা অন্তর্গত ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীসভা ও বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন। বুধবার ( ১৫ অক্টোবর ) বিকেলে বন্দর পৌরসভার সামনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়|
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সে নির্বাচন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণ এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা জানেন বিগত ১৫ টি বছর আমরা এই ভোটের অধিকারের জন্য, ভোট দেওয়ার জন্য এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।
কিন্তু শেখ হাসিনার আমলে আমরা সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলাম বাংলাদেশের কেউ ভোট দিতে পারে নাই। আর ২০২৪ সালের ৭ ই জানুয়ারি বাংলাদেশের যে নির্বাচন হয়েছিল সেই নির্বাচন বিএনপি ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছিল। সেই ভোট বর্জনে কিন্তু দেশের জনগণ অংশগ্রহণ করেছিল। সেদিন ভোট কেন্দ্রে ৫% ভোট কাস্ট হয়েছিল আমরা দেখেছি সেই সময় অনেক কেন্দ্রে কুকুরকে শুয়ে থাকতে দেখেছি।
এখন কি আর সেই সময় আছে। বন্দরের মানুষ শান্ত প্রিয় বিএনপি সাথে আছে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে আছে। বিএনপি যতবারই ক্ষমতায় এসেছিল ততবারই উন্নয়ন করেছিল।
তিনি আরও বলেন, যারা ১৫ বছর মাঠে ছিল নেতাকর্মীদের পাশে ছিল, হামলা মামলা জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছিল তাদের মধ্যে থেকে দলীয় মনোনয়ন দিতে হবে। কারণ রাজপথের নেতাকর্মীদের মধ্যে থেকে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দুঃখ-দশা বুঝবে এবং তারা মূল্যায়িত হবে।
এখন কিন্তু অনেকে হাসি দিয়া পকেটে টাকা দিয়া আপনাদের সামনে আসতে চায়। তাদের এই কিছু কিছু দিবে কিন্তু সেটা মাত্র কয়েকদিন। তারা নমিনেশন পেয়ে যাবে এমপি হয়ে যাবে এরপর তাদের বাড়ির ঢুকতে কয়েকটা দরজা পার হতে হবে।
আর সাধারণ মানুষ কিন্তু তাদের বাড়িতে ঢুকতেও পারবে না। কিন্তু আমরা যারা মাঠের লোক আমরা কিন্তু সব সময় আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো। দলের দুর্দিনে যেমন আপনাদের পাশে থেকেছি ইনশাআল্লাহ আগামী দিনও আপনাদের পাশেই থাকবো।
বন্দর ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাবু'র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজল আহম্মেদ কালুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড.
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির মাকিত মোস্তাকিম শিপলু, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন, সোহেল খান বাবু, মাহবুবুর রহমান, আলী আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মির্জা কামাল উদ্দিন জনিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: র জন ত ব এনপ ন র য়ণগঞ জ ন ত কর ম দ র র ব এনপ র ব এনপ র স আপন দ র দর থ ন হয় ছ ল র জন য রহম ন
এছাড়াও পড়ুন:
কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শুরু হবে বিএনপির ‘বিজয় মাস’ উদ্যাপন
মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মশাল রোড শোর মাধ্যমে এবারের উদ্যাপন কর্মসূচি শুরু হবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রোড শো শেষ হবে।
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
লিখিত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ এবং জনগণের বিজয়ের আনন্দ আরও বর্ণিল এবং অর্থবহ করতে এবারও সারা দেশে সাড়ম্বরে গৌরবের ৫৫তম মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করতে আলোচনা সভা, বিজয়ের রোড শোসহ মাসব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির উদ্যোগে ১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ কর্মসূচি ‘বিজয়ের মাসে বিজয় মশাল রোড শো’।
মির্জা ফখরুল জানান, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। এই ঐতিহাসিক বেতারকেন্দ্র থেকেই শুরু হবে এবারে বিএনপির ‘বিজয় মাস’ উদ্যাপন কর্মসূচি। তিনি বলেন, ১ ডিসেম্বর কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বিজয় মশালযাত্রা শুরু হবে। সেখান থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিন চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে পৌঁছাবে। বিজয় মিছিলের মশাল একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন জুলাই যোদ্ধা বহন করবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের আর ২০২৪ হলো দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব আরও জানান, পর্যায়ক্রমে সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল বিভাগ এবং কুমিল্লা ও ফরিদপুরে বিজয় মশাল রোড শো এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি জায়গায় মশাল বহন করবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন জুলাই যোদ্ধা।
মির্জা ফখরুল জানান, দুই সপ্তাহের এই বিশেষ ‘রোড শো’ উদ্যাপনের সময় বিভিন্ন বিভাগের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধের গান, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের নির্বাচিত অংশ প্রচার, জাসাসের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন হবে। তিনি বলেন, জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি। এই পুরো আয়োজনে বিএনপির থিম সং—সবার আগে বাংলাদেশ।