বন্দরে চুরির অপবাদ দিয়ে ১১ বছরের এক শিশুকে  আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে বন্দর থানার  রুপালী আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিশুর মা লাভলী বেগম বাদী হয়ে  ঘটনার ওই দিন রাতে নির্যাতনকারি প্রতিবেশী রাকিব ও তার স্ত্রী রিয়া বেগমকে আসামী করে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ বাদিনী দীর্ঘ দিন ধরে রুপালী আবাসিক এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে। বাদিনী রুপালী এলাকায় বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করে আসছিল।

ওই সুযোগে প্রতিবেশী রাকিব ও তার স্ত্রী রিয়া বেগম দোকান থেকে কিছু জিনিস আনার কথা বলে শিশু লামিয়াকে ডেকে তার ঘরে  নিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর রাকিব ও তার স্ত্রী রিয়া বেগম রিয়া গৃহ পরিচারিকা লাভলী বেগমের বাসায় এসে জানায়  লামিয়া নাকি তাদের বাসা থেকে টাকা চুরি করেছে।

এ অভিযোগে অবুঝ শিশু লামিয়াকে তার নিজ ঘর থেকে জোরপূর্বক তুলে নিজেদের বাসায় নিয়ে ৩/৪ ঘন্টা আটক রেখে অমানবিক  ভাবে  নির্যাতন চালায়। পরে গৃহপরিচারিকা লাভলী  বেগম স্থানীয়দের সহায়তায় মেয়েকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। 
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

কক্সবাজারে মাদক পাচারের দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রিস্টালমেথ (আইস) ও ইয়াবা পাচারের মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সিরাজুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকার মৃত কাদের বকশের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৩) এবং একই ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে নুর মোহাম্মদ (২৮)।

মামলার নথির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ১৬ জুন রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের এমজি ব্যাংকার এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের বড় একটি চালান পাচারের খবর পেয়ে বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। মিয়ানমারের দিক থেকে সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে ছোট দুটি বস্তা কাঁধে নিয়ে সন্দেহভাজন ৫ জনকে আসতে দেখে থামার নির্দেশ দেন বিজিবির সদস্যরা। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে লোকগুলো রাতের অন্ধকারে গ্রামের ভিতরে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া বস্তা দুটি জব্দ করা হয়। বস্তা খুলে ৪ কেজি ৩১৫ গ্রাম আইস এবং ১ লাখ ইয়াবা পাওয়া যায়। এসব মাদকের আনুমানিক দাম ২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ওই আইনজীবী জানান, এ ঘটনায় বিজিবির এক সদস্য বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত ২৪ সালের ডিসেম্বরে আদালত গ্রেপ্তার আসামি আব্দুর রহমান ও মোহাম্মদ নুরের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক দুই আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২৫ নভেম্বর ইয়াবা পাচারের মামলায় এক রোহিঙ্গাসহ দুজনের মত্যুদণ্ড এবং দুই রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একই আদালত। ওই মামলায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।

ঢাকা/তারেকুর/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ