যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ডানপন্থী রাজনৈতিককর্মী চার্লি কার্ককে মরণোত্তর প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পদকে ভূষিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার কার্কের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই বেসামরিক সম্মাননা গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী এরিকা কার্ক। এ সময় তাঁর চোখে ছিল অশ্রু।

পদক দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি একজন সাহসী যোদ্ধাকে সম্মান জানাতে এবং স্মরণ করতে। তিনি পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে এমনভাবে উদ্দীপনা জাগিয়েছেন, যা আমি আগে কখনো দেখিনি।’
কার্ক জীবিত থাকলে মঙ্গলবারই হতো তাঁর ৩২তম জন্মদিন। ট্রাম্পের বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন কার্ক। গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের হয়ে প্রচারে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে রক্ষণশীল তরুণদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কার্ক।

গত ১০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। টাইলার রবিনসন নামের ২২ বছর বয়সী এক তরুণকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: য ক তর ষ ট র

এছাড়াও পড়ুন:

ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভায় বিতর্কিত করণ জোহর

‘বলিউড মাফিয়া’ নামে ‘কুখ্যাতি’ আছে নির্মাতা করণ জোহরের। নেপোটিজম নিয়েও প্রায়ই বহু কটাক্ষের শিকার এই পরিচালক। এবার তিনি বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউডের প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভায় গিয়ে। যেখানে হাজির হয়েছিলেন বলিউডের সব নামীদামি তারকা। বর্ষীয়ান এই অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে স্মরণসভায় হাজির হয়েছেন করণ। ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের খবরও সবার প্রথমে জানিয়েছেন প্রযোজক করণ জোহর। যদিও তাঁর স্মরণসভায় গিয়ে বিতর্কে জড়ালেন পরিচালক। তাঁকে ঘিরে হচ্ছে তুমুল কটাক্ষ।

২০২৩ সালে ‘রকি অউর রানি কি প্রেমকাহানি’ ছবিতে ধর্মেন্দ্রকে দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন পরিচালক। তাঁর স্মরণসভায় যখন গাড়িতে চড়ে আসছিলেন, তখন হাসতে দেখা গেছে পরিচালককে। মোবাইলে কথা বলছিলেন আর হাসছিলেন। তাঁর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতেই শোরগোল। এমনকি ক্ষুব্ধ প্রত্রিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনদের অনেকেই।

করণ জোহর। এএফপি

সম্পর্কিত নিবন্ধ