চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৪ শতাংশ কনটেইনার এককভাবে পরিচালনা করে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি)। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এই টার্মিনালে সাত বছর ধরে প্রতিযোগিতামূলক উন্মুক্ত দরপত্র হচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করে ছয় মাসের জন্য ১৩ বার দরপত্র দেওয়া হয়েছে এনসিটিতে। শুধু সাইফ পাওয়ার টেককেই এভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১২ বার। একই পদ্ধতি অনুসরণ করে এখন ড্রাইডকের মাধ্যমে এনসিটি পরিচালনা করবে নৌবাহিনী। 

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, ডিপিএম হচ্ছে প্রতিযোগিতাহীন একটি অস্বচ্ছ ও প্রশ্নবিদ্ধ পদ্ধতি। যখন কোনো উপায় থাকবে না তখন জরুরি প্রয়োজনে এই পদ্ধতি ব্যবহার করার কথা। তবে বছরের পর সবচেয়ে বড় টার্মিনাল এমন অস্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতাহীন পদ্ধতিতে ব্যবহার করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে খরচ ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়ছে।    
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি-চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সাবেক সভাপতি এম সিকান্দার হোসেন বলেন, ‘বন্দরের সবচেয়ে বড় টার্মিনালে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র না হওয়া দুঃখজনক। ৪৪ শতাংশ কনটেইনার যে টার্মিনাল হ্যান্ডল করে, সেখানে কেন ডিপিএমের মতো অস্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতাহীন পদ্ধতি অনুসরণ করে কার্যাদেশ দেওয়া হয়– বোধগম্য নয়।’ 
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘বিশেষ কারণে এক বা দু’বার ডিপিএম পদ্ধতিতে কার্যাদেশ দিলে এমন বিতর্ক তৈরি হতো না। ২০১৮ সালের পর আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র না হওয়ায় আমাদের পণ্য পরিবহন খরচও কমছে না। স্বচ্ছতাও ফিরছে না বন্দরের কার্যক্রমে।’

২০০৭ সাল থেকে সাইফ পাওয়ার টেক এনসিটি পরিচালনা করলেও সর্বশেষ ২০১৫ সালে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রে অংশ নেয় তারা। সেবার টার্মিনালটির চার জেটিকে দুই প্যাকেজে ভাগ করে দরপত্র আহ্বান করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। দুটি প্যাকেজে তখন ৯৯ কোটি টাকার কাজ পায় তারা। তিন বছরের এই কার্যকাল শেষ হয় তাদের ২০১৮ সালে। এর পর থেকে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় আর কখনও দরপত্র ডাকা হয়নি চট্টগ্রাম বন্দরে। ডিপিএম অর্থাৎ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ছয় মাস মেয়াদে বারবার কাজ দেওয়া হয়েছে সাইফ পাওয়ার টেককে। আওয়ামী লীগ আমলে সর্বশেষ গত জুলাইয়ে ১১তম বারের মতো সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়। এর মেয়াদ শেষ হয় গত ৭ জানুয়ারি অর্ন্তবর্তী সরকারের আমলে। এ সরকার তখন একই পদ্ধতিতে মেয়াদ বাড়িয়ে আস্থা রাখে সেই সাইফ পাওয়ার টেকের ওপরেই। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়া এভাবে এবার কাজ দেওয়া হয়েছে নৌবাহিনীকে। 
গত ১৭ বছরে চিটাগং কনটেইনার টার্মিনালের কাজও পেয়েছে সাইফ পাওয়ার টেক। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ছয় বছরের জন্য প্রায় ৩০৪ কোটি টাকায় টার্মিনালটি পরিচালনার কাজ পায় তারা। এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে আগামী নভেম্বরে। তবে দরপত্রের মাধ্যমে এ টার্মিনালে কাজ করছে তারা। 

সাইফ পাওয়ার টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিন বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রেও আমরা এনসিটির কাজ পেয়েছি। আমরা দক্ষতার প্রমাণ দিতে পেরেছি বলেই আমাদের ওপর বারবার আস্থা রেখেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। যোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে মন্ত্রণালয়ের সব নিয়ম মেনেই বন্দরে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। এনসিটি ও সিসিটিতে প্রতিদিন পাঁচ হাজারের বেশি কনটেইনার এককভাবে হ্যান্ডল করেছি।’ 
তিনি বলেন, ‘দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল দিয়ে বন্দরে কাজ করছি বলে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী আমাদের থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। তারা নানা বদনাম ছড়ায়। ডিপিএম, নাকি অন্য পদ্ধতিতে কার্যাদেশ দেওয়া হবে, সেটা বন্দর ঠিক করে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেয়। তবে উন্মুক্ত দরপত্র হলে আরও বেশি প্রতিযোগিতা থাকত।’ 
বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘বিশেষ কারণে ডিপিএম পদ্ধতিতে দরপত্র দিতে হচ্ছে এনসিটিতে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েই আমরা এভাবে কার্যাদেশ দিয়েছি। একক কোনো সিদ্ধান্তে বন্দর এটা কখনোই করেনি।’

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ড প এম এনস ট

এছাড়াও পড়ুন:

দেশের ৪০ শতাংশের বেশি কিশোর-কিশোরীর সক্রিয়তা কম

দেশের ১১ শতাংশ কিশোর-কিশোরীর ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। ৪০ শতাংশ কিশোরের ও ৪৩ শতাংশ কিশোরীর শারীরিক সক্রিয়তা পর্যাপ্ত নয়। গবেষণা বলছে, শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা কিশোরের সংখ্যা বাড়ছে, তবে কিশোরীর সংখ্যা কমছে।

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক সক্রিয়তা বা কর্মকাণ্ড নিয়ে এই গবেষণা করেছে। তাতে দেখা গেছে, গ্রামের কিশোর-কিশোরীরা শহরের কিশোর-কিশোরীদের তুলনায় শারীরিকভাবে বেশি সক্রিয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সভাকক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত কর্মশালায় ওই গবেষণার ফল উপস্থাপন করা হয়। শিশু ও কিশোরদের শারীরিক সক্রিয়তাবিষয়ক বাংলাদেশের রিপোর্ট কার্ড তৈরির জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের অসংক্রামক রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ, অ্যাকটিভ হেলথি কিডস, অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অসংক্রামক রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নূরুল ইসলাম বলেন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে দেশে অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। দেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশের কারণ হচ্ছে অসংক্রামক রোগ। প্রাপ্তবয়স্কদের ২৪ শতাংশ স্থূল। স্থূলতা শিশু-কিশোরদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে।

কিশোরদের নিষ্ক্রিয়তা বাড়ছে

দেশের শিশু-কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক কর্মকাণ্ড বা সক্রিয়তা পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করেন ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডেপুটি ডিন অধ্যাপক মলয় কুমার মৃধা। তিনি বলেন, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ৪৩ শতাংশ কিশোরী ও ৪০ শতাংশ কিশোর নিষ্ক্রিয় অর্থাৎ পর্যাপ্ত শারীরিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে না। নিষ্ক্রিয় কিশোরের হার ঢাকা বিভাগে (৭১ শতাংশ) এবং নিষ্ক্রিয় কিশোরীর হার রাজশাহী বিভাগে (৬০ শতাংশ) সবচেয়ে বেশি।

এই গবেষণায় ২০২৩ সালের জাতীয় পুষ্টি সার্ভিলেন্সের তথ্য–উপাত্ত ব্যবহার করা হয়। এ জন্য দেশের ৯০টি স্থায়ী এলাকা বা কেন্দ্র থেকে ১১ হাজারের বেশি কিশোর–কিশোরীর নিয়মিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ৬৪টি কেন্দ্র গ্রামাঞ্চলে, ১৬টি কেন্দ্র শহরে এবং ১০টি কেন্দ্র শহরের বস্তিতে। এর আগে ২০১৮ সালে এসব কেন্দ্র থেকে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে একই ধরনের জরিপ করা হয়েছিল।

মলয় কুমার মৃধা বলেন, কিশোরদের মধ্যে নিষ্ক্রিয়তা বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, কিশোরীদের মধ্যে কমতে দেখা যাচ্ছে। ২০১৮ সালে ২৯ শতাংশ কিশোর শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় ছিল। ২০২৩ সালে সেই হার বেড়ে ৪০ শতাংশ হয়। অন্যদিকে ২০১৮ সালে ৫০ শতাংশ কিশোরী শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় ছিল। ২০২৩ সালে তা কমে হয় ৪৩ শতাংশ। কিশোরদের মধ্যে নিষ্ক্রিয়তা কেন বাড়ছে এবং কিশোরীদের মধ্যে কেন কমছে, তার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

কী করছে কিশোর-কিশোরীরা

এ বছর ব্র্যাক জেমস ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ শারীরিক সক্রিয়তা বিষয়ে একটি জরিপ করে। জরিপে ১০-১৭ বছর বয়সী ৭২৬ জন কিশোর-কিশোরীর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা করা হয়। আট বিভাগের আট জেলায় আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে জরিপটি করা হয়। ‘ন্যাশনাল ইন্ডিকেটর সার্ভে ২০২৫’ শীর্ষক ওই জরিপের ফলাফলও অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, আনুষ্ঠানিক খেলাধুলা বা শরীরচর্চার কর্মসূচিতে ৫৮ দশমিক ১ শতাংশ কিশোর-কিশোরী অংশগ্রহণ করে। ৬৫ দশমিক ৭ শতাংশ কিশোর-কিশোরী সপ্তাহে পাঁচ দিন বা তার বেশি হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যায়। ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ কিশোর-কিশোরী বলে, তারা শারীরিকভাবে ‘ফিট’।

শিশু-কিশোর-কিশোরীদের দৈনিক গড়ে ৬০ মিনিট মাঝারি থেকে তীব্র শারীরিক কর্মকাণ্ডের পরামর্শ দেওয়া হয়। জরিপে দেখা গেছে, ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ কিশোর-কিশোরী দৈনিক গড়ে ৬০ মিনিট মাঝারি থেকে তীব্র শারীরিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়। সক্রিয় কিশোরীদের হারের চেয়ে কিশোরদের হার বেশি।

শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা চলে আসে কম্পিউটার বা মুঠোফোনের পর্দায় দীর্ঘ সময় চোখ রাখার কারণে। দুই ঘণ্টার কম সময় কত কিশোর-কিশোরী কম্পিউটার বা মুঠোফোনে চোখ রাখে, তা জানার চেষ্টা করেন গবেষকেরা। তাতে দেখা গেছে, ৫৫ দশমিক ৮ শতাংশ কিশোর-কিশোরী দুই ঘণ্টার কম সময় ব্যয় করে কম্পিউটার বা মুঠোফোনের পর্দায়। কিশোরদের চেয়ে কিশোরীরা কম সময় ব্যয় করে।

প্রায় ১২ শতাংশ কিশোর-কিশোরী গবেষকদের জানিয়েছে, তারা শারীরিক সক্রিয়তার ব্যাপারে মা–বাবার সমর্থন বা সহায়তা পায় না। অন্যদিকে ৭ শতাংশ কিশোর-কিশোরী জানিয়েছে, তারা বন্ধুদের কাছ থেকে সহায়তা পায় না।

স্কুল ও পারিপার্শ্বিকতা

খেলাধুলা বা শারীরিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ স্থান হচ্ছে স্কুল। গবেষণায় দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ কিশোর-কিশোরী বলেছে, স্কুলের শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তাদের আছে। ৬৭ শতাংশ বলেছে, তারা টিফিনে বা ব্রেকে খেলার মাঠ বা কোর্ট ব্যবহার করতে পারে। ৩২ শতাংশ বলেছে তারা স্কুলের পাশাপাশি সাইকেল চালাতে পারে।

৬৪ শতাংশ কিশোর-কিশোরী গবেষকদের জানিয়েছে, শারীরিক কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের প্রতিবেশী সহায়ক। ৫৩ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের বসবাসের এলাকায় শারীরিক কর্মকাণ্ডের বা খেলাধুলার সুযোগ আছে।

ওজন ও ঘুম

৭২৬ জন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে ৫০১ জনের বা ৬৯ শতাংশের ওজন ছিল স্বাভাবিক। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূল ছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। স্থূলতা কিশোরদের মধ্যে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৫-১২ বছর বয়সীদের রাতে ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুম দরকার। ১৩-১৮ বছর বয়সীদের ঘুম দরকার ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা। গবেষকেরা দেখেছেন, প্রয়োজনীয় পরিমাণে ঘুমায় ৪০ শতাংশ কিশোর-কিশোরী। অর্থাৎ কিশোর-কিশোরীরা প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুমাচ্ছে।

অনেক তথ্য নেই

অনুষ্ঠানে শিশু ও কিশোরদের শারীরিক সক্রিয়তাবিষয়ক বাংলাদেশের রিপোর্ট কার্ড তৈরির প্রক্রিয়া ও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে দুটি পৃথক উপস্থাপনা দেন অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আসাদ খান ও কাজী রুমানা আহমেদ। তাঁরা ১৫টি সূচক (ইন্ডিকেটর) ধরে উপস্থিত সবার মতামত জানতে চান। এর মধ্যে আছে: সার্বিক শারীরিক সক্রিয়তা, খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন, ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ, যাতায়াত, অস্বাস্থ্যকর আচরণ, ফিটনেস, পরিবার ও পার্শ্বজনের ভূমিকা, স্কুল, কমিউনিটি ও পরিবেশ, সরকার, ঘুম, ওজন, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক শিক্ষা ও এনজিওদের ভূমিকা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রিপোর্ট কার্ড তৈরির চর্চা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। কিন্তু গতকালের আলোচনার সময় জানা যায়, কিছু বিষয়ে ব্যবহারযোগ্য তথ্য নেই। তথ্য-উপাত্তের জন্য গবেষণাও করা হয়নি।

বক্তব্য শেষ করার আগে মলয় কুমার মৃধা বলেন, শারীরিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির উদ্যোগ মানে শুধু স্বাস্থ্য ব্যয় নয়, বরং এটি একটি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ, যা জাতীয় উৎপাদনশীলতা বাড়াবে ও অসংক্রামক রোগের মহামারি ঠেকাতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অসংক্রামক রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সাবেক লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক সৈয়দ জাকির হোসেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • দেশের ৪০ শতাংশের বেশি কিশোর-কিশোরীর সক্রিয়তা কম