হংকংয়ে অনুশীলন মাঠ নিয়ে বাংলাদেশ দলের অসন্তোষ
Published: 12th, October 2025 GMT
হংকংয়ে গিয়ে এবার বাংলাদেশ দলের পাল্টা অভিযোগ। ঢাকায় গত বৃহস্পতিবার হওয়া বাংলাদেশ–হংকং ম্যাচের ভেন্যুতে জামাল–রাকিবদের ৯ দিনের অনুশীলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন হংকং চায়নার কোচ অ্যাশলি ওয়েস্টউড। বাংলাদেশের সোহেল রানা যেন সেটারই পাল্টা দিলেন। দলের অভিজ্ঞ এ মিডফিল্ডার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হংকংয়ের অনুশীলন মাঠ নিয়ে।
হংকংয়ের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচটি বাংলাদেশ খেলবে আগামী পরশু। হংকংয়ের কাই তাক স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়। তার আগে আজ হংকংয়ে অনুশীলন শেষে সোহেল রানা অনেকটা অভিযোগের সুরেই বলেছেন, ‘গতকাল অনুশীলনের জন্য যে মাঠ দিয়েছিল, এর দূরত্ব আমাদের হোটেল থেকে এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের। মাঠ খুব বাজে ছিল। আমরা অবশ্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম, আমাদের সঙ্গে ওরা এ রকম করবে। আজও একই।’
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বিপিএলের নিলাম শুরুর আগে অ্যালেক্স মার্শালের হুঁশিয়ারি
বিপিএলের সমান্তরালেই প্রতিবার চলে ফিক্সিং-বিতর্ক। এবার অবশ্য নিলামের ঠিক আগে গত বিপিএলে প্রশ্নবিদ্ধ ক্রিকেটারদের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল চূড়ান্ত তদন্ত করে বিসিবিকে পরামর্শ দিয়েছেন সন্দেহভাজনদের টুর্নামেন্ট থেকে দূরে রাখতে। বিসিবিও সেভাবেই করছে আজকের নিলাম।
র্যাডিসন হোটেলে নিলাম শুরুর আগে ভিডিও বার্তায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন অ্যালেক্স মার্শাল। বিসিবিতে প্রথমে দুর্নীতি দমন পরামর্শক হিসেবে যোগ দিলেও বর্তমানে তিনি দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ব্যাপারে মার্শাল বলেন, ‘আগের বিভিন্ন সমস্যার অনেকগুলোই স্বাধীন তদন্ত কমিটির বিস্তৃত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছিল। সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড সভাপতি সম্প্রতি এই ইউনিটটি গঠন করেছেন।’
ক্রিকেটে যারা কাজ করেন—খেলোয়াড়, কোচ, দল-মালিক, দল-ব্যবস্থাপনা, বোর্ড সদস্য কিংবা ইনটিগ্রিটি ইউনিট; আমরা সবাই দুর্নীতি-দমনবিরোধী নীতির আওতাভুক্ত।অ্যালেক্স মার্শাল, বিসিবি দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধানএবারের নিলাম থেকে সন্দেহভাজন ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিপিএল সামনে রেখে আমি গভর্নিং কাউন্সিলকে কিছু ব্যক্তির বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছি, যাদের এই বছরের আসরে আমন্ত্রণ না জানানোটাই সমীচীন হবে। এটা অনেকগুলো প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের মধ্যে মাত্র একটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আমরা যখন সাম্প্রতিক বছরগুলোর ঘটনা আবার বিশ্লেষণ করছি, তখন কিছু মানুষকে দূরে রাখাই বেশি নিরাপদ বলে আমি মনে করেছি।’
বিপিএল নিলাম অুনষ্ঠানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম