চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ১৪, বাড়িঘর ভাঙচুর
Published: 14th, October 2025 GMT
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে এক পক্ষের হামলায় অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গোমস্তাপুর উপজেলার রূপপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম (তুহিন) ও নাচোল থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরের (খোকন) সমর্থকদের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটে। গত রোববার তুহিন-খোকন পক্ষের লোকজনের মারধরে আমিনুলের পক্ষের তরিকুল ইসলাম (৫০) নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায় থানায় মামলাও হয়েছে। ওই ঘটনার জেরে আজ আমিনুল ইসলামের সমর্থকেরা এ হামলা করেন।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আজ আমিনুলের লোকজন প্রথমে ফুলবাড়ি গ্রামে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা করেন। পরে মারকইল, পাহাড়পুরসহ চারটি গ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১৪ জন আহত হয়েছেন। সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে পুলিশ পৌঁছানোর আগপর্যন্ত হামলাগুলো হয়।
বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ওসি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহত ব্যক্তিরা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখনো কোনো মামলা হয়নি।
জানতে চাইলে সাবেক সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুই পক্ষে বিএনপির লোকজন থাকলেও হামলা কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে হয়নি। স্থানীয় গ্রাম্য রাজনীতি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি পুলিশকে প্রকৃত দোষী যাঁরাই হোক, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।
অন্যদিকে নাচোল থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজকে আমার সমর্থকেরা আক্রান্ত হয়েছে। তবে এটা কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থেকে নয়, স্থানীয় গ্রাম্য রাজনীতির দ্বন্দ্ব থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।’
আবু তাহেরের অনুসারী স্থানীয় ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমিনুল গ্রুপের লোকজনের জমি দখল ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করার জেরে আজ এ ঘটনা ঘটেছে। আমিনুল গ্রুপের লোকজন ফুলবাড়ি গ্রামে প্রথমে রেজাউল, আলম, নুহু ও হায়াত আলীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। পুলিশ এলে তাঁরা সরে গিয়ে মারকইল, কেওরা ও পাহাড়পুর গ্রামে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমাদের গ্রুপের লোকজনে বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়। তারা নারীদেরও মারধর করেছে।’
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: দ বন দ ব র জ র ব এনপ র স প র ল কজন ল ইসল ম আম ন ল র জন ত ত হয় ছ এ ঘটন প রথম
এছাড়াও পড়ুন:
বিপিএলের নিলাম শুরুর আগে অ্যালেক্স মার্শালের হুঁশিয়ারি
বিপিএলের সমান্তরালেই প্রতিবার চলে ফিক্সিং-বিতর্ক। এবার অবশ্য নিলামের ঠিক আগে গত বিপিএলে প্রশ্নবিদ্ধ ক্রিকেটারদের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল চূড়ান্ত তদন্ত করে বিসিবিকে পরামর্শ দিয়েছেন সন্দেহভাজনদের টুর্নামেন্ট থেকে দূরে রাখতে। বিসিবিও সেভাবেই করছে আজকের নিলাম।
র্যাডিসন হোটেলে নিলাম শুরুর আগে ভিডিও বার্তায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন অ্যালেক্স মার্শাল। বিসিবিতে প্রথমে দুর্নীতি দমন পরামর্শক হিসেবে যোগ দিলেও বর্তমানে তিনি দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ব্যাপারে মার্শাল বলেন, ‘আগের বিভিন্ন সমস্যার অনেকগুলোই স্বাধীন তদন্ত কমিটির বিস্তৃত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছিল। সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড সভাপতি সম্প্রতি এই ইউনিটটি গঠন করেছেন।’
ক্রিকেটে যারা কাজ করেন—খেলোয়াড়, কোচ, দল-মালিক, দল-ব্যবস্থাপনা, বোর্ড সদস্য কিংবা ইনটিগ্রিটি ইউনিট; আমরা সবাই দুর্নীতি-দমনবিরোধী নীতির আওতাভুক্ত।অ্যালেক্স মার্শাল, বিসিবি দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধানএবারের নিলাম থেকে সন্দেহভাজন ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিপিএল সামনে রেখে আমি গভর্নিং কাউন্সিলকে কিছু ব্যক্তির বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছি, যাদের এই বছরের আসরে আমন্ত্রণ না জানানোটাই সমীচীন হবে। এটা অনেকগুলো প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের মধ্যে মাত্র একটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আমরা যখন সাম্প্রতিক বছরগুলোর ঘটনা আবার বিশ্লেষণ করছি, তখন কিছু মানুষকে দূরে রাখাই বেশি নিরাপদ বলে আমি মনে করেছি।’
বিপিএল নিলাম অুনষ্ঠানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম