চাকসু: সব নারী প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট শিক্ষার্থীর
Published: 15th, October 2025 GMT
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ছাত্রী কল্যাণ ও সহ-ছাত্রী কল্যাণ-বিষয়ক সম্পাদক পদে সব প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন এক ভোটার। একইসঙ্গে বিধি লঙ্ঘন করে ভোট প্রদানের গোপন কক্ষে মোবাইল নিয়ে ব্যালটপত্রের ছবিও তুলেছেন তিনি।
ওই ভোটার হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুর রশিদ দুর্জয়।
আরো পড়ুন:
রাকসু: আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা আমান
‘রাকসু নির্বাচনে গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে সাইবার ইউনিট’
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজ ফেসবুক আইডিতে ওই ব্যালটপত্রের ছবি দিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি। ব্যালটপত্রের ছবিটি ইতোমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ওই পোস্টে দুর্জয় লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ!! কোনো পুকিকে হতাশ করি নাই! চাকসু ডান।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি নারী-নেতৃত্ব বিশ্বাস করি না। ধরা যায়, আমি একজন কট্টরপন্থী ইসলামিস্ট। তবে নারীদের ছোট করার জন্য যে এটা করেছি, এমনটা নয়। বলা যায়, এটার মাধ্যমে আমি একটু সার্কাজম করেছি।”
গোপন কক্ষে মোবাইল নেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মোবাইল নেওয়ার ক্ষেত্রে কড়া দেখভাল থাকলেও মাঝে মধ্যে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আর আমি মনে করি, সেখানে মোবাইল নেওয়াটা স্বাভাবিক। কেননা, ৪০ জন প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য মোবাইল প্রয়োজন ছিল। এছাড়া, ব্যাক্তিগত কারণেও মোবাইল সঙ্গে রাখা দরকার ছিল।”
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ও প্রক্টর অধ্যাপক ড.
চাকসুতে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৭ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় পাঁচটি অনুষদের নির্ধারিত ১৫টি কেন্দ্রে। মোট ৬০টি কক্ষে ৬৮৯টি বুথে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। প্রত্যেকটি কক্ষে ছিল পাঁচটি ব্যালট বাক্স।
নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৯০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ৪১৫ জন এবং হল ও হোস্টেল সংসদে ৪৯৩ জন।
ঢাকা/মিজান/মেহেদী
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
১২ বলে ফিফটি আর ৩২ বলে সেঞ্চুরি করলেন অভিষেক, ছক্কার নতুন রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ে নতুন মাত্রা আনা অভিষেক শর্মা আবারও ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন। আজ রোববার সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে তিনি মাত্র ১২ বলে করেছেন ফিফটি, ১০০ ছুঁয়েছেন ৩২ বলে।
অভিষেক পাঞ্জাবের হয়ে বেঙ্গলের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ৮টি চারের সঙ্গে মেরেছেন ১৬টি ছক্কা। যার সুবাদে বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান ভারতীয়দের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডও গড়েছেন।
গত বছর সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে মেঘালয়ার বিপক্ষে ২৮ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন অভিষেক, যা ভারতীয়দের মধ্যে যৌথভাবে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটিতে আজ অভিষেকের পাঞ্জাব বেঙ্গলের মুখোমুখি হয় হায়দরাবাদের জিমখানা গ্রাউন্ডে।
ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে প্রথম ১২ বলেই পঞ্চাশে পৌঁছান অভিষেক। এই ১২ বলের মধ্যে মাত্র একটি ছিল ডট, ৫টি করে চার ও ছয়, একটি সিঙ্গেল। প্রথম ৫১ রানের ৫০-ই এসেছে বাউন্ডারিতে।
এমন ঝোড়ো শুরুর পরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে অবশ্য একটু বেশিই সময় লেগেছে। পরের পঞ্চাশ রান তুলতে খেলেছেন ২০ বল, সব মিলিয়ে ৩২ বলে সেঞ্চুরি।
অভিষেকের ঝোড়ো ইনিংসটি অবশ্য আরও কিছুটা এগিয়েছে। ইনিংসের ১৮তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫২ বলে করেছেন ১৪৮ রান। যা ভারতীয়দের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর একটি বাউন্ডারি মারতে পারলেই পেরিয়ে যেতেন তিলক বর্মার ৬৭ বলে ১৫১ রানের রেকর্ড (২০২৪ আসরে মেঘালয়ার বিপক্ষে হায়দরাবাদের হয়ে)।
তিলককে না ছাড়াতে পারলেও ছক্কায় নতুন রেকর্ড ঠিকই গড়েছেন অভিষেক। আজকের ১৬ ছক্কাসহ ২০২৫ সালে তাঁর মোট ছয় হয়েছে ৩৩ ইনিংসে ৯১টি। ছাড়িয়েছেন অবশ্য নিজেকেই। ২০২৪ সালে তিনি ৩৮ ইনিংসে মেরেছিলেন ৮৭ ছক্কা।
অভিষেকের দেড় শ-ছুঁই ইনিংসে ভর করে পাঞ্জাব প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে তোলে ৫ উইকেটে ৩১০ রান। তাড়া করতে নেমে বেঙ্গলের ইনিংস আটকে যায় ৯ উইকেটে ১৯৮-এ। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন ৬৬ বলে ১৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন।