সিপিআর প্রশিক্ষণ পেলেন ওয়ালটন পরিবারের সদস্যরা
Published: 12th, July 2025 GMT
হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রাথমিক পর্যায়ে কীভাবে সিপিআর দিতে হয় সে বিষয়ে ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের ১০ সদস্যের এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক টিম।
সিপিআর প্রশিক্ষণ হলো-কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন প্রশিক্ষণ যা হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পদ্ধতি।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে সিপিআর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবল আলম।
আরো পড়ুন:
ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে দুই দিনব্যাপী অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ
আবারো ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড’ পেল ওয়ালটন হাই-টেক
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার ও ইভা রিজওয়ানা, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা.
সিপিআর প্রশিক্ষণে ওয়ালটন করপোরেট অফিসের বিভিন্ন স্তরের ৫ শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণে শেখানো হয় কিভাবে বুকের ওপর চাপ দিয়ে এবং কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস করিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত একজন ব্যক্তির হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হয়।
ওয়ালটনের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ‘লার্নিং অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট’ বিভাগ যৌথভাবে এই সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ‘লার্নিং অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট’ বিভাগের ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর রওশন আলী বুলবুল।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবল আলম বলেন, “ওয়ালটন তার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে বদ্ধপরিকর। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সিপিআর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তারই একটি। এর আগে ওয়ালটনের সব সদস্যের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল চেক-আপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসবের মধ্যে অন্যতম বিএমআই, সিবিসি, ব্লাড সুগার, ইসিজি ও বিপি টেস্ট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এভাবেই ওয়ালটন পরিবারের সদস্যরা নানা রকম উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করছেন।”
সিপিআর প্রশিক্ষণ ওয়ালটনের প্রতিটি সদস্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, “বুকের ওপর চাপ দেওয়া এবং কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার প্রক্রিয়াই হলো সিপিআর প্রশিক্ষণ। সিপিআর প্রাথমিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে। সিপিআর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি শেখেন কিভাবে সঠিক উপায়ে সিপিআর প্রয়োগ করতে হয়। জীবন রক্ষাকারী এই প্রাথমিক কৌশল সবার জন্য শেখা এবং প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
স্কুলের পাঠ্যপুস্তকেও এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দেন তিনি।
তিনি বলেন, “ওয়ালটন তাদের পরিবারের সদস্যদের এই সিপিআর প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। ওয়ালটন এক্ষেত্রে একটা উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। আমরা চাই প্রশিক্ষণের এই ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই সিপিআর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। এই প্রশিক্ষণ সবার জন্য দরকার। এভাবেই আমরা একে অপরকে জীবন বাঁচাতে সহায্য করতে পারি।”
ঢাকা/মাহফুজ/পলাশ/সাইফ
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর ব র র সদস স প আর প র হ দর গ সদস য
এছাড়াও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড
টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সিনিয়র ও জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক হাফিজুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
আরো পড়ুন:
বরগুনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড
ঝিনাইদহে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
দণ্ডপ্রাপ্ত ওয়াহেদুজ্জামান উপজেলার দড়িপাড়া পশ্চিম পাড়ার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে বাবা আব্দুস সামাদকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে ওয়াহেদুজ্জামান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
টাঙ্গাইল আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, ‘‘দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেছেন।’’
ঢাকা/কাওছার/রাজীব