বন্দরে ২ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৯
Published: 14th, October 2025 GMT
বন্দরে বিভিন্ন মামলার ২ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অরাধে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীরা হলো বন্দর চিতাশাল এলাকার মৃত মজিবুর চৌধুরী ছেলে সিআর মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী কানন চৌধূরী (৩৮) ও একই থানার সানাউল্লাহ মিয়া ছেলে জিআর মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী রিগেন (৩০)।
এ ছাড়াও অপর আটককৃতরা হলো বন্দর থানার দেওলী চৌরাপাড়া এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে মাছুম (৩০) লক্ষনখোলা এলাকার আলী আহাম্মদ মিয়ার ছেলে পাভেল (২৮) নবীগঞ্জ নোয়াদ্দা এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে ফয়সাল (২৫) সোনারগাঁও থানার লাহাপাড়া এলাকার গোলজার হোসেনের ছেলে রোহান (২২) একই থানার বাড়ি মজলিস এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৬) বন্দর শাহীমসজিদ এলাকার আব্দুল হালিম মিয়ার ছেলে দিদার ইসলাম (২৯) ও একই এলাকার নিজাম মিয়ার ছেলে পারভেজ (৩০)।
ধৃত ৯ জনের মধ্যে ২ জনকে পৃথক ওয়ারেন্টে ও অপর আটককৃত ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ও অপরধৃত ফয়সালকে ৫৪ ধারায় মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বন্দরে বিভিন্ন স্থানে গভীর রাতে অযথা রাস্তায় ঘুরাফেরাসহ জনবিরক্তি করার অপরাধে এদেরকে আটক করা হয়।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ এল ক র
এছাড়াও পড়ুন:
‘বাঁচার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম, নিচ্ছিলাম শেষবিদায়’
‘হঠাৎ পরপর বিস্ফোরণ। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন। পুড়ে যায় লাইফবোটও। তেল ছড়িয়ে পড়ে জাহাজের চারদিকে। একমাত্র ভরসা লাইফজ্যাকেট পরে সাগরে ঝাঁপ দেওয়ারও উপায় ছিল না। কারণ, সেখানে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমে যাব। বাঁচার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। শেষবিদায় নিচ্ছিলাম একজন আরেকজনের কাছ থেকে।’
এভাবেই কৃষ্ণসাগরে এমটি কায়রোস নামে তেল পরিবহনকারী জাহাজে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর ড্রোন হামলার সময়ের বর্ণনা দিচ্ছিলেন জাহাজটির চতুর্থ প্রকৌশলী বাংলাদেশের নরসিংদীর মাহফুজুল ইসলাম। আজ রোববার দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলেন তিনি।
তুরস্কের উপকূলে কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করার সময় গত শুক্রবার দুটি ট্যাংকারে হামলা করে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। এই দুটি ট্যাংকারের একটি এমটি কায়রোস জাহাজের ২৫ নাবিকের চারজন ছিলেন বাংলাদেশি। জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার দুটি রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহরের’ অংশ বলে বিবিসি জানায়।
মাহফুজুল ইসলাম ছাড়াও বাকি তিন বাংলাদেশি হলেন কুষ্টিয়ার আল আমিন, ঢাকার ধামরাইয়ের হাবিবুর রহমান এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজগর হোসাইন। তাঁরা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন তুরস্কের একটি হোটেলে রয়েছেন।
হামলার মুহূর্তের কথা বর্ণনা দিয়ে তুরস্ক থেকে প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তেল পরিবহনের জন্য খালি ট্যাংকার নিয়ে মিসরের পোর্ট সুয়েজ থেকে রাশিয়ায় নভোরোসিস্ক বন্দরের যাচ্ছিলাম। শুক্রবার বসফরাস প্রণালি অতিক্রম করে আমরা তখন কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করছিলাম। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৬ মিনিটে প্রথম হামলা হয় প্রপেলারে।
মাহফুজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ট্যাংকারের দিকে তিনটি নৌযানের মতো ড্রোন দ্রুতগতিতে ছুটে আসছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রথম প্রপেলারে আঘাত হানে। বিকট শব্দ হয়। সঙ্গে সঙ্গে জাহাজে তীব্র ঝাঁকুনি। সবাই হতচকিত হয়ে যাই। জাহাজের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।
জাহাজে ছিলেন বাংলাদেশি নাবিক (বাঁ থেকে) আজগর হোসাইন, ক্যাডেট আল আমিন ও নাবিক হাবিবুর রহমান (ডানে)