ঊরুর মাপের সঙ্গে কি সত্যিই আয়ুর কোনো সম্পর্ক আছে
Published: 16th, October 2025 GMT
ঊরুর মেদ কি খারাপ?
সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, মেদ বা চর্বি মানেই তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আদতে বিষয়টা এমন নয়। ত্বকের নিচে মেদ জমা হলেই যে আপনার রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি থাকবে বা অন্যান্য জটিল সমস্যার ঝুঁকি থাকবে, তা নয়।
ঊরুতে যে মেদ থাকে, তা জমা হয় ত্বকের নিচেই। আর ত্বকের নিচে যে মেদ জমা হয়, তা থেকে ‘অ্যাডিপোনেকটিন’ নামের একধরনের রাসায়নিক নিঃসরণ হয়। এই রাসায়নিক প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ফলে হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। বুঝতেই পারছেন, ঊরুর মেদ খুব একটা খারাপ নয়, যদি অন্যান্য খারাপ মেদ না থাকে।
অন্যদিকে পেটের ভেতরে থাকা বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আশপাশে জমা হওয়া মেদ হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। যাঁদের এ ধরনের মেদ থাকে, তাঁদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বেশি। হাত, পা কিংবা ঊরুতে তেমন মেদ না থাকলেও যদি কারও কেবল পেটের ভেতর এমন মেদ থাকে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি রোগের আশঙ্কা বেশি থাকে।
আরও পড়ুনস্থূলতা রোধ করবেন যেভাবে২৮ মার্চ ২০২২গবেষণায় যা পাওয়া গেছেকিছু গবেষণার ফলাফল বলছে, যাঁদের ঊরুর মাপ ৬০ সেন্টিমিটার বা এর কম, তাঁদের আয়ু তুলনামূলক কম। আর তাঁদের অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে হৃদ্রোগে, অন্যদের তুলনায় তাঁদের হৃদ্রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। ঊরুর মাপ কম হওয়ার অর্থ হলো, সেখানে মেদ এবং পেশি দুটির পরিমাণই কম।
এ থেকে বোঝা যায়, তাঁদের ঊরুর পেশি আদতে খুব একটা সুগঠিত ছিল না। আরও ধারণা করা যায়, স্বাস্থ্যকর জীবনচর্চার দিক থেকে তাঁরা বেশ খানিকটা পিছিয়ে ছিলেন। অর্থাৎ ব্যায়ামের প্রতি সম্ভবত খুব একটা যত্নশীল ছিলেন না তাঁরা।
তবে এসব গবেষণা থেকে এমনটাও বলা যায় না যে ঊরুর মাপ দীর্ঘায়ু বা সুস্থতার জন্য নিশ্চিত কোনো নির্দেশক।
আরও পড়ুনকোমরের মাপ দেখে যেভাবে স্বাস্থ্য বোঝা যায়১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১যেভাবে বোঝা যায় ঊরুর মাপঊরুর মাপ নিতে হয় দাঁড়ানো অবস্থায়। ঊরুর মাঝামাঝি অংশ, অর্থাৎ যে অংশটি সবচেয়ে চওড়া, সেখানে ধরতে হয় মাপের ফিতা। খুব আঁটসাঁট করেও নয়, আবার ঢিলেভাবেও নয়। খেয়াল রাখতে হয়, ফিতাটি যেন উল্টে না যায়।
ঊরুর মাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেই যে কেউ সুস্থ থাকবেন, এমনটাও নয়.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বিপিএল নিলাম: কোন দল কত টাকা খরচ করল, কোন দলে কারা খেলবেন
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর শুরু হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। তার আগে আজ হয়ে গেল নিলাম। যেখানে সর্বোচ্চ দাম পেয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম। ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাকে কিনেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
চলুন দেখা যাক, নিলামে কোন দল কত টাকা খরচ করল। নিলাম শেষে কোন দল কেমন হলো...কোন দল কত টাকা খরচ করল
বিপিএল নিলামে স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা খরচ করতে পারত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। কিন্তু কেউই তা করেনি। ১২ ক্রিকেটার নিতে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছে রংপুর রাইডার্স।
নিলামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টাকা খরচ করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা খরচ করেছে তাঁরা। এর মধ্যে প্রথম ডাকে মোহাম্মদ নাঈমকে কিনতেই ১ কোটি ১০ লাখ টাকা খরচ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সবচেয়ে বেশি ১৩ ক্রিকেটার নেওয়া রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
নিলামে সবচেয়ে কম টাকা খরচ করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা খরচ করে স্থানীয় ১২ ক্রিকেটারকে কিনেছে তারা। ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা খরচ করেছে সিলেট টাইটানস। ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা খরচ করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
বিদেশি ক্রিকেটার কিনতে দলগুলো খরচ করতে পারত ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত। কিন্তু নোয়াখালী এক্সপ্রেস, রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৫০ হাজার ডলারও খরচ করেনি। সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ডলার খরচ করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস, নিলাম থেকে একমাত্র তাঁরাই তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার কিনেছে।
আরও পড়ুনসবচেয়ে দামি ১ কোটি ১০ লাখ টাকার মোহাম্মদ নাঈম, অন্যদের দাম কত ৬ ঘণ্টা আগেকোন দল কেমন হলোবিপিএলের ১২তম আসরের নিলাম শেষ হয়েছে। দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটার মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় চট্টগ্রাম রয়্যালস দলে নিয়েছে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমকে। তাওহিদ হৃদয় ৯২ লাখ ও লিটন দাস ৭০ লাখে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ দামি ক্রিকেটার হিসেবে গেছেন রংপুর রাইডার্সে। এক নজরে দেখে নিন নিলাম শেষে কেমন হলো দলগুলো।
রংপুর রাইডার্সসরাসরি চুক্তি: নুরুল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, খাজা নাফি, সুফিয়ান মুকিমনিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: লিটন দাস (৭০ লাখ), তাওহিদ হৃদয় (৯২ লাখ), নাহিদ রানা (৫৬ লাখ), রাকিবুল হাসান (৪২ লাখ), আলিস আল ইসলাম (২৮ লাখ), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী (১৮ লাখ), নাঈম হাসান (১৮ লাখ), মেহেদী হাসান সোহাগ (১১ লাখ), মাহমুদউল্লাহ (৩৫ লাখ), আব্দুল হালিম (১১ লাখ), এমিলিও গে (১০ হাজার ডলার), মোহাম্মদ আখলাক (১০ হাজার ডলার)ঢাকা ক্যাপিটালসসরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: শামীম হোসেন (৫৬ লাখ), সাইফউদ্দিন (৬৮ লাখ), মোহাম্মদ মিঠুন (৫২ লাখ), তাইজুল ইসলাম (৩০ লাখ), সাব্বির রহমান (২৮ লাখ) , নাসির হোসেন (১৮ লাখ), তোফায়েল আহমেদ (১৮ লাখ), ইরফান শুক্কুর (১৮ লাখ), আবদুল্লাহ আল মামুন (১৪ লাখ), মারুফ মৃধা (১৪ লাখ), জায়েদ উল্লাহ (১১ লাখ), দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলার), জুবাইরউল্লাহ আকবর (২০ হাজার)সিলেট টাইটানসসরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: পারভেজ হোসেন (৩৫ লাখ), খালেদ আহমেদ (৪৭ লাখ), আফিফ হোসেন (২২ লাখ), রনি তালুকদার (২২ লাখ), জাকির হাসান (২২ লাখ), রুয়েল মিয়া (২৩ লাখ), আরিফুল ইসলাম (২৬ লাখ), ইবাদত হোসেন (২২ লাখ), শহীদুল ইসলাম (১৪ লাখ), রাহাতুল ফেরদৌস (১৪ লাখ), তৌফিক খান (১৪ লাখ), মুমিনুল হক (২২ লাখ), রবিউল ইসলাম (১১ লাখ), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস (৩৫ হাজার ডলার), অ্যারন জোন্স (২০ হাজার ডলার)আরও পড়ুনবিপিএলের নিলাম শুরুর আগে অ্যালেক্স মার্শালের হুঁশিয়ারি৩ ঘণ্টা আগেরাজশাহী ওয়ারিয়র্সসরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন, তানজিদ হাসান, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নেওয়াজ
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: তানজিম হাসান (৬৮ লাখ), ইয়াসির আলী (৪৪ লাখ), আকবর আলী (৩৪ লাখ), রিপন মণ্ডল (২৫ লাখ), জিসান আলম (১৮ লাখ), হাসান মুরাদ (১৮ লাখ), আবদুল গাফফার (৪৪ লাখ), এসএম মেহেরব হাসান (৩৯ লাখ), ওয়াসী সিদ্দিকী (১৯ লাখ), মোহাম্মদ রুবেল (১১ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৩৫ লাখ), দুশান হেমান্ত (২৫ হাজার ডলার), জাহানদাদ খান (২০ হাজার ডলার)চট্টগ্রাম রয়্যালসসরাসরি চুক্তি: মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, আবরার আহমেদ
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: মোহাম্মদ নাঈম (১ কোটি ১০ লাখ), শরীফুল ইসলাম (৪৪ লাখ), আবু হায়দার (২২ লাখ), মাহমুদুল হাসান (৩৭ লাখ), সুমন খান (৩২ লাখ), জিয়াউর রহমান (৩০ লাখ), আরাফাত সানি (১৮ লাখ), মুকিদুল ইসলাম (৩৩ লাখ), সালমান হোসেন (১৪ লাখ), শুভাগত হোম (১৪ লাখ), জাহিদুজ্জামান (১১ লাখ), নিরোশান ডিকভেলা (৩৫ হাজার ডলার), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (২০ হাজার ডলার)আরও পড়ুনআফ্রিদির ছক্কার রেকর্ড এখন রোহিতের৬ ঘণ্টা আগেনোয়াখালী এক্সপ্রেসসরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার: জাকের আলী (৩৫ লাখ), মাহিদুল ইসলাম (৩৫ লাখ), হাবিবুর রহমান (৫০ লাখ), নাজমুল ইসলাম (১৮ লাখ), আবু হাশিম (১৮ লাখ), মুশফিক হাসান (১৮ লাখ), শাহাদাত হোসেন (১৮ লাখ), রেজাউর রহমান (১৮ লাখ), মেহেদী হাসান (১৪ লাখ), সৈকত আলী (১৪ লাখ), সাব্বির হোসেন (১৪ লাখ), ইহসানউল্লাহ (২৮ হাজার ডলার), হায়দার আলী (২৫ হাজার ডলার)আরও পড়ুন৯ ক্রিকেটারের বিপিএলের নিলাম থেকে বাদ পড়ার ৩ কারণ ১৩ ঘণ্টা আগে