আশি-নব্বই দশকে ঢাকার লিগ মাতিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার ফুটবলাররা। পাকির আলীর নাম তো এই প্রজন্মের অনেকেই শুনেছেন। ফুটবল ক্যারিয়ারে ইতি টানার পর বাংলাদেশের ক্লাবে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন পাকির আলী।
১৯৮৯ সালে পাকির আলীর পর আর কোনো লঙ্কান ফুটবলার দেখা যায়নি বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে। অবশেষে ৩৬ বছর পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে দেখা যাবে লঙ্কান খেলোয়াড়কে।
শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক সুজন পেরেরার সঙ্গে এক মৌসুমের জন্য চুক্তি করেছে ফর্টিস ফুটবল ক্লাব। সুজন পেরেরার আগেও ঢাকা লিগে খেলেছিলেন লঙ্কান এই গোলরক্ষক। আশির দশকে পোস্টের নিচে দাঁড়িয়েছিলেন লায়নেল ফিরিচ।
গত মৌসুমে গোলরক্ষক পজিশনে বেশ ভালোই ভুগেছিল ফর্টিস ফুটবল ক্লাব, বিশেষ করে মিতুল মারমা চলে যাওয়ায় এই পজিশনে কিছুটা সমস্যায় পড়েছিল তারা। যে কারণে লঙ্কান সুজন পেরেরাকে নেওয়া বলে বুধবার সমকালকে জানান ফর্টিস ক্লাবের ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম, ‘সুজন পেরেরা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা একজন গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। আশা করি, তাঁকে পাওয়ায় গোলরক্ষক পজিশনে আমাদের শক্তিটা বেড়েছে।’
সুজন পেরেরা সর্বশেষ খেলেছিলেন মালদ্বীপের ক্লাব টিসি স্পোর্টসে। ২০২২ সালে যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির হয়ে ৩৪ ম্যাচ খেলেছিলেন ৩২ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া সুজন পেরেরা দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন ৫৬ ম্যাচ।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ব ল দ শ ফ টবল স জন প র র ফ টবল র
এছাড়াও পড়ুন:
ইরাকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা অস্বীকার করল ইরান
ইরাকের কুর্দিস্তানে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর অস্বীকার করেছে ইরান। শনিবার কিছু সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছিলেন।
তবে হামলার খবরটি প্রত্যাখান করেছে আইআরজিসি। রবিবার (৩০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ।
আরো পড়ুন:
ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানি অভিনেতা হুমায়ুন এরশাদি মারা গেছেন
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছে, খোররমাবাদ, ইলাম ও কেরমানশাহ প্রদেশ থেকে ইরাকের কুর্দিস্তান বা সীমান্তবর্তী অঞ্চলের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের যে খবর প্রচার করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং ভুল।
ইরানি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, এই প্রদেশগুলো থেকে কোনো সামরিক পদক্ষেপ বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়নি। এ ধরনের ভিত্তিহীন খবর ছড়িয়ে দেয়ার কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অযথা উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।
ঢাকা/ফিরোজ