বিশ্বকাপের আরও এক ম্যাচ বৃষ্টির পেটে
Published: 15th, October 2025 GMT
নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আরও একটি ম্যাচ গেল বৃষ্টির পেটে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে টস হেরে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ৭৮ রানেই হারিয়ে বসে ৭ উইকেট। এরপর বৃষ্টি এসে হানা দেয়। বৃষ্টির কারণে লম্বা সময় খেলা বন্ধ থাকার পর ম্যাচ নির্ধারিত হয় ৩১ ওভারে। সেখানে ইংল্যান্ডের মেয়েরা ৯ উইকেটে ১৩৩ রান করে। এরপর আবারও বৃষ্টি নামে।
বৃষ্টি আইনে ৩১ ওভারে পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত হয় ১১৩ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে ৬.
আরো পড়ুন:
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা পেল নেপাল ও ওমান
স্বীকৃতির ১০ বছর পর জাতীয় ক্রিকেট লিগে ময়মনসিংহ
আজ পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা দুর্দান্ত বোলিং করেন। ৬ ওভারে ১ মেডেনসহ ২৭ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। সাদিয়া ইকবাল ৬ ওভারে ২ মেডেনসহ ১৬ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। এছাড়া ডায়না বেগ ও রামিন শামীম ১টি করে উইকেট নেন।
ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের চার্লি ডিন ৩ চারে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন। হিদার নাইট ১৮ ও এম আর্লোট করেন ১৮ রান। এছাড়া অ্যালিস ক্যাপসি ১৬ ও সোফিয়া ডাঙ্কলে করেন ১১ রান।
পাকিস্তানের দুই উদ্বোধনী ব্যাটার ওমাইমা সোহাইল ১৯ ও মুনিবা আলী ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এই পয়েন্ট ভাগাভাগিতে ৪ ম্যাচ থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে ইংলিশ মেয়েরা। সমান ম্যাচ থেকে মাত্র ১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের তলানিতে রয়েছে পাকিস্তানের মেয়েরা।
ঢাকা/আমিনুল
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
‘একটা চাদর হবে’র গায়ক জেনস সুমন মারা গেছেন
‘একটা চাদর হবে চাদর’খ্যাত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন মারা গেছেন। আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। গায়কের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন সংগীত পরিচালক ঈশা খান দূরে।
‘একটা চাদর হবে’—এই একটি গানই তাঁকে দেশের ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে। ১৯৯৭ সালে তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশের পর একের পর এক শ্রোতাপ্রিয় অ্যালবাম উপহার দেন তিনি ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ আরও অনেক গান।
২০০২ সালে বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে প্রচারের পর সাড়া ফেলে ‘একটা চাদর হবে’ গানটি। রাতারাতি আলোচনায় চলে আসেন গানটির গায়ক জেনস সুমন। তারপর আরও কিছু গান করেছেন। এরপর দীর্ঘ বিরতি।
জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। তারপর একে একে আসে ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’ ইত্যাদি।
২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সবশেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। এরপর কিছুটা অনিয়মিত হয়ে পড়লেও শ্রোতাদের মনে জায়গা ছিল অটুট।
১৬ বছরের বিরতি ভেঙে ২০২৪ সালে প্রকাশ পায় তাঁর গান ‘আসমান জমিন’। জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি মুক্তি পায়।