কর ও দাম বাড়িয়ে তামাক করনীতি সংস্কারের দাবি
Published: 21st, May 2025 GMT
আসন্ন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের দাম ও কর বাড়িয়ে তামাক করনীতি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে ডরপ। বুধবার রাজধানীন সিরডাপ মিলনায়তনে ‘আসন্ন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য ও কর বৃদ্ধি এবং তামাক করনীতি সংস্কার’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।
ডরপ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এইচএম নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মো.
সেমিনারে বক্তারা সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ৯০ টাকা করার দাবি জানান। তারা বলেন, সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দাম কাছাকাছি হওয়ায় দাম বাড়লেও মধ্যম থেকে নিম্ন স্তরের সিগারেটে স্থানান্তরের প্রবণতা বাড়ে। তবে দুই স্তরকে একীভূত করে দাম বাড়ালে ধূমপানের প্রবণতা কমবে। এতে তরুণরা ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৯ লাখ তরুণের তামাকজনিত অকালমৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।
আখতারউজ-জামান বলেন, সিগারেটে চারটি মূল্যস্তর (নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম) থাকায় তামাক কর ও মূল্য পদক্ষেপ সঠিকভাবে কাজ করছে না। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম খুবই কাছাকাছি। এ কারণে ভোক্তারা যেকোনো একটি স্তরের সিগারেট বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আসন্ন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্র করে দাম বাড়ানো হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও তরুণ প্রজন্ম ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবে।
মূল প্রবন্ধে মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য ও কর বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তুলে ধরে বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্র করে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৯০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। উচ্চ স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৪০ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা এবং প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৯০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া সিগারেটের খুচরা মূল্যের ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখতে হবে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: স গ র ট র খ চর ত ম ক কর আসন ন স তরক
এছাড়াও পড়ুন:
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি ‘বিশেষ সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ শনিবার। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেছেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন হয়। এই সংশোধনের ফলে বর্তমান আইনের কয়েকটি ধারায় পরিবর্তন এসেছে। এনজিও নিবন্ধনের নিয়ম সহজ হয়েছে। অনুদান অবমুক্তর শর্তগুলোও সহজ করা হয়েছে। এখন থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদানের ক্ষেত্রে আর অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
এ ছাড়া সভায় পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়া উত্থাপিত হয়েছিল। তবে অধ্যাদেশটি আরও বিস্তারিতভাবে এবং সংশোধিত আকারে পরবর্তী পরিষদ সভায় উত্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
সভায় প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরব আমিরাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে বন্দী থাকা বাকি ২৪ জনকে অচিরেই মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদকে অবহিত করেন। তিনি জানান, দুই-তিন দিনের মধ্যেই তাঁরা দেশে ফিরবেন।