২০০৪-০৫ সালের দিকে নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার উপজেলায় ব্যাপক হারে বাণিজ্যিক আম চাষ শুরু হয়নি। তখন উঁচু বরেন্দ্রভূমি হিসেবে পরিচিত ওই সব এলাকার দিগন্তবিস্তৃত মাঠগুলোয় ধান, গম ও শর্ষের আবাদ হতো। সে সময় পরিবারের তেমন সহযোগিতা না থাকলেও উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া রায়হান আলম (৪২) ফসলি জমিতে আমবাগান করার সিদ্ধান্ত নেন।

ধান ও গরু বেচে পাওয়া এক লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করে নিজেদের আট বিঘা জমিজুড়ে আমের চারা রোপণ করেন। দুই বছরে আম বিক্রি করে আয় করেন তিন লাখ টাকা। এভাবে প্রতি বছর পুঁজি বাড়তে থাকলে রায়হান তাঁর বাগানের পরিমাণও বাড়াতে থাকেন। এখন প্রায় ২০০ বিঘা জমিজুড়ে রায়হানের ছোট-বড় ১৬টি ফলদ বাগান। বাগান থেকে বছরে তাঁর আয় ৫০ লাখ টাকার বেশি।

রায়হানের গ্রামের বাড়ি সাপাহার উপজেলার দোয়াশ গ্রামে। মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্ম তাঁর। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনিই বড়। উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিকে নিজের সাধনার ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে তিনি একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা। এলাকার অনেক তরুণ তাঁকে অনুসরণ করে তৈরি করেছেন আমের বাগান। তাঁরাও দেখছেন সাফল্যের মুখ। নিজ গ্রাম দোয়াশ ছাড়াও ২০০ বিঘা জমিজুড়ে গড়ে তোলা ফলদ বাগানগুলো সাপাহার, পত্নীতলা ও পোরশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আছে। আম ছাড়াও ড্রাগন ও পেয়ারা চাষ করেন রায়হান। তাঁর বাগানে নিয়মিত ২০–২৫ জন মানুষ কাজ করেন।

সম্প্রতি পোরশা উপজেলার বন্ধুপাড়া এলাকায় গড়ে তোলা মিশ্র ফলের বাগানে কথা হয় রায়হান আলমের সঙ্গে। আম ও ড্রাগনের মিশ্র ওই ফলের বাগান ঘুরিয়ে দেখানোর সময় তিনি বলেন, ‘২০০৩ সালে হঠাৎ বাবা মারা গেলেন। তখন আমি উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষে পড়ি। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে আমার কাঁধে। নিজেদের সামান্য কিছু জমিতে ধানের চাষ করে ছয়জনের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হতো। তখন চিন্তা করতে থাকি, কীভাবে সংসারের আয় বাড়ানো যায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আমের চাষ বেশ লাভজনক। সিদ্ধান্ত নিই, ধানি জমিতে আমের বাগান করব। বাগান করার প্রস্তাবে আমার পরিবার ও প্রতিবেশী কেউই তখন আমাকে সাপোর্ট করেননি। ধান আর গরু বেচে এক লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করে পোরশার সারাইগাছি এলাকার একটি নার্সারি থেকে আম্রপালি, ল্যাংড়া, মল্লিকা, সুবর্ণরেখা ও ফজলির ২ হাজার চারা কিনে নিজেদের ৮ বিঘা জমিতে রোপণ করি।’

সফল এই কৃষি উদ্যোক্তা বলেন, ২০০৫ সালে নিজেদের ফসলি জমিতে আমের চারা রোপণ করার দুই বছর পর বাগানের আম বিক্রি করে তাঁর তিন লাখ টাকা আয় হয়। কৃষিকাজের পাশাপাশি লেখাপড়াও চালিয়ে গেছেন রায়হান। ২০১২ সালে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। নিজের বাগান থেকে উপার্জিত টাকা দিয়ে ২০১৩ সালে সাপাহার উপজেলার হরিকুর ও জামালপুর এলাকায় ৫০ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে আরও দুটি বাগান গড়ে তোলেন। প্রায় ২০০ বিঘা জমিজুড়ে এখন ১৬টি ফলদ বাগানের মালিক তিনি। তাঁর বাগানে আম্রপালি, বারি-৪ ও গৌড়মতি ছাড়াও ব্যানানা ম্যাঙ্গো, মিয়াজাকি, চিয়াংমাই, ব্রুনাই কিং, কিউজাইসহ দেশি-বিদেশি ২০-২৫ জাতের আম আছে।

রায়হান আলম বলেন, ‘পোরশার বন্ধুপাড়া এলাকায় আছে মিশ্র ফলবাগান। এ বাগানে আমের পাশাপাশি কিছু ড্রাগন ও পেয়ারাগাছ আছে। গত বছর আম, ড্রাগন ও পেয়ারা বিক্রি করেছিলাম প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার। শ্রমিক খরচ, কীটনাশক ও সেচের খরচ বাদ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা আয় হয়েছিল। সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছর ৬০ লাখ টাকা আয় হবে বলে আশা করছি।’

নতুন যাঁরা আম চাষের জগতে আসতে চান, তাঁদের জন্য তরুণ এই কৃষি উদ্যোক্তার পরামর্শ— বাগানে শুধু এক জাতের আম চাষ না করে একাধিক জাতের আমগাছ লাগানো বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষ করে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পাকে, এমন বিষয় মাথায় রেখে বাগানে একাধিক জাতের আমগাছ লাগানো উচিত। এক জাতের আমগাছ লাগালে একই সময়ে পরিপক্ব হবে। তখন বাজারে ধস নামলে চাষিকে লোকসানে পড়তে হয়। তাই আমচাষিদের উচিত বাগানে একাধিক জাতের আমের চাষ করা। যাতে এপ্রিল থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত আম সরবরাহ করা যায়।  

পোরশার বড়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের এলাকার অধিকাংশই আম্রপালি ও ল্যাংড়া জাতের আমের বাগান। রায়হান ভাই প্রথম নাবি জাতের আম বারি-৪ ও গৌড়মতি আমের চাষ শুরু করেন। মৌসুমের শেষ দিকে এসব আম বাজারে আসায় অন্য আমের চেয়ে চার-পাঁচ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়। শীতকালেও তাঁর বাগানে আম পাওয়া যায়। আমি নিজেও এখন আমার বাগানে একাধিক জাতের আম চাষ করি। এতে বেশি লাভবান হওয়া যায়।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁর উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত দুই দশক ধরেই নওগাঁর উঁচু বরেন্দ্রভূমি হিসেবে পরিচিত পোরশা, সাপাহার, নিয়ামতপুর ও পত্নীতলা উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে ধান চাষ বাদ দিয়ে আমবাগান করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এই পেশায় অনেক শিক্ষিত তরুণ আসছেন। আমের বাগান করে ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছেন জেলার এমন কয়েকজন কৃষকের মধ্যে সাপাহারের রায়হান আলম একজন। গতানুগতিক ধারায় বাগানে একই জাতের আমের চাষ না করে তিনি একাধিক জাতের আমের চাষ করেন। এতে তিনি অন্যদের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন। অন্যদেরও উচিত তাঁর মতো বাগানে ভিন্ন ভিন্ন জাতের আমের চাষ করা। এতে তাঁরাও লাভবান হতে পারবেন।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: জ ত র আম র চ ষ আম র ব গ ন ব গ ন কর র চ ষ কর উপজ ল র পর ব র এল ক র আম চ ষ এল ক য়

এছাড়াও পড়ুন:

জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের সেবা করলে মানুষকে হয়তো আরেকবার জেগে উঠতে হবে: বদিউল আলম মজুমদার

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, রাজনীতিটা এখন ব্যবসায়িক জায়গায় পরিণত হয়েছে। রাজনীতির সঙ্গে অর্থবিত্তের মালিক হওয়া এখন প্রায় নিশ্চিত। ভবিষ্যতেও যদি রাজনীতিকদের ক্ষমতায় গিয়ে সম্পদ আহরণের ধারা চলতে থাকে, তাহলে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ সহজ হবে না। জনপ্রতিনিধিরা যদি জনগণের সেবা করতে গিয়ে নিজেদের সেবা করেন, তাহলে মানুষকে হয়তো আরেকবার জেগে উঠতে হবে।

আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন বদিউল আলম মজুমদার। ‘ভয়েস নেটওয়ার্ক’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে বদিউল আলম মজুমদার ২০০৮ সালে রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত মেয়রদের সম্পদের হিসাব তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্বাচনের পর পাঁচ বছরে খুলনা সিটি মেয়রের সম্পদ বাড়ে সাড়ে ১৪ হাজার শতাংশের বেশি। বরিশাল সিটি মেয়রের সম্পদ বাড়ে ৫ হাজার ৯১৭ শতাংশ। রাজশাহী সিটি মেয়রের সম্পদ বাড়ে ২ হাজার ৩০৮ শতাংশ। আর সিলেট সিটি মেয়রের সম্পদ বাড়ে ৬০৮ শতাংশ।

বাংলাদেশের নির্বাচনী অঙ্গনকে অপরিচ্ছন্ন বলে উল্লেখ করেন বদিউল আলম মজুমদার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টাকা দিয়ে কেনা যায়, এমন একটা গণতন্ত্র এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সরকারের উপদেষ্টারা যদি নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে আরপিও (নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী তা নিয়মের ব্যত্যয় হবে কি না, সে বিষয়ে সেমিনারে নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

দেশের রাজনীতিবিদদের চাহিদা অসীম উল্লেখ করে মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘সিসিটিভি ক্যামেরা বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের মতো কাজ যতই করা হোক, মানসিকভাবে যদি আমরা আমাদেরকে অন্তর থেকে ধৌত করতে না পারি, তাহলে অন্য কোনো বিষয় দিয়ে কোনো কিছু হবে না।’

বিএনপির এই নেতা মনে করেন, বাংলাদেশের মানুষ যদি জাতি হিসেবে নিজেদের ঐক্যবদ্ধ করতে না পারে, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি বলেন, তাত্ত্বিকভাবে দেখলে নির্বাচনকে খুব সহজ মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে এটা অত্যন্ত জটিল সমীকরণ।

জেসমিন টুলি মনে করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রের ব্যবহার বাড়বে। তাই সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আগেই সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

আগামী নির্বাচনে যাতে ফ্যাসিস্টরা কোনোভাবে অংশ নিতে না পারে, তা খেয়াল রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য অধ্যাপক দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাকিয়ে আছি নির্বাচন কমিশনের দিকে, তারা যাতে সুষ্ঠুভাবে এবং স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।’

নির্বাচন ঘিরে গণমাধ্যমে যাতে সঠিক সংবাদ প্রচারিত হয়, সেই আহ্বান জানান উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য। নির্বাচনের সময় সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে সংঘর্ষের ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন গঠনের পর থেকে কমিশনের কার্যক্রম এখনো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, বিশেষ করে সম্প্রতি যে নির্বাচন কর্মকর্তা অথবা ডিসি-এসপির যে নিয়োগগুলো হয়েছে, এগুলো কিছুটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। কোনো একটি দলের দিকে তাঁরা হেলে পড়ছেন কি না, এই প্রশ্নটিও আসছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এখনো নিরপেক্ষতার প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যেকোনো সময় সরকারের এই অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তিনি মনে করেন, আগামী নির্বাচনে যদি কোনো জবরদখলের ঘটনা ঘটে, তা দেশের জন্য কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।

বিগত সময়ে দেশের মানুষের ভোটাধিকার আইসিইউতে চলে গিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেন, ‘এটা থেকে বের হওয়াটা এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

বিভিন্ন হেভিওয়েট প্রার্থীর পিএসকে থানার ওসিরা ‘স্যার’ ডাকেন বলে অভিযোগ করেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেন, মাঠ প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রশাসন মূলত এখনো পেশিশক্তি যেদিকে, সেদিকে হেলে থাকে। একটা চাঁদাবাজির মামলা নেওয়ার আগে পুলিশ বারবার খোঁজ নেয়, তাঁর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না। তাঁদের এই হচ্ছে অভিজ্ঞতা।

অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আহ্বান জানিয়ে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, আগামী নির্বাচনে যেন আওয়ামী লীগের কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীও অংশ নিতে না পারেন। ফ্যাসিবাদ ও তার দোসররা যাতে অংশ নিতে না পারে। ডামি নির্বাচনে যারা অংশ নিয়েছে, তারাও যাতে অংশ নিতে না পারে। এ নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. সাহাবুল হক। সভাপতিত্বে করেন ভয়েস নেটওয়ার্কের চেয়ারপারসন মো. জসীম উদ্দিন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।

আয়োজকেরা জানান, ভয়েস নেটওয়ার্ক নামের এই প্ল্যাটফর্মে ২১টি নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থা যুক্ত আছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সংলাপ, গবেষণা, বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা কাজ করবে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়ারেছুল করিম, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি প্রমুখ।

সম্পর্কিত নিবন্ধ