যাত্রাবাড়ী থানায় করা পৃথক পৃথক হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, দীপু মনিসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ বুধবার সকালে এই আদেশ দেন।

আজ সকাল আটটার পর ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগার থেকে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসানকে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।

সকাল ১০টার পর বৃষ্টির মাত্রা কিছুটা কমে এলে হাজতখানা থেকে আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান, আমির হোসেন আমু, দীপু মনিসহ অন্যদের আদালত কক্ষে তোলা হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে যাত্রাবাড়ী থানায় করা পৃথক পৃথক হত্যা মামলায় আনিসুল হক, সালমান এফ রহমানসহ অন্যদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। আদালত শুনানি নিয়ে এসব হত্যা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গ্রেপ্তার হন আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান, দীপু মনিসহ অন্যরা। পরে তাঁদের রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। প্রত্যেকের একাধিকবার বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: মন ত র

এছাড়াও পড়ুন:

সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২২ বার

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আজ রোববারও আদালতে জমা পড়েনি। এ নিয়ে এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২২ বার পেছানো হলো।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আজ এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য দিন ছিল। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে আজ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি।

আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ঠিক করেছেন ঢাকার সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

হত্যার এক যুগ পর সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির মামলার তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দেওয়া হয়। গত বছরের ৪ নভেম্বর মামলার আগের তদন্ত সংস্থা র‍্যাবের কাছ থেকে নথিপত্র বুঝে নিয়েছে পিবিআই। সংস্থাটি এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক। তিনি প্রথম আলোকে সে সময় বলেছিলেন, ‘র‍্যাবের কাছ থেকে মামলাসংশ্লিষ্ট সব কাগজ বুঝে পেয়েছি। তদন্তকাজ নতুন করে শুরু করেছি।’

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় এই সাংবাদিক দম্পতি নৃশংসভাবে খুন হন। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন। রুনি ছিলেন এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২২ বার