ইউরোপে তাপদাহে ১২টি শহরে ২ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু
Published: 9th, July 2025 GMT
প্রচণ্ড গরম ও তাপপ্রবাহের জেরে গত ১০ দিনে বার্সেলোনা, মাদ্রিদ, লন্ডন, মিলানসহ ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ ১২টি শহরে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
লন্ডনভিত্তিক দুই প্রতিষ্ঠান ইম্পেরিয়াল কলেজ এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের বিজ্ঞানীদের এক গবেষণাগ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে এ তথ্য। খবর: রয়টার্স
মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে প্রবন্ধে বলা হয়েছে গত ২২ জুন থেকে ০২ জুলাই পর্যন্ত ২ হাজার ৩০০ জন মারা গেছেন, তাদের অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে সরাসরি তাপপ্রবাহের কারণে। এই সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ৫০০ জন। বাকিরা আগে থেকেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন, তীব্র তাপপ্রবাহ তাদের মৃত্যুর অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
গত জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ইউরোপ জুড়ে বয়ে গেছে ব্যাপক তাপপ্রবাহ। শীতল আবহওয়ার মহাদেশ ইউরোপের বেশিরভাগ অঞ্চলে এই সময়সীমায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ইম্পেরিয়াল কলেজের কর্মকর্তা ও গবেষক দলের অন্যতম সদস্য ড.
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বেন ক্লার্ক বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপ উল্লেখযোগ্যভাবে উষ্ণ হয়ে উঠছে এবং গ্রীষ্মকাল ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।”
তিনি আরও বলেন, “গত তিন সপ্তাহের তাপপ্রবাহে ইউরোপে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে আমরা ধারণা করছি। কারণ আমাদের এই গবেষণায় শুধু ইউরোপের প্রধান ১২টি শহরকে ফোকাস করা হয়েছে”।
আজ বুধবার মাসিক বুলেটিন প্রকাশ করেছে ইউরোপের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেইঞ্জ সার্ভিস। সেখানে বলা হয়েছে, গত ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের মতো এবারও ‘ইতিহাসের উষ্ণতম’ জুন মাস দেখেছে বিশ্ব।
উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
সাজেকে বিজিবির গাড়ি খাদে, আহত দুই সৈনিক
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ি খাদে পড়ে যায়। এতে বিজিবির দুই সৈনিক আহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন মো. মোয়াজ্জেম ও মো. রাকিব।
আজ রোববার দুপুরে সাজেক ইউনিয়নের শিজকছড়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাজেক থানার ওসি কানন সরকার বলেন, মোয়াজ্জেমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এরপর সেখান থেকে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।