সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
Published: 12th, October 2025 GMT
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে শহরের হাজীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহম্মদ মুশিউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নারায়ণগঞ্জে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
৯ মাস বয়স থেকে ১৫ বছরের নিচের শিশু কিশোররা এই টিকা পাবে। নারায়ণগঞ্জ জেলায় ৫ লক্ষ ১ হাজার ৭২১ জনকে ১৮ দিনের মধ্যে টিকা দেয়া হবে। একজনও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, কোনো শিশু যদি কোনো কারণে বাদ পরে, তবে তারা পরবর্তীতে উপজেলা হাসপাতালের স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবে। কেউ যদি টাইফয়েড টিকা থেকে বঞ্চিত হয়ে ভবিষ্যতে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় তাহলে সেই দায়িত্ব আমাদের উপর বর্তাবে।
আমরা আমাদের সন্তানদের দক্ষ ও সুস্থ সবল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা চাই যারা আমাদের দেশের সম্পদে পরিণত হবে তারা যেন কোনোভাবেই রোগে আক্রান্ত না হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো.
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ দ ল ইসল ম কর মকর ত উপজ ল
এছাড়াও পড়ুন:
বন্দরে কারানির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা সমাবেশ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর বন্দর থানা ও বন্দর উপজেলার কারানির্যাতিত সাহসী নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা উপলক্ষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণের অপরাধে অন্যায়ভাবে কারাভোগ করা এসব নেতাকর্মীদের সম্মাননা দিতে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, গণমানুষের প্রতিনিধি এবং তৃণমূল কর্মীরা ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেন।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ।
অনুষ্ঠানে মাসুদুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, এবং আমাদের অভিভাবক তারেক রহমানের প্রতি।
আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করছি - গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়, তাই আপনারা সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।
বন্দর ও নগর একই মায়ের দুই সন্তান। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনকে একটি আধুনিক ও স্বপ্নের নারায়ণগঞ্জে রূপান্তরিত করা সম্ভব। আমি জানি আপনাদের গ্যাস সমস্যা, সুপেয় পানি, সেতু এবং পরিকল্পিত নগরীর প্রয়োজন রয়েছে।
সমস্যা আছে, কিন্তু সমাধানের পথও আছে। আপনারা যদি বিএনপিকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেন, তবে আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব জাতীয় সংসদে।
আমি গতানুগতিক নয়, পরিবর্তনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। বন্দরে এখনো একটি পরিকল্পিত নগরী গড়ার সুযোগ আছে, এবং আমরা সেটি বাস্তবায়ন করতে চাই।
আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না এবং করবোও না, তবে প্রিয় বন্দরবাসী, নগরবাসী - আপনারা সচেতন থাকবেন যাতে কেউ ধর্মকে বিভ্রান্তির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনমানুষের দল - আমরা মানুষের অন্তরে আছি। ইন শা আল্লাহ, আগামী নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করতে পারব যে জনগণ বিএনপিকেই তাদের প্রত্যাশার জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছে।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক; আব্দুস সবুর খান সেন্টু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য; হাজী ফারুক হোসেন, অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, মো: আলমগীর হোসেন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু।
প্রবীণ বিএনপি নেতা, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী নুরুদ্দিন, বন্দর থানা বিএনপির; সভাপতি শাহেন শাহ্, মহানগর যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ- সাবেক কাউন্সিলর, সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মুরাদ, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন। ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাজীব।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের বিএনপির মহানগর, থানা, ওয়ার্ডসহ কৃষকদল, যুবদল, মহিলাদল এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কারাভোগ করা নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের প্রেরণা তুলে ধরেন। উপস্থিত জনতারা বলেন, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের সংগ্রাম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।