চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মাছ শিকাররত ২৮ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। এসময় প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং ছয়টি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার নৌকা জব্দ করে তারা।

রবিবার রাত থেকে সোমবার (১৩ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত উপজেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান চালায় মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

আরো পড়ুন:

ঝালকাঠিতে ইলিশ ধরায় ৩ জেলের কারাদণ্ড

নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার, ৬ জেলেকে জরিমানা

নৌ পুলিশ সূত্র জানায়, মৎস্য সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার জেলেদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো.

সানা উল্লাহ (৪৫), নুর মোহাম্মদ (২৫), মো. মোস্তফা বেপারী (৩২), মো. কালু শেখ (২৩), মো. ইউনুছ (৪০), মো. সেলিম (৩০), নুর মোহাম্মদ (৩২), জুয়েল বেপারী (২৭), মো. রুবেল হাং (৩০), জাকির বেপারী (৩৬), মো. শাকিল (২০), মো. রাজিব (২৫), জিহাদ (২০), মো. সবুজ (২০), মো. বিল্লাল হোসেন (২৫), আ. খালেক (২৮), মো. নাজমুল হোসেন (৩০), বিল্লাল মাঝি (২৬), মোহাম্মদ আলী (৬৫), রুবেল দেওয়ান (৩৫)। 

আকতার হোসেন (২৮), মো. লিটন ডালী (৪৫), মো. নুরে আহম্মদ বেপারী (৪০), মো. হাসান বেপারী (৩৪), মো. নান্টু ডালী (৩৫), মো. রিপন মিয়া ডালী (৩৪), মো. বিল্লাল ডালী (২০) এবং মো. আবু হানিফ ডালী (২০)।

মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মোহাম্মদ আলী বলেন, ‍“মা ইলিশ রক্ষায় আমরা প্রতিদিন নদীতে টহল ও অভিযান পরিচালনা করছি। কেউই আইন ভঙ্গ করে নদীতে মাছ ধরতে পারবেন না। নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে নদীজুড়ে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

ঢাকা/অমরেশ/মাসুদ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ম হ ম মদ

এছাড়াও পড়ুন:

চট্টগ্রামে বিআরটিএ মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

চট্টগ্রামে বিআরটিএ মাস্টার ইন্সট্রাক্টরদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বিআরটিসি বাস ডিপো প্রশিক্ষণ কক্ষে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাচিত ১১১ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ১৯ জন মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টা ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরটিএর পরিচালক জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মো. মাসুদ আলম।

বক্তারা বলেন, পেশাদার প্রশিক্ষণ চালকদের দক্ষতা বাড়ায়। নতুন লাইসেন্স আবেদনকারীরা সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ নিলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে। আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এই সার্টিফিকেশন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা/রেজাউল/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ