ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চলতি সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৫ অক্টোবর) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা কমেছে। তবে, উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক দিন ধরেই পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেন শেষে তা পতনে রূপ নেয়। তবে, বুধবার সকালে লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইএক্স সূচকের পতন দেখা গেছে। লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত সূচকের পতনমুখী প্রবণতা বিরাজ করে।

আরো পড়ুন:

নয় মাসে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা কমেছে ৩.

৯৭ শতাংশ

নতুন পাবলিক অফার রুলসের খসড়া অনুমোদন বিএসইসির

‎ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮০.৭৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১১৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২০.২৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২৮.৫৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

‎ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ারের দাম বেড়েছে ৩৩টি কোম্পানির, কমেছে ৩২৮টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ৪৮৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬০৬ কোটি ৪২ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

‎অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১১২.৩৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৯১৩ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮০.১৩ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৯৩ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ১২.২১ পয়েন্ট কমে ৯১৬ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ১০৫.৩০ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৬২২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।‎সি

এসইতে মোট ১৮৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৩০টি কোম্পানির, কমেছে ১৮৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৭টির।‎সি

এসইতে ১৪ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

ঢাকা/এনটি/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ট ক র শ য় র ও ইউন ট ড এসই স এসই

এছাড়াও পড়ুন:

পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি কোটি টাকা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর) সূচকের উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ সময়ে ডিএসই ও সিএসইতে লেদেনের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী সপ্তাহে উভয় পুঁজিবাজারে বাজার মূলধন বেড়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫৯.১৩ পয়েন্ট বা ৩.২৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৮ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৫৬.৩৪ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৩৪ পয়েন্টে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩৮.৫৬ পয়েন্ট বা ৩.৭৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৫৬ পয়েন্টে এবং ডিএসএমইএক্স সূচক (এসএমই ইনডেক্স) ২৩.৭৮ পয়েন্ট বা ২.৮৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৮ পয়েন্টে।

বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ৭৯৪ কোটি ৮ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আর বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৬৩৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৬৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৩৫টির, দর কমেছে ১২টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির। তবে লেনদেন হয়নি ৩৪টির।

অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৯৫.১২ পয়েন্ট বা ২.৮৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৭ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসই-৩০ সূচক ২.১৩ শতাংশ বেড়ে ১২ হাজার ৪২৭ পয়েন্টে, সিএসসিএক্স সূচক ২.৬৫ শতাংশ বেড়ে ৮ হাজার ৬৪২ পয়েন্টে, সিএসআই সূচক ২.৩৩ শতাংশ বেড়ে ৮৮১ পয়েন্টে এবং এসইএসএমইএক্স (এসএমই ইনডেক্স) ৬.৩০ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আর বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৮৩২ কোটি ৬৬  লাখ টাকা। টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ২৫১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আর বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৬৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইতে মোট ২৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৫টির, দর কমেছে ৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টির শেয়ার ও ইউনিট দর।

ঢাকা/এনটি/ইভা 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স
  • ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম কমার শীর্ষে বিআইএফসি
  • ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষে রিজেন্ট টেক্সটাইল
  • পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি কোটি টাকা