ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস গতকাল মঙ্গলবার যে চারটি মরদেহ হস্তান্তর করেছে, তার মধ্যে একটি মরদেহ কোনো মৃত জিম্মির নমুনার সঙ্গে মেলেনি। ফরেনসিক পরীক্ষার ভিত্তিতে আজ বুধবার এমন দাবি করেছে তারা।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস সম্প্রতি ইসরায়েল থেকে ফিলিস্তিনি কারাবন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে সম্মত হয়। এর অংশ হিসেবে গত সোমবার থেকে জিম্মিদের মুক্তি দিচ্ছে তারা। গতকাল ইসরায়েলের কাছে চারটি মরদেহ হস্তান্তর করে হামাস। বলা হয়েছিল এগুলো ইসরায়েলি জিম্মিদের মরদেহ।

গতকাল রাতেই মরদেহগুলোতে ফরেনসিক পরীক্ষা চালায় ইসরায়েল। আজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, একটি মরদেহের নমুনা কোনো সাবেক জিম্মির নমুনার সঙ্গেই মেলেনি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, মৃত জিম্মিদের মরদেহ ফেরত দিতে হামাসকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাস সোমবার থেকে ২০ জন জীবিত জিম্মি এবং ৮টি মরদেহ ফেরত দিয়েছে। ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ হিসেবে যে আটটি মরদেহ হস্তান্তর হয়েছে তার মধ্যে একজন নেপালি এবং ছয়জন ইসরায়েলি। এর মধ্যে দুজন ইসরায়েলি সেনা আছেন। আট মরদেহের মধ্যে একটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

আরও পড়ুনগাজা নগরীর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে হামাস, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে তীব্র লড়াই৪ ঘণ্টা আগে

গাজার একটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইসরায়েলের ফেরত দেওয়া ৪৫ জন ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ ফেরত পেয়েছে তারা।

তবে কট্টর ইহুদিবাদী নেতা জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির বলেছেন, হামাস যদি গাজায় এখনো আটক সেনাদের মৃতদেহ ফেরত না দেয়, তবে সাহায্য সরবরাহ বন্ধ করা উচিত।

এ পর্যন্ত ফেরত দেওয়া দুটি ইসরায়েলি দেহ সেনাসদস্য হিসেবে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

আরও পড়ুনইসরায়েলের আরও ৪ জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করল হামাস৮ ঘণ্টা আগে.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ইসর য় ল র র মরদ হ মরদ হ হ

এছাড়াও পড়ুন:

চট্টগ্রামে বিআরটিএ মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

চট্টগ্রামে বিআরটিএ মাস্টার ইন্সট্রাক্টরদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বিআরটিসি বাস ডিপো প্রশিক্ষণ কক্ষে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাচিত ১১১ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ১৯ জন মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টা ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরটিএর পরিচালক জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মো. মাসুদ আলম।

বক্তারা বলেন, পেশাদার প্রশিক্ষণ চালকদের দক্ষতা বাড়ায়। নতুন লাইসেন্স আবেদনকারীরা সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ নিলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে। আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এই সার্টিফিকেশন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা/রেজাউল/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ