বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারপ্রক্রিয়া চালাচ্ছে, তা সম্পূর্ণভাবে সংবিধানের বাইরে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, খুব সীমিতসংখ্যক মানুষ এর সঙ্গে আছেন এবং এর কোনো আইনগত বৈধতা নেই।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, এই সংস্কার বর্তমান সংবিধানপরিপন্থী। যেহেতু বেশির ভাগ মানুষের এতে সমর্থন নেই, সেখানে এই সংস্কার কার্যকর হবে না।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জি এম কাদের এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জি এম কাদের কাকরাইলের কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, দলীয় কর্মসূচিতে ধারাবাহিকভাবে বাধা দেওয়া, দল ও লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ষড়যন্ত্র করা, সরকারের নানা ব্যর্থতা, আগামী নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ হত্যা, এ আন্দোলনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটি ‘মাদার অর্গানাইজেশন’ হিসেবে ভূমিকা পালন করা, সমন্বয়কদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাস এবং সরকার পতনে সশস্ত্র আন্দোলনের প্রস্তুতির কথাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ আজ এক বিশাল সমস্যাসংকুল পথ অতিক্রম করছে, যেখানে অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা, উদ্বেগ ও অশান্তি বিরাজমান।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে জি এম কাদের বলেন, সরকার এমন একটি নির্বাচন চাইছে, যেখানে তাদের মতবাদের লোকই শুধু নির্বাচন করবে—সরকারি দল এবং আধা সরকারি দল বা এ ধরনের কিছু। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাবে। কারণ, আওয়ামী লীগ বা অন্যান্য দল যারা নির্বাচনের বাইরে থাকবে, তারা নিশ্চয়ই এর প্রতিবাদ করবে।

জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, এখন সময় এসেছে; এই সরকারের নিজে থেকে চলে যাওয়া ভালো। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক ধরনের সরকার গঠন করা উচিত, যারা নিরপেক্ষভাবে সামনের নির্বাচনটি পরিচালিত করবে।

জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার জন্য সরকার বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেন জি এম কাদের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের ৭ অক্টোবর দুজন সমন্বয়ক জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যায়িত করে তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে ঘোষণা দিয়ে দেন। এর পরপরই মন্ত্রী মর্যাদার উপদেষ্টা (তথ্য উপদেষ্টা) মাহফুজ আলমও বলেন, রাজনীতি করতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত সরকারেরই।

জি এম কাদের বলেন, সরকারি প্ররোচনায় দলের (জাপার) কিছু নেতা, যাঁদের সত্যিকার অর্থে দোসর বলা যায়, তাঁরা লাঙ্গল প্রতীকের জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টির কোনো নিষ্পত্তি করছেন না।

প্রসঙ্গ সশস্ত্র সংগ্রাম

জি এম কাদের বলেন, ছাত্র সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্দোলনটি নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ ছিল না; এখানে অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, মানুষ হত্যা করা হয়েছে এবং নাশকতা করা হয়েছে। হাসিবুল ইসলাম নামের একজন সমন্বয়ক বলেছেন টেলিভিশন টক শোতে। পরবর্তী সময়ে এটাও বলেছেন, আমরা প্রস্তুত ছিলাম, যদি এইভাবে সরকার পতন না হতো, তাহলে আমরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করতাম। তার মানে তাঁদের সশস্ত্র সংগ্রামের প্রস্তুতিও ছিল।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, একটি সশস্ত্র সংগ্রাম করে সরকারকে পতন ঘটাতে বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত মানুষ, অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বড় অঙ্কের অর্থের জোগান দরকার হয়। এই বিষয়টি প্রশ্ন উত্থাপন করে যে এটি কি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে গোপনভাবে করা সম্ভব? নাকি বাইরে থেকে কেউ এতে জড়িত ছিল? তিনি বলেন, যদি বাইরে থেকে কেউ জড়িত থাকে, তবে তাদের স্বার্থ শুধু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা নাকি বাংলাদেশের কাঠামোতে তাদের নিজস্ব কাঠামো করে কোনো দেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে?

শিবির ‘মাদার অর্গানাইজেশন’

জি এম কাদের অভিযোগ করেন, জামায়াত ও ছাত্রশিবির এই আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। শিবিরের কর্মীরা ‘হেলমেট বাহিনী’ হিসেবে ছাত্রলীগের মধ্যে ছিল বলেও প্রকাশ পেয়েছে। তিনি মনে করেন, এই আন্দোলনের পেছনে যদি কোনো সুপরিকল্পিত নকশা (মেটিকিউলাসলি ডিজাইনড) থাকে, তবে শিবির একটি মাদার অর্গানাইজেশন বা সর্বোচ্চভাবে একটি মুরব্বি সংগঠন হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, সমন্বয়কদের ইতিহাস পর্যালোচনা করে তিনি দেখেছেন যে তাঁদের বেশির ভাগই মাদ্রাসার ছাত্র বা ইসলামি ঘরানার। তাঁরা অনেকেই সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং তাঁদের চালচলনে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

জি এম কাদের আরও বলেন, সমন্বয়কেরা যে রাষ্ট্রকাঠামোর প্রস্তাব দিচ্ছেন, তাতে তাঁরা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে মনে করেন। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নেতাদের বিশ্বাসঘাতক এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মকে ভুল ছিল বলেও বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে পাকিস্তানের টাইপের একটি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি আমাদের দেশে পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

কত পুলিশ হত্যা, জানতে চাই

আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাপকভাবে পুলিশ হত্যার অভিযোগ করেন জাপা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের সময় এবং আন্দোলন–পরবর্তী সময়ে ব্যাপকভাবে পুলিশ হত্যা হয়েছে।

জি এম কাদের বলেন, ৪ ও ৫ আগস্ট ৩৯ জন নিহত হয়েছেন বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে। কীভাবে হয়েছে, কেমন করে হয়েছে, এগুলোর ডিটেইল (বিস্তারিত) কোনো কিছু নেই। তবে অনেক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে শোনা যায়, তিন-চার হাজারের বেশি লোক হত্যা করা হয়েছে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা জানতে চাই, কতগুলো পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে বা হত্যা হয়েছে। কতগুলো এখন পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন। এইটা আমরা জানতে চাই, দেশবাসী জানতে চায়।’

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পাটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইফুদ্দিন আহমেদ, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার, এমরান হোসেন মিয়া, মাইনুল রাব্বি চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: সশস ত র স গ র ম প ল শ হত য ক র জন ত সরক র র প রস ত ইসল ম

এছাড়াও পড়ুন:

বিপিএল নিলাম আজ, যা যা জানা প্রয়োজন

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম আসরের খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া ‘প্লেয়ার্স অকশন’ বা খেলোয়াড় নিলাম আজ বিকেল ৪টায় রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। ছয় ফ্রাঞ্চাইজিদের নিয়ে হবে বিপিএলের পরবর্তী আসরের খেলোয়াড় নিলাম।

এই প্রক্রিয়া আগে ছিল, প্লেয়ার্স ড্রাফট। প্লেয়ার্স ড্রাফট ছিল অনেকটাই ভাগ‌্যের পরীক্ষা। সফলতা-ব‌্যর্থতা নির্ভর করতো ভাগ‌্যের ওপর। নতুন করে বিপিএল শুরুর অপেক্ষায় থাকা বিপিএলে তাই পুরোনো দল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বাদ। ড্রাফট বাদ দিয়ে নিলামের মাধ‌্যমে দল গোছানোর সুযোগ পাচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজিরা। সেখানে অবশ‌্য নির্দিষ্ট সীমানা ঠিক করে দিয়েছে বিসিবি।

নিলামের আগে যা যা জানা প্রয়োজন এক নজরে তা দেখে নেওয়া যাক,

নিলাম কবে, কখন, কোথায়:

৩০ নভেম্বর, বিকেল ৪টা, হোটেল র‌্যাডিসন
নিলামে অংশগ্রহণ করবে কারা:
ঢাকা ক‌্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, রংপুর রাইডার্স, নোয়াখালী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম রয়‌্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

নিলামে কত ক্রিকেটার

বিসিবির পাঠানো চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকা থেকে জানা গেছে, নিলামে উঠবেন ১৪৭ স্থানীয় ক্রিকেটার। বিদেশি ক্রিকেটার আছেন ২৬০ জন।

ক্রিকেটারদের ভিত্তিমূল্য

স্থানীয় ১৪৭ ও বিদেশি ২৬০ ক্রিকেটারের জন‌্য আলাদা আলাদা ক‌্যাটাগরি এবং আলাদা আলাদা পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে দিয়েছে বিসিবি। স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন‌্য পারিশ্রমিকের ছয়টি ক‌্যাটাগরি করেছে বোর্ড। এ ক‌্যাটাগরির পারিশ্রমিক ৫০ লাখ। এরপর যথাক্রমে ৩৫, ২২, ১৮, ১৪ ও ১১ লাখ। বিদেশি খেলোয়াড়দের জন‌্য পাঁচটি ক‌্যাটাগরি করা হয়েছে। এ ক‌্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৩৫ হাজার ডলার। এরপর রয়েছে বি, সি, ডি এবং ই। পারিশ্রমিক যথাক্রমে ২৫, ২০, ১৫ ও ১০ হাজার ডলার।

কীভাবে হবে নিলাম

স্থানীয় ক্রিকেটারদের এ ক‌্যাটাগরিতে প্রতিটি ডাকে মূল‌্য বাড়ানো যাবে ৫ লাখ টাকা। বি ক‌্যাটাগরির প্রতিটি ডাক মূল‌্য ৩ লাখ টাকা। এরপর সি ক‌্যাটাগরিতে ১ লাখ, ডি-ই-এফ ক‌্যাটাগরিতে প্রতিটি ডাকের মূল‌্যা ৫০ হাজার টাকা।  বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার।

সরাসরি চুক্তিতে স্থানীয় ক্রিকেটার

মেহেদী হাসান মিরাজ (সিলেট টাইটান্স), নাসুম আহমেদ (সিলেট টাইটান্স), মোস্তাফিজুর রহমান (রংপুর রাইডার্স), নুরুল হাসান সোহান (রংপুর রাইডার্স), তাসকিন আহমেদ (ঢাকা ক‌্যাপিটালস), সাইফ হাসান (ঢাকা ক‌্যাপিটালস), হাসান মাহমুদ (নোয়াখালী এক্সপ্রেস), সৌম‌্য সরকার (নোয়াখালী এক্সপ্রেস), শেখ মেহেদী হাসান (চট্টগ্রাম রয়‌্যালস), তানভীর ইসলাম (চট্টগ্রাম রয়‌্যালস), নাজমুল হোসেন শান্ত (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) ও তানজিদ হাসান তামিম (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স)।
 

সরাসরি চুক্তিতে বিদেশি ক্রিকেটার

অ‌্যালেক্স হেলস (ঢাকা ক‌্যাপিটালস), উসমান খান (ঢাকা ক‌্যাপিটালস), আহমেদ আবরার (চিটাগং রয়‌্যালস), মোহাম্মদ নওয়াজ (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), শাহিবজাদা ফারহান (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), খাজা নাফি (রংপুর রাইডার্স), শাফিয়ান মুকিম (রংপুর রাইডার্স),  সাইম আইয়ুব (সিলেট টাইটান্স), মোহাম্মদ আমির (সিলেট টাইটান্স), কুশল মেন্ডিস (নোয়াখালী এক্সপ্রেস) ও জনসন চার্লস (নোয়াখালী এক্সপ্রেস)।

স্থানীয় ক্রিকেটারদের ক্রয়সীমা

সর্বনিম্ন ১৪ জন স্থানীয় ক্রিকেটার ফ্রাঞ্চাইজিতে থাকতেই হবে। সর্বোচ্চ ১৬ জন স্থানীয় ক্রিকেটার রাখা হবে। সরাসরি সাইন করা বাদে দলগুলো স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন‌্য খরচ করতে পারবে সাড়ে চার কোটি টাকা। নিলাম থেকে অন্তত ১২ জন খেলোয়াড়কে কিনতেই হবে।

ক‌্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা নিয়মও আছে। এ এবং বি ক‌্যাটাগরি থেকে ২ জন স্থানীয় ক্রিকেটার থাকতেই হবে। সি এবং ডি ক‌্যাটাগরির খেলোয়াড় থাকতে হবে ৬ জন। ই এবং এফ ক‌্যাটাগরি থেকে খেলোয়াড় থাকতে হবে ৪ জন।

বিদেশি ক্রিকেটারদের জন‌্য পৃথক নিময়

যেকোনো সময়, যেকোনো পরিস্থিতিতে যেকোনো বিদেশি ক্রিকেটার রেজিস্ট্রি করে বিপিএলে অংশ নিতে পারবে। নিলাম থেকে দলগুলোকে অন্তত ২ জন বিদেশি ক্রিকেটার কিনতে হবে। সরাসরি সাইন করা খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক মিলিয়ে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো বিদেশি ক্রিকেটারদের জন‌্য ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ব‌্যয় করতে পারবে।

পারিশ্রমিক পরিশোধের নির্দেশনা

খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা দিয়েছে বিসিবি। মাঠে নামার আগেই ২৫ শতাংশ টাকা পাবেন ক্রিকেটাররা। আরো ৫০ শতাংশ টাকা পেয়ে যাবেন ফাইনাল লিগ খেলার আগে এবং বাকি ২৫ শতাংশ টাকা পাবেন টুর্নামেন্ট শেষ হবার ৩০ দিনের মধ‌্যে।

পরবর্তী আসরের জন‌্য..

বিপিএলের পরের আসরে যারা অংশগ্রহণ করবে তারা স্কোয়াড থেকে দুজন খেলোয়াড়কে রিটেইন করতে পারবে। বিদেশিদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। নতুন করে যদি কোনো দল আসে তারা আগেভাগেই সরাসরি সাইনে দল বাছাই করতে পারবে।

নিলাম পরিচালনা করবেন

বিপিএলে নিলাম পরিচালনা করবেন রাফে নিজাম। এর আগেও তিনি বিপিএলে কাজ করেছেন। 

 

ঢাকা/ইয়াসিন

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • বিপিএল নিলাম আজ, যা যা জানা প্রয়োজন
  • সবাই নির্বাচন চায়, তবে কমিশন দৃশ্যমান পদক্ষেপে ঢুকতে পারেনি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  • ঢাবিতে রবিবার থেকে অনলাইনে চলবে ক্লাস কার্যক্রম
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস চলবে অনলাইনে, বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা