হল খুলে দেওয়ার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে তিতুমীর কলেজের ১০–১৫ শিক্ষার্থী
Published: 19th, May 2025 GMT
নতুন ও পুরোনো দুটি ছাত্র হল খুলে দেওয়ার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের ১০ থেকে ১৫ শিক্ষার্থী। পাশাপাশি হল চালু না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা দেওয়ার দাবি তাঁদের।
আজ সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ছয় শিক্ষার্থী কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনের সিঁড়িতে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। পরে তাঁদের সঙ্গে অন্য শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।
এই শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, হলে তোলার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের একটি মৌখিক সাক্ষাৎকার নিয়েছিল। সেই সাক্ষাৎকার অনুযায়ী হলে সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ওই তালিকাও প্রকাশ করছে না।
পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী অবস্থান কর্মসূচি বেলা দুইটায় শুরুর কথা ছিল। তবে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা প্রথম আলোকে জানান, কর্মসূচি শুরুর আগে হল খুলে দেওয়ার বিষয়ে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু অধ্যক্ষের কাছ থেকে তাঁরা কোনো ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি পাননি।
শুরুতে আলী আহমেদ, বেলাল হোসেন, আল আমিন, মনসুর আহমেদ, নায়েক নূর মোহাম্মদ ও ফাহিম—এই ছয় শিক্ষার্থী প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। তাঁদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নায়েক নূর মোহাম্মদ প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন, তিতুমীর কলেজের দুটি ছাত্র হল রয়েছে। এর একটি নতুন শহীদ মামুন হল। আরেকটি আক্কাসুর রহমান আঁখি হল। এই হল জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় থেকে বন্ধ রয়েছে। ওই সময় হলটি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের দখলে ছিল।
নায়েক নূর আরও বলেন, নতুন হলের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। শুধু বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলেই হলটি শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়া পুরোনো হলটিও বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ হল দুটি দ্রুত চালু করে দিতে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীদের বাইরে বাসা–মেস ভাড়া দিয়ে থাকতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে হল দুটি দ্রুত খুলে দেওয়ার দাবিতেই তাঁরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। আর যত দিন হল চালু না হবে, তত দিন পর্যন্ত কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা দেবে, এটা তাঁদের আরেকটি দাবি।
জানা যায়, কলেজটিতে ২৫ হাজারের মতো শিক্ষার্থী রয়েছেন। এখানে ছাত্রীদের জন্য তিনটি হল রয়েছে। ছেলেদের জন্য নতুন হলটি ১০ তলাবিশিষ্ট ও পুরোনো হলটি চারতলাবিশিষ্ট।
কলেজের অধ্যক্ষ ছদরুদ্দীন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, নতুন হলটিতে কিছু আসবাব দেওয়া হয়েছে মাত্র। এখনো বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ দেওয়া হয়নি। এই হলে প্রতিটি কক্ষে চারজন করে থাকলে ৪১০ জনের মতো ছাত্র থাকতে পারবে। আর পুরোনো হলটি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। দরজা, জানালা ও আসবাব বলতে গেলে কিছুই নেই। তবে এরই মধ্যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা জানিয়েছে, চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই জুনের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে। এসব বিষয় শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে।
বিকেল পাঁচটার পরে আরও কিছু শিক্ষার্থী ওই অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেন।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: কল জ র
এছাড়াও পড়ুন:
লোকজন বিয়ে করছে, আমি একটা প্রেমও করতে পারছি না: শ্রীলেখা
কথা ও কাজে কোনো রাখঢাক করেন না ভারতীয় বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। স্পষ্টভাষী হিসেবে তার ‘সুখ্যাতি’ রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে বহু বছর ধরে সিঙ্গেল জীবনযাপন করছেন এই অভিনেত্রী। এবার মজার ছলে প্রেম-বিয়ে নিয়ে আফসোসের কথা জানালেন শ্রীলেখা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) শ্রীলেখা তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে এ অভিনেত্রী লেখেন, “লোকজন কি সুন্দর বিয়ে করছে, আমি একটা প্রেম পর্যন্ত করে উঠতে পারছি না। সত্যি বুড়ো হয়ে গেলাম।” হ্যাশ ট্যাগে লিখেন, “আমার ভালোবাসার ধর্ম।”
আরো পড়ুন:
আমার যদি কিছু হয়, তার দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ সরকার নেবে, প্রশ্ন শ্রীলেখার
আমি অর্ধেক মরে বেঁচে আছি: শ্রীলেখা
শ্রীলেখার এ পোস্টে অনেকে মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ রসিকতায় মজেছেন। নীল নাওয়াজ লেখেন, “বয়স! এবার প্রস্তাবের বন্যা বইবে। তুমি শুধু ইনবক্স চেক করতে থাকো। আর আজ সন্ধ্যার মধ্যে কোনো এক নিউজ পোর্টাল খবর করবে—‘প্রেমিক খুঁজছেন শ্রীলেখা মিত্র।” পরামর্শ দিয়ে কৌশিক লেখেন, “প্রেম করতে চাওয়ার কন্ডিশন গুলো একবার বলো, তাহলে দেখবে সেখানেও খরা লেগে যাবে।” সংগীত লেখেন, “বাড়ির সামনে লাইন লেগে যাবে কিন্তু।”
শ্রীলেখার সংসার ভাঙার পর অনেকের সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে শ্রীলেখার। এর আগে জানিয়েছিলেন, তার সঙ্গে প্রেম করতে হলে শর্তপূরণ করতে হবে। এ তথ্য জানিয়ে শ্রীলেখা মিত্র বলেছিলেন, “যদি কারো সঙ্গে প্রেম হয়, তাহলে প্রথম শর্ত—কুকুর ভালোবাসতে হবে। আমি তো দেখি না কেউ প্রেমেটেমে পড়ছে। কোথায় তারা? আর কুকুর বলতেও আমার কেমন জানি লাগে। ওরা আমার বাচ্চা, নাম ধরে ডাকি।”
শিলাদিত্য স্যান্যলের সঙ্গে সংসার ভাঙার পর আর বিয়ে করেননি শ্রীলেখা। প্রেম করলেও বিয়ে করতে চান না এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, “প্রেমে পড়তে চাই, প্রেমে পড়ে উঠতে চাই। আমি বিয়ে করতে চাই না। আমার প্রাক্তন, আমি ও আমার মেয়েকে এখনো একটা ইউনিট মনে হয়। এই ইউনিটটা ভাঙতে চাই না।”
ঢাকা/শান্ত