পটুয়াখালীতে বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথি তারেক রহমান
Published: 2nd, July 2025 GMT
পটুয়াখালীতে শুরু হয়েছে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (২ জুলাই) বেলা সোয়া ১১টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা উড়িয়ে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু।
এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহীর কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ কেন্দ্রীয়, জেলা এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে দ্বিতীয় অধিবেশনে এ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন তারেক রহমান। বিকেলে ১ হাজার ৫০০ কাউন্সিলর ডেলিগেট গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে উৎসবের আমেজ। পুরো শহর সাজানো হয়েছে নতুন সাজে। ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা।
পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মীরা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। সম্মেলন পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া। সঞ্চালনা করছেন সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি।
২০০২ সালে জেলা বিএনপির সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী সভাপতি ও স্নেহাংশু সরকার কুট্টি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়াকে আহ্বায়ক এবং স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
ঢাকা/ইমরান/রফিক
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব এনপ র রহম ন সদস য
এছাড়াও পড়ুন:
স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের আয়কর নথি জব্দের আদেশ
দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান থাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তাঁর স্ত্রী আফরিন তাপসের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুদকের পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তাঁর স্ত্রী আফরিন তাপসের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত আবেদনগুলো মঞ্জুর করেন।
মেয়র তাপসের আবেদনে বলা হয়, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাপস দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর নামে ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
দুদক বলছে, অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাপসের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামি শেখ ফজলে নূর তাপসের নামে এ পর্যন্ত সব আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।
আফরিন তাপসের নথি চেয়ে করা আবেদনে বলা হয়, পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে তিনি অসংগতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৯ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
দুদক বলছে, অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় আফরিন তাপসের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আফরিন তাপসের নামে সব আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।