চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মেলখুম ট্রেইলে ঘুরতে এসে দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার সোনাপাহাড় এলাকার মেলখুম ট্রেইল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন তিনজন।

এর আগে, মঙ্গলবার সকালে মেলখুম ট্রেইলে এসে তারা নিখোঁজ হন।

নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ডেমশা ইউনিয়নের নাপিতের চর গ্রামের আমিনুল ইসলাম ও ঢাকার যাত্রবাড়ীর ধুনিয়ালাপাড়া এলাকার হৃদয়। তারা ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। 

আহতরা হলেন- মো.

মিরাজ, রায়হান ও সায়েম। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ফেনী থেকে ৩ বন্ধু মেলখুম ট্রেইলে ঘুরতে আসেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় আরও দু’জন। মঙ্গলবার রাতে তারা না ফেরায় আজ বুধবার সকালে স্বজনরা তাদের খুঁজতে মেলখুম ট্রেইলে যান। দুপুর আড়াইটা দিকে আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন তারা। অন্য দু’জনের লাশ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেন।

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. রাজু সিংহ বলেন, ‘আহত অবস্থায় মিরাজ, রায়হান, সায়েম নামে তিনজনকে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’

বারইয়ারহাট ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন তিতাস বলেন, সোনাপাহাড় মেলখুম ট্রেইলে ৫ পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযানে যায় ফায়ার সার্ভিস। দুপুর আড়াইটার দিকে আমিনুল ও হৃদয় নামে দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ন হত দ ই উপজ ল

এছাড়াও পড়ুন:

তিন নারী শুটারকে হয়রানির অভিযোগে শুটিং ফেডারেশনের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জিডি

জাতীয় তিন নারী শুটারকে হুমকি ও যৌন হয়রানির অভিযোগে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। বুধবার রাজধানীর গুলশান থানায় জিডিটি করা হয়।

জিডিতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় শুটিং দলের কোচ শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ করা হয়েছে। জিডিটি করেছেন হয়রানির অভিযোগ তোলা তিন নারী শুটারের একজন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান জিডি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে জিডিতে উল্লেখ করা অভিযোগ তদন্ত করে দেখবে পুলিশ।

নারী শুটার জিডিতে বলেন, তাঁরা তিনজনই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক পাওয়া শুটার। জি এম হায়দার সাজ্জাদ তাঁদের ওপর মানসিক নির্যাতন করেছেন। গত ২৫ অক্টোবর বিকেলে সাজ্জাদ তাঁকে অফিসে ডেকে চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে মানসিক নিপীড়ন করেন এবং অপমানজনক কথা বলেন। একজন নারী ক্রীড়াবিদ হিসেবে এটি তাঁর মানসিক কষ্টের কারণ হয়েছে। এতে তাঁর প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

জিডিতে ওই নারী শুটার আরও অভিযোগ করেন, দলের বর্তমান কোচ শারমিন আক্তার তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন এবং অপমানজনক মন্তব্য করেছেন। দুই কর্মকর্তার আচরণে তিনি আতঙ্কিত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি ও আরেক নারী শুটারকে শুটিং ফেডারেশনের ভেতরেই ধর্ষণের হুমকি দেন সাজ্জাদ। ৯ নভেম্বর তাঁরা এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দেন। এরপর সাজ্জাদ হুমকি দিয়ে তাঁকে সমঝোতা করতে বলছেন। সমঝোতা না করলে তাঁদের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি ও তাঁর দুই সহকর্মী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার রাতে জি এম হায়দার সাজ্জাদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। আর তিন নারী শুটারের মধ্যে একজন শুটিং ফেডারেশনের সদস্য নন। তিনি চেয়েছিলেন, ঘটনার তদন্ত হোক। সে কারণে শুটিং ফেডারেশন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

অন্যদিকে কোচ শারমিন আক্তারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাঁকে খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • জমি নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড: পুলিশ
  • চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র ও হরিণের চামড়াসহ আটক ৩
  • তিন নারী শুটারকে হয়রানির অভিযোগে শুটিং ফেডারেশনের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জিডি