রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পূর্বপাড়া থেকে তানিয়া আক্তার বুলু (২৬) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে নিজ ঘরের ওয়ার্ডরোব থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তানিয়া বরিশাল বন্দর থানার রায়পুর গ্রামের দুলাল সরদারের মেয়ে। তিনি দৌলতদিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের সরোয়ার মন্ডলের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। পেশায় তিনি যৌনকর্মী ছিলেন।
ওই বাড়ির ভাড়াটিয়াদের ভাষ্য, মঙ্গলবার সকালে তানিয়ার সঙ্গে তাদের সর্বশেষ কথা হয়েছে। এরপর তাকে নিজ কক্ষ বের হতে দেখেননি তারা। তানিয়ার কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা সন্ধ্যার দিকে তাদের এ সন্দেহ হয়। এরপর তারা বাড়ির মালিক সরোয়ার মন্ডলকে খবর দেন। তিনি তানিয়ার কক্ষের ওয়ার্ডরোবের তালা ভেঙে ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, ওই তরুণীকে মোবাইলের চার্জারের তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
বিয়ে করে সংসারী পপি, ইরিন নিউজার্সিতে, সিমলা ও জেবা কোথায়
অভিনয়ে কেউ ৩৫ বছর, আবার কেউ–বা পার করেছেন ২৫ বছর। নব্বই দশকে ঢালিউডে আলো ছড়ানো এমন নায়িকা প্রায় ডজনখানেক। তাঁদের কাউকে এখন আর সেই অর্থে অভিনয়ে দেখা যায় না। দু-একজন আবার বিনোদন অঙ্গনে কাজের ধরন বদলে ফেলেছেন। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় না করলেও উপস্থাপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিচারকাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক নব্বই দশকে আলো ছড়ানো নায়িকাদের এখন কে কী করছেন, কোথায় আছেন?
পপি : ছয় ভাইবোনের মধ্যে পপি সবার বড়। তাঁর বাবা আমির হোসেন পেশায় একজন ঠিকাদার। মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। তাঁর জন্ম খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গায়। তিনি যখন খুলনার একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়তেন, তখন লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতা চলছিল। পত্রিকায় এই খবর দেখে তাঁর মা পপির ছবি পাঠান। এরপর মায়ের ইচ্ছায় পপি ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। কিশোরী পপি সবাইকে অবাক করে লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর তাঁকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এর মধ্যে শেষ হয় স্কুলজীবন। এরপর মাকে সঙ্গে করে পপি চলে আসেন ঢাকায়। ভর্তি হন লালমাটিয়া মহিলা কলেজে।
পপি