ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশের সকল মানুষের মতের প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই। এ পদ্ধতিতে  প্রত্যেক ভোটারের ভোট মূল্যায়িত হবে। কোনো ভোট নষ্ট হবে না। 

জনসমর্থন আছে এমন প্রতিটি দল সংসদে প্রতিনিধিত্ব পাবে। এতে করে ভোটাররা উৎসাহ নিয়ে ভোট দেবে, গণতন্ত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়বে। সংসদ ভারসাম্যপূর্ণ হবে, একচেটিয়া আধিপত্য আর থাকবে না।

রবিবার (৬ জুলাই) বাদ আসর সংগঠনের নগর কার্যালয়ে মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় মাসিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি হাসান ইমাম মুন্সী, জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা.

সাইফুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব হাসান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. শামসুল আলম, প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক বিলাল খান, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসমাইল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ যে ভাষায় পিআর দাবীকে সামনে নিয়ে আসা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছেন তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।

তিনি যে যুক্তিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমালোচনা করেছেন তা স্ববিরোধী। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিএনপিও ২০২১ এর আগের সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। 

২০১৩-১৪ সালে তারা গাজীপুর, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা ইত্যাদি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ীও হয়েছে। ২০১৯ সালেও তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

চট্রগ্রামে শাহাদাত হোসেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলের নির্বাচনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইশরাক আওয়ামী আমলের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং তারই ভিত্তিতে মেয়রের পদ দাবী করে আন্দোলন করেছেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো একজন সিনিয়র নেতা এমন স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অসভ্যতা করবেন বলে জাতী আশা করে না।

মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, সালাহউদ্দিন আরো বলেছেন, যারা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন চাইছে তারা একটি চরের দল। এ বক্তব্যেরও আমরা নিন্দা জানাই।  ”চর” ঢেউ ও জলোচ্ছ্বাস থেকে জনতাকে আশ্রয় দেয়। ”চোর” জনগণের সব ছিনিয়ে নেয়। সুতরাং আমরা চরের দলে আছি। চোরের দলে নয়।

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ ইসল ম

এছাড়াও পড়ুন:

আফ্রিদিকে পেছনে ফেলে ছক্কার বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রোহিত

ভারতের অভিজ্ঞ ওপেনার রোহিত শর্মা আবারও নিজের নাম লিখলেন ক্রিকেট ইতিহাসের সোনালি পাতায়। আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর, ২০২৫) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের তারকা অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে টপকে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক হয়ে গেলেন।

ম্যাচ শুরুর আগে রোহিতের ছক্কার সংখ্যা ছিল ৩৪৯। আফ্রিদির রেকর্ড ৩৫১ ছক্কার রেকর্ড থেকে মাত্র দুইটি কম। ব্যাট হাতে নেমে সময় নেননি তিনি। ইনিংসের ১৫তম ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার প্রেনালেন সুব্রায়েনকে টানা দু’টি ছক্কা মেরে প্রথমে ছুঁয়ে ফেলেন আফ্রিদিকে। এরপর মারকো জানসেনের বলে ডিপ স্কোয়ার লেগের উপর দিয়ে দুর্দান্ত টান দিয়ে আরেকটি বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে রেকর্ডটাকে নিজের করে নেন। গড়েন ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ছক্কার নতুন বিশ্বরেকর্ড ৩৫২!

আরো পড়ুন:

ভারতের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ৬ হার

৪০৮ রানে ভারতকে হারিয়ে ২৫ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁল দ. আফ্রিকা

৩৮ বছর বয়সেও রোহিত প্রমাণ করলেন, তার ব্যাট এখনো ততটাই স্বচ্ছন্দ। রেকর্ড গড়ার মুহূর্তটি আসে তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৬০তম অর্ধশতক পূর্ণ করার কিছুক্ষণ পরই। ইনিংস শেষে তিনি আউট হন ৫০ বল থেকে ৫৭ রান করে, ৫টি চার ও ৩টি ছক্কার সুবাদে।

২০০৭ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর থেকে রোহিত মোট ২৭৮টি ওয়ানডেতে এবং মাত্র ২৭০ ইনিংসে এসে এই অসাধ্য সাধন করলেন। যা আফ্রিদির ৩৯৮ ম্যাচে করা রেকর্ডকে আরও মূল্যবান করে তুললেও, রোহিতের অর্জনকে করে তুলেছে আরও অনন্য।

এ বছরই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতকে শিরোপা জেতানো এই সাবেক অধিনায়ক এখন পুরোপুরি মনোনিবেশ করেছেন ওয়ানডে ফরম্যাটে। আর সেখানেই ছক্কার রাজা হিসেবে তার রাজত্ব এখন আরও দৃঢ়, আরও উজ্জ্বল।

ঢাকা/আমিনুল

সম্পর্কিত নিবন্ধ