মোবাইল ইন্টারনেটের সেবার মান ও দাম কমানো নিয়ে অপারেটরগুলোর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেছেন, ‘আমি ফেসবুকে কোনো পোস্ট দিতে পারি না। সমানে অ্যাটাক আসে। প্রতি ১০টির মধ্যে ৯টি মন্তব্যই হচ্ছে ইন্টারনেটের দাম কেন কমাতে পারলাম না? কেন এত ইন্টারনেটের দাম বাড়ছে, কেন কভারেজ নেই ইত্যাদি ইত্যাদি।’

শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং লাইসেন্সিং নীতি সংস্কার’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ কথাগুলো বলেন। বৈঠকটির আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।

বৈঠকে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবির একজন কর্মকর্তা নতুন টেলিযোগাযোগ নীতির কয়েকটি সীমাবদ্ধতা তুলে ধরার চেষ্টা করলে তাঁকে থামিয়ে দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এ সময় মোবাইল অপারেটরগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার মোবাইল কোম্পানিগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্ক সংযোগের যে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে, সেগুলোর প্রশংসা করে না অপারেটররা। কোম্পানিগুলো বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করে যাচ্ছে।

বৈঠকে মোবাইল অপারেটরদের গ্রাহক হারানোর বিষয়টি তুলে ধরেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, গ্রাহক কমার কারণ হিসেবে অপারেটরগুলো সিমের কর বাড়ানোর কথা বলছে, যা সঠিক নয়। নিম্নমানের সেবার কারণে মানুষ মোবাইল ইন্টারনেট-বিমুখ হচ্ছে।

গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ পড়েন মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার। টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) জহিরুল ইসলাম, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.

) মো. এমদাদ উল বারী, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, বাংলালিংকের সিইও ইওহান বুসে, আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম, টেলিযোগাযোগ-বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির প্রমুখ। গোলটেবিল বৈঠকে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

ঢাবি আইবিএর বিবিএ প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) বিবিএ প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০টি আসনের বিপরীতে ৯ হাজার ৫২৬ জন ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। 

পরীক্ষা চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শাকিল হুদা উপস্থিত ছিলেন।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘‘সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কঠোর প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় ১টি আসনের বিপরীতে ৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ নিচ্ছে। ফলে ৭৯ জনই ভর্তির সুযোগ পাবে না। তাদের মনে রাখতে হবে, ভর্তির সুযোগ পাওয়া মানেই জীবনের শেষ কথা নয়।’’

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘চারুকলা ইউনিট’-এর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) আগামীকাল শনিবার (২৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ ডিসেম্বর, ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা ১৩ ডিসেম্বর ও ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০ ডিসেম্বর। সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা/সৌরভ/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, প্রতি আসনে ৫০ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেন
  • ঢাবি আইবিএর বিবিএ প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
  • টেকনাফে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১
  • আমরা একটা গোলকধাঁধায় পড়েছি
  • রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার সুযোগকে সম্মিলিতভাবে কাজে লাগাতে হবে: সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম