সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণ: ছেলে-শাশুড়ির পর না ফেরার দেশে হাসান
Published: 28th, August 2025 GMT
সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। টানা পাঁচদিন মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন হাসান গাজী। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো তিনজনে।
বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সার্জারি চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।
তিনি বলেন, হাসান গাজী মৃত্যুবরণ করেছেন। এর আগে তার শাশুড়ি এবং ছেলের মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার স্ত্রী সালমা ও শিশুকণ্যা জান্নাতসহ তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
২৩ আগস্ট ভোররাত সাড়ে ৩টায় বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে পাশাপাশি দুটি ঘরের দুই পরিবারের ৯ সদস্য দগ্ধ হন। পরবর্তীতে তাদের সবাইকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২৪ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ হওয়া ১ মাস বয়সী শিশু ইমাম উদ্দিন এবং ২৫ আগস্ট তার নানি তাহেরা আক্তার (৫০) মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: স দ ধ রগঞ জ ন র য়ণগঞ জ
এছাড়াও পড়ুন:
জেগে উঠেছে চর্যাপদের গান
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিশ শতকের শুরুতে নেপালের রাজদরবারে ‘চর্যাপদ’–এর সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাস নতুন করে লিখতে হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় এক নবযুগের সূচনা হয়। যেন হাজার বছর অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকা থাকা জাতির ‘আপন খবর’ হঠাৎ আলোয় ঝলমল করে ওঠে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সেই সন্ধানের পর বাঙালি বিদ্বৎসমাজে যে আত্ম-আবিষ্কারের জোয়ার উঠেছিল, তা আজও আমাদের সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের ভিত হয়ে আছে।
নেপালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে বহুমূল্য পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছিলেন, সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে তা ‘হাজার বছরের পুরাণ বঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। সে গ্রন্থের ভূমিকায় শাস্ত্রী এক বিস্ময়োক্তি লিপিবদ্ধ করেন, ‘১৯০৭ সালে নেপালে গিয়া আমি কয়েকখানি পুথি দেখিতে পাইলাম। একখানির নাম চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়, উহাতে কতকগুলি কীর্ত্তনের গান আছে ও তাহার সংস্কৃত টিকা আছে। গানগুলি বৈষ্ণবদের কীর্ত্তনের মত, গানের নাম চর্য্যাপদ।’ (শাস্ত্রী, ১৯১৬: ৪) অর্থাৎ প্রথম দর্শনেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো ছিল গীতপদ। এ ছিল সংগীত, ছিল পরিবেশনা, ছিল ছন্দ ও তাল। সাহিত্যবেত্তাগণ এখন সর্বসম্মত যে চর্যাপদ কেবল গীতই হতো না, তা পরিবেশিত হতো বিবিধ ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনে।
শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশের চর্যাগানের আসরে আমেরিকান গবেষক কিথ ই. কান্তুর পরিবেশনা