সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বাবাকে বাঁচাতে চান হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী মোছা. উম্মে সালমা রাফি মনি। তার বাড়ি রংপুর, তিনি হাবিপ্রবির বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের মার্কেটিং বিভাগের ২২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

তার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকার ইবন সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

আরো পড়ুন:

হাবিপ্রবির দ্বিতীয় সমাবর্তনের সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষা উপদেষ্টা

হাবিপ্রবিতে বকেয়া টাকা চাওয়ায় ক্যান্টিন পরিচালককে মারধর

সালমা জানান, তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার বাবা। তার বাবা গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) মিঠাপুকুরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনার শিকার হন। তার বাবার চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরো প্রায় ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন, যা পরিবারটির পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব না। ফলে তিনি সমাজের বিত্তবান এবং দানশীল ব্যাক্তিদের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: হাফিজুর রহমান পিয়াস (সালমার সহপাঠি), বিকাশ/নগদ- ০১৭৫০৪৮৮৩২৭

ব্যাংক হিসাবের নাম- মো.

আসাদুজ্জামান নূর (সালমার সহপাঠি), হিসাব নম্বর- ৭০১৭৩২৫৯৫১৯৪০, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লি.।

ঢাকা/সাকিব/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আহত হ ব প রব দ র ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

জেগে উঠেছে চর্যাপদের গান

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিশ শতকের শুরুতে নেপালের রাজদরবারে ‘চর্যাপদ’–এর সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাস নতুন করে লিখতে হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় এক নবযুগের সূচনা হয়। যেন হাজার বছর অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকা থাকা জাতির ‘আপন খবর’ হঠাৎ আলোয় ঝলমল করে ওঠে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সেই সন্ধানের পর বাঙালি বিদ্বৎসমাজে যে আত্ম-আবিষ্কারের জোয়ার উঠেছিল, তা আজও আমাদের সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের ভিত হয়ে আছে।

নেপালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে বহুমূল্য পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছিলেন, সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে তা ‘হাজার বছরের পুরাণ বঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। সে গ্রন্থের ভূমিকায় শাস্ত্রী এক বিস্ময়োক্তি লিপিবদ্ধ করেন, ‘১৯০৭ সালে নেপালে গিয়া আমি কয়েকখানি পুথি দেখিতে পাইলাম। একখানির নাম চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়, উহাতে কতকগুলি কীর্ত্তনের গান আছে ও তাহার সংস্কৃত টিকা আছে। গানগুলি বৈষ্ণবদের কীর্ত্তনের মত, গানের নাম চর্য্যাপদ।’ (শাস্ত্রী, ১৯১৬: ৪) অর্থাৎ প্রথম দর্শনেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো ছিল গীতপদ। এ ছিল সংগীত, ছিল পরিবেশনা, ছিল ছন্দ ও তাল। সাহিত্যবেত্তাগণ এখন সর্বসম্মত যে চর্যাপদ কেবল গীতই হতো না, তা পরিবেশিত হতো বিবিধ ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনে।

শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশের চর্যাগানের আসরে আমেরিকান গবেষক কিথ ই. কান্তুর পরিবেশনা

সম্পর্কিত নিবন্ধ