সোনারগাঁয়ে অলিপুরা-কেওডালা সড়ক সংস্কার করলেন শাহ জালাল
Published: 14th, October 2025 GMT
সোনারগাঁ উপজেলার অলিপুরা থেকে কেওডালা সড়কে কাজহরদী মাদ্রাসা থেকে বিষ্ণুপুরা ব্রিজ পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় থাকা সড়কটি অবশেষে সংস্কার করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ জালাল।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) নিজ উদ্যোগে ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় এই সড়কের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়।
দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি দিয়ে চলাচল ছিল অত্যন্ত দুরূহ। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই সড়কে পানি জমে চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তেন যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এ অবস্থায় স্থানীয় জনদুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেন শাহ জালাল।
মোহাম্মদ শাহ জালাল বলেন,“এই সড়কটি সোনারগাঁওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছিল।
তাই আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কারের কাজ হাতে নেই। স্থানীয় তরুণ ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কাজটি শেষ করতে পেরেছি।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনীতি মানে শুধু বক্তব্য দেওয়া বা পদে থাকা নয়, মানুষের পাশে থাকা এবং তাদের বাস্তব সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসা। আমি চাই রাজনীতি হোক সেবামূলক। মানুষ আমাকে ভালোবাসে—এই ভালোবাসার প্রতিদানই আমি কাজে দেখাতে চাই।”
এই সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা যৌথভাবে কাজের সার্বিক তদারকিতে অংশ নেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে একসঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেন।
রাস্তাটি সংস্কারের ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই রাস্তায় এখন সহজে চলাচল করা যাচ্ছে, যা আগে ছিল খুবই কষ্টকর। তারা এই উদ্যোগের জন্য শাহ জালালের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
উৎস: Narayanganj Times
কীওয়ার্ড: সড়ক স ন রগ ও ন র য়ণগঞ জ স ন রগ উদ য গ
এছাড়াও পড়ুন:
তিন ঘণ্টা অবরোধের পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল শুরু
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেন করার দাবিতে বিভিন্ন স্থানে করা অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনকারী ব্যক্তিরা। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলায় এবং বেলা পৌনে ১টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া এবং সকাল ১০টা থেকে চকরিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন আন্দোলন’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে মহাসড়কটির একাধিক স্থানে অবরোধ করা হয়। এতে দীর্ঘ যানজট দেখা দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন কক্সবাজারমুখী পর্যটক ও যাত্রীরা।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি দুই লেনের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পর্যটন নগর কক্সবাজারের কারণে এই সড়কে সব সময় যানবাহনের চাপ থাকে। ফলে প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজটে পড়তে হয় যাত্রীদের। এ ছাড়া সরু মহাসড়ক হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লোহাগাড়ার আমিরাবাদ স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে ছয় লেনের দাবিতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন অবরোধকারী ব্যক্তিরা। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা গেছে।
লোহাগাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রশাসনের আশ্বাসে দুপুর ১২টার দিকে লোহাগাড়া থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনকারী ব্যক্তিরা।
সাতকানিয়ার ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়কটি সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া চলমান। এটি দরপত্রের অপেক্ষায় রয়েছে। আন্দোলনকারীদের কাছে এই তথ্য ছিল না। এটা জানার পর তারা কেরানীহাট থেকে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরি সেতু এলাকায় সকাল ১০টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সেতু এলাকায় অবস্থান করছেন আন্দোলনকারী ব্যক্তিরা। পুলিশের একটি দল তাঁদের সরে যেতে অনুরোধ করলেও দাবি পূরণের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সরবেন না বলে জানান তাঁরা। পরে বেলা পৌনে একটার দিকে প্রশাসনের আশ্বাসে তাঁরা মহাসড়ক থেকে সরে যান।
চকরিয়ার ইউএনও মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হয়েছে। এখন ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রণয়নের কাজ চলছে। আন্দোলনকারীদের তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।