গাজীপুরের শ্রীপুরে শিশুসন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় কবির হোসেন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে তার ১২ বছর বয়সী ছেলে আবির হোসেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ধনুয়া গ্রামের চিল্লানিবাড়ি মোড়ে জৈনা বাজার-গাজীপুর আঞ্চলিক সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন:

সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় জাবিতে শোক

ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত, আহত অন্তত ২০

নিহত কবির হোসেন উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের বোরহান উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে তবলাবাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মেজবা উদ্দিন জানান, রাতে কবির হোসেন তার ওষুধের দোকান থেকে ছেলে আবিরকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। চিল্লানিবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে কবির হোসেন ট্রাকের নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার ছেলে আবির সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

শ্রীপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঢাকা/রফিক/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক দ র ঘটন ন হত ঘটন য় র ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

জেগে উঠেছে চর্যাপদের গান

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিশ শতকের শুরুতে নেপালের রাজদরবারে ‘চর্যাপদ’–এর সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাস নতুন করে লিখতে হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় এক নবযুগের সূচনা হয়। যেন হাজার বছর অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকা থাকা জাতির ‘আপন খবর’ হঠাৎ আলোয় ঝলমল করে ওঠে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সেই সন্ধানের পর বাঙালি বিদ্বৎসমাজে যে আত্ম-আবিষ্কারের জোয়ার উঠেছিল, তা আজও আমাদের সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের ভিত হয়ে আছে।

নেপালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে বহুমূল্য পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছিলেন, সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে তা ‘হাজার বছরের পুরাণ বঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। সে গ্রন্থের ভূমিকায় শাস্ত্রী এক বিস্ময়োক্তি লিপিবদ্ধ করেন, ‘১৯০৭ সালে নেপালে গিয়া আমি কয়েকখানি পুথি দেখিতে পাইলাম। একখানির নাম চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়, উহাতে কতকগুলি কীর্ত্তনের গান আছে ও তাহার সংস্কৃত টিকা আছে। গানগুলি বৈষ্ণবদের কীর্ত্তনের মত, গানের নাম চর্য্যাপদ।’ (শাস্ত্রী, ১৯১৬: ৪) অর্থাৎ প্রথম দর্শনেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো ছিল গীতপদ। এ ছিল সংগীত, ছিল পরিবেশনা, ছিল ছন্দ ও তাল। সাহিত্যবেত্তাগণ এখন সর্বসম্মত যে চর্যাপদ কেবল গীতই হতো না, তা পরিবেশিত হতো বিবিধ ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনে।

শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশের চর্যাগানের আসরে আমেরিকান গবেষক কিথ ই. কান্তুর পরিবেশনা

সম্পর্কিত নিবন্ধ