সোনা চোরাচালান: বিমানের কেবিন ক্রু রুদাবা সুলতানার পদাবনতি
Published: 16th, October 2025 GMT
বিভাগীয় মামলার তদন্তে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনা চোরাচালানে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু রুদাবা সুলতানাকে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক অফিস আদেশে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আরো পড়ুন:
বিমানের নিয়োগ পরীক্ষায় অসদাচরণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রয়োগ
বিমান বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারফোর্সের যৌথ অনুশীলন সমাপ্ত
এতে বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট সোনা চোরাচালানে জড়িত থাকায় কেবিন ক্রু রুদাবা সুলতানা বিরুদ্ধে বিমানের বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করেন। এ তদন্তে রুদাবা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন তিনি। ফলে বিমান করপোরেশন কর্মচারী (চাকরি) প্রবিধানমালা, ১৯৭৯ এর ৫৬(১) এর (ডি) এর ক্ষমতাবলে রুদাবা সুলতানাকে পদাবনতি দেওয়া হয়।
এর আগে গত ১২ আগস্ট ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রুদাবা সুলতানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
ঢাকা/নঈমুদ্দীন/ফিরোজ
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
জেগে উঠেছে চর্যাপদের গান
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিশ শতকের শুরুতে নেপালের রাজদরবারে ‘চর্যাপদ’–এর সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাস নতুন করে লিখতে হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় এক নবযুগের সূচনা হয়। যেন হাজার বছর অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকা থাকা জাতির ‘আপন খবর’ হঠাৎ আলোয় ঝলমল করে ওঠে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সেই সন্ধানের পর বাঙালি বিদ্বৎসমাজে যে আত্ম-আবিষ্কারের জোয়ার উঠেছিল, তা আজও আমাদের সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের ভিত হয়ে আছে।
নেপালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে বহুমূল্য পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছিলেন, সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে তা ‘হাজার বছরের পুরাণ বঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। সে গ্রন্থের ভূমিকায় শাস্ত্রী এক বিস্ময়োক্তি লিপিবদ্ধ করেন, ‘১৯০৭ সালে নেপালে গিয়া আমি কয়েকখানি পুথি দেখিতে পাইলাম। একখানির নাম চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়, উহাতে কতকগুলি কীর্ত্তনের গান আছে ও তাহার সংস্কৃত টিকা আছে। গানগুলি বৈষ্ণবদের কীর্ত্তনের মত, গানের নাম চর্য্যাপদ।’ (শাস্ত্রী, ১৯১৬: ৪) অর্থাৎ প্রথম দর্শনেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো ছিল গীতপদ। এ ছিল সংগীত, ছিল পরিবেশনা, ছিল ছন্দ ও তাল। সাহিত্যবেত্তাগণ এখন সর্বসম্মত যে চর্যাপদ কেবল গীতই হতো না, তা পরিবেশিত হতো বিবিধ ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনে।
শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশের চর্যাগানের আসরে আমেরিকান গবেষক কিথ ই. কান্তুর পরিবেশনা