Prothomalo:
2025-11-30@13:24:32 GMT

এ যুগেও কেন কে–পপ সিডির রমরমা

Published: 16th, October 2025 GMT

২২ আগস্ট কার্মা অ্যালবাম প্রকাশ করে রীতিমতো আলোড়ন তোলে স্ট্রে কিডস। প্রথম সপ্তাহেই দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩০ লাখ কপি বিক্রির রেকর্ড গড়ে জনপ্রিয় এই কে–পপ গ্রুপ। কোরিয়ার বাইরে যুক্তরাষ্ট্রেও অ্যালবামটি সাড়া ফেলেছে, এক মাসে ৪ লাখ কপি বিক্রি হয়েছে।

স্পটিফাই, ইউটিউব মিউজিকের রমরমা সময়ে বিশ্বজুড়েই সিডিতে অ্যালবাম বিক্রি তলানিতে নেমেছে। তবে কে–পপের চিত্রটা আলাদা, এখনো তাদের সিডি কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন শ্রোতা। সংগীত নিয়ে ডেটা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান লুমিনেট জানিয়েছে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া শীর্ষ ১০ অ্যালবামের ৭টিই ছিল কে–পপ অ্যালবাম। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন টেইলর সুইফট, তাঁর আলোচিত অ্যালবাম দ্য টর্চার্ড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট ১৫ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্ট্রে কিডসের অ্যালবাম এইট; যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালবামটির ৪ লাখ ৪২ হাজার কপি বিক্রি হয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে কে–পপ গ্রুপটির আরেক অ্যালবাম হোপ, এটি বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার কপি। তৃতীয় স্থানে থাকা কে–পপ গ্রুপ এনহাইপেনের স্টুডিও অ্যালবাম রোমান্স: আনটোল্ড ৩ লাখ ৬৩ হাজার কপি বিক্রি হয়েছে। তালিকায় থাকা বাকি কে–পপ গ্রুপগুলো হলো আটিজ, টুমরো অ্যান্ড টুগেদার ও টোয়াইস।

আরও পড়ুনকী আছে এই কোরীয় সিরিজে০৩ আগস্ট ২০২৫তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্ট্রে কিডসের অ্যালবাম ‘এইট’.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: পপ গ র প

এছাড়াও পড়ুন:

জেগে উঠেছে চর্যাপদের গান

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিশ শতকের শুরুতে নেপালের রাজদরবারে ‘চর্যাপদ’–এর সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাস নতুন করে লিখতে হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় এক নবযুগের সূচনা হয়। যেন হাজার বছর অন্ধকারে চাপা পড়ে থাকা থাকা জাতির ‘আপন খবর’ হঠাৎ আলোয় ঝলমল করে ওঠে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সেই সন্ধানের পর বাঙালি বিদ্বৎসমাজে যে আত্ম-আবিষ্কারের জোয়ার উঠেছিল, তা আজও আমাদের সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের ভিত হয়ে আছে।

নেপালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে বহুমূল্য পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছিলেন, সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে তা ‘হাজার বছরের পুরাণ বঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। সে গ্রন্থের ভূমিকায় শাস্ত্রী এক বিস্ময়োক্তি লিপিবদ্ধ করেন, ‘১৯০৭ সালে নেপালে গিয়া আমি কয়েকখানি পুথি দেখিতে পাইলাম। একখানির নাম চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়, উহাতে কতকগুলি কীর্ত্তনের গান আছে ও তাহার সংস্কৃত টিকা আছে। গানগুলি বৈষ্ণবদের কীর্ত্তনের মত, গানের নাম চর্য্যাপদ।’ (শাস্ত্রী, ১৯১৬: ৪) অর্থাৎ প্রথম দর্শনেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এগুলো ছিল গীতপদ। এ ছিল সংগীত, ছিল পরিবেশনা, ছিল ছন্দ ও তাল। সাহিত্যবেত্তাগণ এখন সর্বসম্মত যে চর্যাপদ কেবল গীতই হতো না, তা পরিবেশিত হতো বিবিধ ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনে।

শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশের চর্যাগানের আসরে আমেরিকান গবেষক কিথ ই. কান্তুর পরিবেশনা

সম্পর্কিত নিবন্ধ