জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাধারণ সভায় দলীয় গণতন্ত্র অনুমোদন করা হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর বাংলামটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে আগামী রোববার নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এনসিপির সূত্রে জানা যায়, পার্টির প্রেসিডেন্ট ও জিএস কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ হবে ৩ বছর। মেয়াদের সবশেষে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী কাউন্সিল আয়োজন করতে হবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুইবার প্রেসিডেন্ট ও দুইবার জিএস পদে থাকতে পারবে।

সূত্র আরও জানায়, ১১ জন নির্বাচিত পলিটিক্যাল কাউন্সিল মেম্বারসহ মোট ১৫ জন মেম্বার থাকবেন পলিটিক্যাল কাউন্সিলে। নির্বাচিত ১১ জনের মধ্যে অন্তুত ৩ জন নারী হতে হবে। প্রেসিডেন্ট, জিএস পদাধিকার বলে এবং তাদের মনোনয়নে আরও ২ জন থাকবেন।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: এনস প ক উন স ল

এছাড়াও পড়ুন:

সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম ও তাঁর স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মির্জা আজম ও তাঁর স্ত্রী দেওয়ান আলেয়ার আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ আজ রোববার এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। দুদকের পক্ষে পৃথক দুটি আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান।

মির্জা আজমের বিষয়ে করা আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। নিজ নামে ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার ২০০ টাকা এবং তাঁর মেয়ে আফিয়া আজমের নামে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের নামে ২০ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি দান করার মধ্য দিয়ে সম্পদসমূহ হস্তান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

মির্জা আজমের স্ত্রী দেওয়ান আলেয়ার আয়কর নথি চেয়ে করা আবেদনে বলা হয়, দেওয়ান আলেয়া তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৭২৫ কোটি ৭০ লাখ ৪২ লাখ ২৩২ টাকা জমা ও ৭২৪ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭১৫ টাকা উত্তোলন করে অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। এসব অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪–এর ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২–এর ৪(২), ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায়  তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মির্জা আজম ও তাঁর স্ত্রীর শুরু থেকে সর্বশেষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ