ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ২০২৫ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এইচএম মোশারফ হোসেন।

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান এ পদে অধ্যাপক মোশারফকে মনোনীত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন:

পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে ধরা ঢাবি হল সংসদ নেতাসহ ৬ শিক্ষার্থী

ঢাবি উপাচার্য-প্রক্টরসহ ৩ জনকে আইনি নোটিশ

নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, ডাকসু গঠনতন্ত্রের ৬(এ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাপক মোশারফকে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন উপাচার্য।

ডাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যনির্বাহী কমিটিতে পদের সংখ্যা ৩০টি। এর মধ্যে ২৮টি পদে নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের থেকে নেতৃত্ব বাছাই করা হয়। বাকি দুটি পদের মধ্যে পদাধিকারবলে উপাচার্য সভাপতি হন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপককে মনোনীত করেন উপাচার্য।

নির্বাচিত পদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয় ভিপি (সহ-সভাপতি), জিএস (সাধারণ সম্পাদক) ও এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদ। এরপর ১২টি সম্পাদকীয় পদ রয়েছে। বাকি ১৩টি কার্যনির্বাহী সদস্য পদ। 

এবারের নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত সাদিক কায়েম ভিপি, এস এম ফরহাদ জিএস ও মহিউদ্দীন খান এজিএস পদে জয়ী হন।

ঢাকা/সৌরভ/মেহেদী

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর উপ চ র য

এছাড়াও পড়ুন:

সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম ও তাঁর স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মির্জা আজম ও তাঁর স্ত্রী দেওয়ান আলেয়ার আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ আজ রোববার এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। দুদকের পক্ষে পৃথক দুটি আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান।

মির্জা আজমের বিষয়ে করা আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। নিজ নামে ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার ২০০ টাকা এবং তাঁর মেয়ে আফিয়া আজমের নামে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের নামে ২০ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি দান করার মধ্য দিয়ে সম্পদসমূহ হস্তান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

মির্জা আজমের স্ত্রী দেওয়ান আলেয়ার আয়কর নথি চেয়ে করা আবেদনে বলা হয়, দেওয়ান আলেয়া তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৭২৫ কোটি ৭০ লাখ ৪২ লাখ ২৩২ টাকা জমা ও ৭২৪ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭১৫ টাকা উত্তোলন করে অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। এসব অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪–এর ২৭(১) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২–এর ৪(২), ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায়  তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মির্জা আজম ও তাঁর স্ত্রীর শুরু থেকে সর্বশেষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ