বাংলা সিনেমায় বাঙালিয়ানা কোথায়, প্রশ্ন রঞ্জিত মল্লিকের
Published: 13th, October 2025 GMT
ভারতীয় বাংলা সিনেমার দাপুটে অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। ‘চাপকে পিঠের ছাল তুলে দেব’—এখন আর তার চিরচেনা এমন সংলাপ শোনা যায় না। টুকটাক রুপালি পর্দায় দেখা গেলেও আগের মতো আর ব্যস্ততা নেই। ‘স্বার্থপর’ নামে একটি নতুন সিনেমায় অভিনয় করছেন রঞ্জিত মল্লিক। মজার ব্যাপার হলো—১৬ বছর পর কন্যা কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে এক সিনেমায় অভিনয় করছেন এই বরেণ্য অভিনেতা।
এ সিনেমায় একজন আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করছেন রঞ্জিত মল্লিক। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আফসোসের স্বর শোনা যায় তার কণ্ঠে। রঞ্জিত মল্লিক বলেন, “এখন অনেক বাংলা সিনেমা তৈরি হচ্ছে। ভালো ব্যবসাও করছে। কিন্তু সেই সব সিনেমায় বাঙালিয়ানা কোথায়! ‘স্বার্থপর’ সিনেমা অনেক দিন পর সেই স্বাদ ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমার সময়ে যে ধরনের বাংলা সিনেমা হতো; সেখানে বাঙালির অন্দরমহলের নিটোল গল্প থাকত।”
আরো পড়ুন:
অসম বিয়ে: ভাঙা সংসার জোড়া লাগল সুদীপ-পৃথার
দিতিপ্রিয়ার অস্ত্রোপচার
ভাই-বোনের আইনি ঝঞ্ঝাট ‘স্বাথপর’ সিনেমার গল্পে তুলে ধরছেন পরিচালক অন্নপুর্ণা বসু। যৌথ পরিবারে আইনি জটিলতা লেগেই থাকে। রঞ্জিত মল্লিকও বনেদি পরিবারের সন্তান। এ বিষয়ে রঞ্জিত মল্লিক বলেন, “কলকাতার বিশাল বনেদি পরিবার বললে যা বোঝায় সেটাই ভবানীপুরের মল্লিকবাড়ি। আমার ছোটবেলায় ২০০ সদস্যের বাস ছিল সেখানে! অনেক বড় মহলবাড়ি। এক মহল দিয়ে আরেক মহলে চলে যাওয়া যেত। একসঙ্গে থাকার সুবাদে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ হতো। কিন্তু সেই বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াত না।”
পারস্পরিক বিশ্বাস, ভরসা, ধৈর্য, সহনশীলতা তাদের প্রত্যেকের মধ্যে ছিল। মানিয়ে নেওয়া বা মেনে নেওয়ার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান খোঁজার চেষ্টা করতেন মল্লিকবাড়ির সদস্যরা। এ তথ্য উল্লেখ করে রঞ্জিত মল্লিক বলেন, “সে জন্যই মল্লিকবাড়ি আমাদের কাছে আক্ষরিক অর্থেই ‘বাড়ি’। যেখানে নিরাপত্তা আছে, নিশ্চিন্ততা আছে, হৃদয়ের উষ্ণতাও আছে।”
‘স্বার্থপর’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে রঞ্জিত মল্লিক উপলদ্ধি করেছেন, ভাই-বোনের আইনি জটিলতা তৈরি হলে তা কতটা মর্মান্তিক! এই উপলব্ধি থেকে ঈশ্বরের কাছে তার প্রার্থনা—“পরস্পরের প্রতি আস্থা, ভরসা, বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে, বিশ্বের সমস্ত ভাই-বোন যেন ভালো থাকেন।”
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র
এছাড়াও পড়ুন:
বন্দরের তবলা বাদক তিলক চৌধুরীর পরলোকগমন
সবাইকে চোখের জলে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা বাদক ও বম্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য তিলক চৌধুরী (৫৫)।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বন্দর আমিন আবাসিক এলাকাস্থ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাকে শেষ বিদায় জানাতে ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়,বন্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু,কন্ঠশিল্পী নূরুল হক মান্নাহ,বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালকাভুক্ত শিল্পী আমজাদ হাসান,জি এম রহমান রনি,বাংলাদেশ টেলিভিশন ও শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পী গোলাম রসুল আজাদ,শিল্পী মেঃ শাহজামাল,মনসুর সাদেক আজাদ,মিনহাজ বাবু,সোহাগ রায়হান,চঞ্চল মাহমুদ,কণ্ঠশিল্পী সুরমি রায়,পুষ্পিতা সরকারসহ আরো অনেকে।
শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তারা গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, তিলক চৌধুরী ছিলেন একজন গুণী যন্ত্রশিল্পী। তার আকস্মিক বিদায় আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। তার এ বিয়োগ কখনে পূরণ হবার নয়।
আমরা গুণী এই শিল্পীর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি একই সাথে পরপারে তার সদগতি কামনা করছি।