ফেনীতে দলিল লেখকের প্রায় দুই কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদ’, দুদকের মামলা
Published: 14th, October 2025 GMT
ফেনীতে এক দলিল লেখকের প্রায় দুই কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদ’ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
অভিযোগ ওঠা দলিল লেখকের নাম মীর মোহাম্মদ। তিনি ফেনীর সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সাবেক দলিল লেখক। মীর মোহাম্মদ সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের জোয়ারকাছাড় মজলিশপুর গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দলিল লেখক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় মীর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, মীর মোহাম্মদ ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট দুদকের কাছে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে মোট ১ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৫৭৬ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য গোপন করেন। একই সময়ে তিনি জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন। যেটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ জন্য ১২ অক্টোবর দুদক বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, তদন্তকালে ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা বা নতুন কোনো তথ্য উদ্ঘাটিত হলে তাও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার এজাহার ফেনী জজ আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। ফেনী আদালতে দুদকের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল না থাকায় এটি জেলা জজ আমলে নিয়ে বিচারকাজের জন্য নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের দুদকের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করবেন। এরপর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মীর মোহাম্মদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: ম র ম হ ম মদ
এছাড়াও পড়ুন:
বন্দরের তবলা বাদক তিলক চৌধুরীর পরলোকগমন
সবাইকে চোখের জলে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা বাদক ও বম্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য তিলক চৌধুরী (৫৫)।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বন্দর আমিন আবাসিক এলাকাস্থ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাকে শেষ বিদায় জানাতে ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়,বন্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু,কন্ঠশিল্পী নূরুল হক মান্নাহ,বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালকাভুক্ত শিল্পী আমজাদ হাসান,জি এম রহমান রনি,বাংলাদেশ টেলিভিশন ও শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পী গোলাম রসুল আজাদ,শিল্পী মেঃ শাহজামাল,মনসুর সাদেক আজাদ,মিনহাজ বাবু,সোহাগ রায়হান,চঞ্চল মাহমুদ,কণ্ঠশিল্পী সুরমি রায়,পুষ্পিতা সরকারসহ আরো অনেকে।
শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তারা গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, তিলক চৌধুরী ছিলেন একজন গুণী যন্ত্রশিল্পী। তার আকস্মিক বিদায় আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। তার এ বিয়োগ কখনে পূরণ হবার নয়।
আমরা গুণী এই শিল্পীর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি একই সাথে পরপারে তার সদগতি কামনা করছি।