কুকসুর গঠনতন্ত্র প্রণয়নে সময়সীমা বেড়েছে
Published: 14th, October 2025 GMT
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (কুকসু) গঠনতন্ত্র প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরো ১০ কর্মদিবস বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরো পড়ুন:
কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে কুবিতে কুরআন বিতরণ
কুবি শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত করায় ৫ যুবক আটক
এর আগে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬তম সিন্ডিকেট সভায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.
ওই কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু সময় পার হয়ে গেলেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি কমিটির সদস্যরা।
প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার বিষয়ে কমিটির আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন বলেন, “ছাত্র সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করার জন্য সাত কর্মদিবস যথেষ্ট নয়। আমরা এরই মধ্যে চারদিন কর্মশালার মতো করে বৈঠকে বসেছি। আমরা যেহেতু এটা প্রথম করছি, অনেক বিষয় বিবেচনা করেই করতে হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসার পর বুঝতে পারছি, একজন আইনজ্ঞ দরকার। এজন্যই আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে আমরা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন স্যারকেও আমাদের এখানে নিয়ে আসব, যাতে আমাদের গঠনতন্ত্রটা অন্যদের জন্য অনুসরণীয় হয়। এজন্যই আমাদের আরও কিছুদিন সময় দরকার। আমরা উপাচার্য স্যারের কাছে ১০ কর্মদিবস সময় চেয়েছি এবং তিনি সম্মতি দিয়েছেন।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, “কমিটিতে আরো দুইজন সদস্য বাড়ানো হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের। তিনি এসে কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করার জন্য কমিটির পক্ষ থেকে আরো ১০ কর্মদিবস সময় চেয়েছেন। আমরা তাদের সময় দিয়েছি।”
ঢাকা/এমদাদুল/মেহেদী
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর গঠনতন ত র প রণয়ন র গঠনতন ত র কম ট র সদস য
এছাড়াও পড়ুন:
সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের শিক্ষা ছড়িয়ে পড়েছিল শুভচিন্তার মানুষের মনে
বাংলাদেশের শিক্ষা এবং সাহিত্য অঙ্গনে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তিনি নিঃসন্দেহে একজন ভালো মনের মানুষ ছিলেন। তাঁর উদারতা ও আন্তরিকতা ছিল অতুলনীয়। সংস্কৃতি অঙ্গনে যাঁরা কাজ করেছেন, সবাই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সহযোগিতা পেয়েছেন।
শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক, সংস্কৃতিচিন্তক ও পেন বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম স্মরণে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। লেখক ও সাহিত্যিক, ব্লগার ও সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন পেন ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে আজ শনিবার বিকেলে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আলোচকেরা বলেন, সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের শিক্ষা শুধু শ্রেণিকক্ষে আবদ্ধ ছিল না। ছড়িয়ে পড়েছিল শুভচিন্তার প্রত্যেক মানুষের মনে। শিক্ষার্থীদের কাছে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যু মানে এক প্রজ্ঞাদীপ্ত যুগের অবসান। জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও মননশীলতার জগতে গভীর এক শূন্যতা সৃষ্টি করেছে তাঁর চলে যাওয়া।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পেন বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল জাহানারা পারভীন। কবিতা পাঠ করেন জাহিদ হায়দার। এ সময় ভায়োলিন পরিবেশন করেন শিউলী ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে তবলায় ছিলেন সুকান্ত দাস। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জীবনী পাঠ করেন কথাসাহিত্যিক শাহনাজ নাসরীন।
স্মৃতিচারণা ও বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানে ‘প্রেম ও প্রার্থনায় সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ থেকে অংশ বিশেষ পাঠ করেন বাচিকশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় স্মারকগ্রন্থ ‘প্রেম ও প্রার্থনায় সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম’–এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
পেন বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট কবি শামীম রেজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, সাবেক সচিব আসাদ মান্নান, কবি জাহিদ হায়দার, পেন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা ও সহসভাপতি পারভেজ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সানজিদা হোসেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী শাহজাহান বিকাশ, কথাপ্রকাশের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, শিশুসাহিত্যিক মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, কথাসাহিত্যিক মশিউল আলম, কবি অনিকেত শামীম, কথাসাহিত্যিক নাসিমা আনিস, কথাসাহিত্যিক শাহনাজ নাসরিনসহ আরও অনেকে।