আইনপ্রণেতাদের অতিরিক্ত বেতনের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভের কয়েক সপ্তাহ পর নতুন করে তাদের ভাতা আবারো বাড়ানো হয়েছে। এ ঘটনা জনমনে নতুন ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিবিসি।

দেশটির ডেপুটি স্পিকার জানিয়েছেন, আইন প্রণেতারা এখন ৭০২ মিলিয়ন রুপিয়া (৪২ হাজার ৪০০ ডলার) অবকাশ ভাতা পাবেন - যা আগের ৪০০ মিলিয়ন রুপিয়ার ভাতার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি।

সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে পরিদর্শনকারী নির্বাচনী এলাকার আইনপ্রণেতাদের তাদের সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য অবকাশ ভাতা দেওয়া হয়েছে।

আগস্টের শুরুতে বিক্ষোভগুলো মূলত আইন প্রণেতাদের মাসিক তিন হাজার ডলার আবাসন ভাতা প্রদানের কারণে শুরু হয়েছিল - যা জাকার্তায় ন্যূনতম মজুরির প্রায় ১০ গুণ। পরে ক্ষোভ প্রশমনের জন্য এগুলো বাদ দেওয়া হয়েছিল।

এমপিদের জন্য আবাসন ভাতার বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভের পর আগস্টের শেষ দিকে তা দুর্নীতি এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদে পরিণত হয়। এবাার সর্বশেষ অবকাশ ভাতা বৃদ্ধির খবরকে  ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার আইনপ্রণেতারা বছরে প্রায় পাঁচবার ছুটি নেন, এই সময়কালে তারা তাদের নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বাসিন্দাদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করেন।

ডেপুটি স্পিকার সুফমি দাসকো আহমেদ শনিবার সাংবাদিকদের জানান, ছুটির সময় আইনপ্রণেতাদের বর্ধিত কার্যকলাপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ছুটির ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পূর্ববর্তী ভাতায় খাদ্য ও পরিবহনের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি।

অলাভজনক সংসদীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা ফর্মাপ্পির লুসিয়াস কারুস স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোকে বলেছে, “এটা যেন ইন্দোনেশিয়ানদের সাথে রসিকতা করা হয়েছে। আবাসন ভাতা বাতিলের ফলে আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম .

.. কিন্তু বাস্তবে, আরেকটি দুর্দান্ত ভাতা দেখা দিয়েছে।”

একজন এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন, “(সরকারের) আচরণ আশ্চর্যজনক নয়। আশ্চর্যের বিষয় হল কেন ইন্দোনেশিয়ার জনগণ এখনো তাদের বেছে নিতে চায়।”

ঢাকা/শাহেদ

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ইন দ ন শ য নত ন ক

এছাড়াও পড়ুন:

বন্দরের তবলা বাদক তিলক চৌধুরীর পরলোকগমণ

সবাইকে চোখের জলে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা বাদক ও বম্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য তিলক চৌধুরী (৫৫)।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বন্দর আমিন আবাসিক এলাকাস্থ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাকে শেষ বিদায় জানাতে ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়,বন্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু,কন্ঠশিল্পী নূরুল হক মান্নাহ,বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালকাভুক্ত শিল্পী আমজাদ হাসান,জি এম রহমান রনি,বাংলাদেশ টেলিভিশন ও শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পী গোলাম রসুল আজাদ,শিল্পী মেঃ শাহজামাল,মনসুর সাদেক আজাদ,মিনহাজ বাবু,সোহাগ রায়হান,চঞ্চল মাহমুদ,কণ্ঠশিল্পী সুরমি রায়,পুষ্পিতা সরকারসহ আরো অনেকে।

শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তারা গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, তিলক চৌধুরী ছিলেন একজন গুণী যন্ত্রশিল্পী। তার আকস্মিক বিদায় আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। তার এ বিয়োগ কখনে পূরণ হবার নয়।

 আমরা গুণী এই শিল্পীর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি একই সাথে পরপারে তার সদগতি কামনা করছি।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ