নাচোলে বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
Published: 15th, October 2025 GMT
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জের ধরে এক পক্ষের হামলায় আহত দুই ভাই মারা গেছেন। বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে এক ভাই, পৌনে ১০টার দিকে আরেক ভাই মারা যান। গতকাল মঙ্গলবারের হামলায় আহত হয়ে তাঁরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন মো. মিলন আলী (৬০) ও তাঁর আলম আলী (৫৫)। তাঁদের বাড়ি উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের সনকাই গ্রামে। মিলনের মৃত্যুর প্রায় দুই ঘণ্টা পরে মারা যান আলম আলী।
আরও পড়ুনচাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ১৪, বাড়িঘর ভাঙচুর১৪ অক্টোবর ২০২৫মৃত দুই ভাইয়ের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, গোমস্তাপুর উপজেলার রূপপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম (তুহিন) ও নাচোল থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরের (খোকন) সমর্থকদের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। গত রোববার তুহিন-খোকন পক্ষের লোকজনের মারধরে আমিনুলের পক্ষের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনার জেরে গতকাল মঙ্গলবার আমিনুলের সমর্থকদের হামলায় ওই দুই ভাইসহ ১৪ জন আহত হন।
মিলন আলীর ছোট ভাই সাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হামলায় আহত হয়ে তাঁর আরও দুই ভাই ও এক ভাতিজা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহত মিলন আলীর ছেলে রাব্বানীর অবস্থা গুরুতর।
বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হলেও দলটির নেতাদের ভাষ্য, এটা রাজনৈতিক কারণে হয়নি।
মঙ্গলবার হামলার বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছিলেন, দুই পক্ষে বিএনপির লোকজন থাকলেও হামলা কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে হয়নি। স্থানীয় গ্রাম্য রাজনীতি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। একই কথা বলেছিলেন, নাচোল থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। তিনি বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থেকে নয়, স্থানীয় গ্রাম্য রাজনীতির দ্বন্দ্ব থেকে ঘটেছে।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: দ বন দ ব র র জন ত আম ন ল
এছাড়াও পড়ুন:
বন্দরের তবলা বাদক তিলক চৌধুরীর পরলোকগমণ
সবাইকে চোখের জলে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা বাদক ও বম্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য তিলক চৌধুরী (৫৫)।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বন্দর আমিন আবাসিক এলাকাস্থ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাকে শেষ বিদায় জানাতে ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়,বন্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু,কন্ঠশিল্পী নূরুল হক মান্নাহ,বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালকাভুক্ত শিল্পী আমজাদ হাসান,জি এম রহমান রনি,বাংলাদেশ টেলিভিশন ও শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পী গোলাম রসুল আজাদ,শিল্পী মেঃ শাহজামাল,মনসুর সাদেক আজাদ,মিনহাজ বাবু,সোহাগ রায়হান,চঞ্চল মাহমুদ,কণ্ঠশিল্পী সুরমি রায়,পুষ্পিতা সরকারসহ আরো অনেকে।
শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তারা গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, তিলক চৌধুরী ছিলেন একজন গুণী যন্ত্রশিল্পী। তার আকস্মিক বিদায় আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। তার এ বিয়োগ কখনে পূরণ হবার নয়।
আমরা গুণী এই শিল্পীর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি একই সাথে পরপারে তার সদগতি কামনা করছি।