শুধু রাজধানী ঢাকায় নয়, বায়ুদূষণ বাড়ছে দেশের প্রায় প্রত্যেক এলাকায়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বের ১২৭টি নগরীর মধ্যে ঢাকার অবস্থান পঞ্চম। আজ সকাল আটটার দিকে আইকিউএয়ারের ঢাকার গড় বায়ুমান ১৭০। এই মান অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আজ অবশ্য ঢাকার চেয়ে দেশের আরেক বিভাগীয় শহর খুলনার বায়ুদূষণ অনেক বেশি।

বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুদূষণের অবস্থা নিয়মিত তুলে ধরে। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সেই সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় ও সতর্ক করে।

আজ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষণ খুলনায়, গড় বায়ুমান ১৯৩। এ ছাড়া রাজশাহীর বায়ুমান ১৬৫, রংপুর ১৬০, ময়মনসিংহ ১৪৭, বরিশাল ১৪৩, সিলেট ৯৯ ও চট্টগ্রামে ৮৮।

বায়ুদূষণে আজ বিশ্বের নগরীগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে আছে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনসাসা, বায়ুমান আজ ৩০২।

চলতি মাসের শুরু থেকে রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে রাজধানীর দূষণ কমে। বছরে জুলাই সবচেয়ে কম দূষণের মাস। তবে বৃষ্টি থাকার পরও গত সেপ্টেম্বর মাসে একাধিক দিন ঢাকার দূষণ বেড়েছে। দু-এক দিন বিশ্বের শীর্ষ দূষিত নগরীর তালিকায়ও থেকেছে। অক্টোবর মাস থেকেই সাধারণত দূষণ বাড়তে থাকে। চলতি মাসের শুরু থেকেই কয়েক দিন বায়ুদূষণে শীর্ষ নগরীগুলোর একটি ছিল ঢাকা।

ঢাকার সাত এলাকায় দূষণ বেশি

নগরীর সাত এলাকায় দূষণ পরিস্থিতি বেশ খারাপ। এসব এলাকা হলো মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং, পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি, কল্যাণপুর, মাদানী এভিনিউয়ের বে’জ এইজ ওয়াটার, গোড়ান, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, তেজগাঁওয়ের ও তেজগাঁওয়ের শান্তা ফোরাম।

নগরবাসীর জন্য পরামর্শ

আজ ঢাকার যে বায়ুমান, তার পরিপ্রেক্ষিতে নগরবাসীর জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছে আইকিউএয়ার। এর মধ্যে আছে ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরে যেতে হবে, জানালা বন্ধ রাখতে হবে, ঘরের বাইরে ব্যায়াম যতটুকু সম্ভব এড়িয়ে যেতে হবে। আর যেসব এলাকায় বায়ুর মান অস্বাস্থ্যকর, সেসব এলাকায় অবশ্যই বাড়ির বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: এল ক য়

এছাড়াও পড়ুন:

বন্দরের তবলা বাদক তিলক চৌধুরীর পরলোকগমণ

সবাইকে চোখের জলে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা বাদক ও বম্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য তিলক চৌধুরী (৫৫)।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বন্দর আমিন আবাসিক এলাকাস্থ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাকে শেষ বিদায় জানাতে ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়,বন্দর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু,কন্ঠশিল্পী নূরুল হক মান্নাহ,বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালকাভুক্ত শিল্পী আমজাদ হাসান,জি এম রহমান রনি,বাংলাদেশ টেলিভিশন ও শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পী গোলাম রসুল আজাদ,শিল্পী মেঃ শাহজামাল,মনসুর সাদেক আজাদ,মিনহাজ বাবু,সোহাগ রায়হান,চঞ্চল মাহমুদ,কণ্ঠশিল্পী সুরমি রায়,পুষ্পিতা সরকারসহ আরো অনেকে।

শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তারা গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, তিলক চৌধুরী ছিলেন একজন গুণী যন্ত্রশিল্পী। তার আকস্মিক বিদায় আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। তার এ বিয়োগ কখনে পূরণ হবার নয়।

 আমরা গুণী এই শিল্পীর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি একই সাথে পরপারে তার সদগতি কামনা করছি।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ