চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনার প্রস্তুতি।

আরো পড়ুন:

নির্বাচনে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে: ফখরুল 

‘ঘরে ঘরে, জনে জনে’ কর্মসূচিতে মানুষের দ্বারে দ্বারে নওশাদ 

ব্যালট পেপারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ভোট ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে গণনা করা হবে। ভোট গণনা সরাসরি দেখানো হবে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে। এজন্য রয়েছে ১৪টি এলইডি স্ক্রিন।

চাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড.

মনির উদ্দিন বলেন, “অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে চাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে। এখন ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে। ১৪টি এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে ভোট গণনার কার্যক্রম সরাসরি প্রদর্শিত হবে।”

চাকসুতে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৭ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় পাঁচটি অনুষদের নির্ধারিত ১৫টি কেন্দ্রে। মোট ৬০টি কক্ষে ৬৮৯টি বুথে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। প্রত্যেকটি কক্ষে ছিল পাঁচটি ব্যালট বাক্স।

নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৯০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ৪১৫ জন এবং হল ও হোস্টেল সংসদে ৪৯৩ জন।

ঢাকা/রেজাউল/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর গণন র

এছাড়াও পড়ুন:

স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিকের যাবজ্জীবন

লালমনিরহাটে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী এ রায় দেন। লালমনিরহাট আদালতের পিপি আনোয়ার হোসেন মিঠু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুন:

নিহত ২ জন সন্ত্রাসী পলাশ ও কালা লাভলু বাহিনীর সদস্য: পুলিশ

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- লালমনিরহাট পৌরসভার সাপ্টানা মাঝাপাড়া এলাকার রহমত আলী মোল্লার মেয়ে মমিনা বেগম ও সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কিসমত ঢঢগাছ (পাঙ্গাটারি) এলাকার রমজান মুন্সীর ছেলে গোলাম রব্বানী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ জুলাই রাতে মমিনা বেগম তার প্রেমিক গোলাম রব্বানীর সহযোগিতায় কৌশলে স্বামী আব্দুল জলিলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন। পরে তাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দুই জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রবিবার আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।

ঢাকা/নিয়াজ/রাজীব

সম্পর্কিত নিবন্ধ