লাল চাঁদ হত্যার ঘটনা তদন্তে বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট
Published: 13th, July 2025 GMT
রাজধানীর মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি পণ্যের ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা তদন্তে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুনানির জন্য আজ রিটটি বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়। শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার রিটটি আদালতের কার্যতালিকায় আসবে।’
আরও পড়ুনলাল চাঁদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৫, টিটন গাজী পাঁচ দিনের রিমান্ডে১৫ ঘণ্টা আগেগত বুধবার পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় লাল চাঁদকে (৩৯)। হত্যার আগে ডেকে নিয়ে তাঁকে পিটিয়ে, ইট-পাথরের টুকরা দিয়ে আঘাত করে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁকে বিবস্ত্র করা হয়। তাঁর শরীরের ওপর উঠে লাফায় কেউ কেউ। এ ঘটনায় জড়িত যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের পাঁচ নেতা–কর্মীকে সংগঠন থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
লাল চাঁদ হত্যার ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় গত বৃহস্পতিবার একটি মামলা হয়েছে। নিহতের বোন মঞ্জুয়ারা বেগম (৪২) মামলাটি করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ১৫-২০ জনকে।
আরও পড়ুনবিএনপির ১৬ বছরের ‘ত্যাগ’ কি ধুলায় মিশছে২ ঘণ্টা আগেআলোচিত এই হত্যা মামলায় টিটন গাজীসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি চারজন হলেন মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১), তারেক রহমান রবিন (২২), আলমগীর (২৮) ও মনির ওরফে ছোট মনির (২৫)।
আরও পড়ুনশরীর থেঁতলে পিটিয়ে হত্যা করা হয় লাল চাঁদকে১১ জুলাই ২০২৫.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: হত য র
এছাড়াও পড়ুন:
সভাপতিসহ ১০ পদে বিএনপি জয়ী, জামায়াত ৩টিতে
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি–সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী মারুফ সরোয়ার সভাপতি এবং একই ফোরামের বিদ্রোহী প্রার্থী অহিদুল আলম খন্দকার (মানি খন্দকার) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শহিদুল হক নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এ সময় নির্বাচন কমিশনার হানিফ উদ্দিন ও ছরোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে মোট ১৫টি পদের মধ্যে ১৩টিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ২০৪ জন ভোটারের মধ্যে ১৯৭ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সরাসরি ভোটে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে ৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন।
তাঁরা হলেন সভাপতি মারুফ সরোয়ার, যুগ্ম সম্পাদক আফরুজা আকতার, গ্রন্থাগার সম্পাদক মোছা. রুবিনা পারভীন, সদস্যপদে ফরজ আলী, আশিকুর রহমান, তানভীর আহম্মদ, শরিফুল ইসলাম ও রাগিব আহসান। এ ছাড়া একই ফোরাম থেকে কোষাধ্যক্ষ পদে এস এন এ হাশেমী এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পদে আতিয়ার রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
অপর দিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিদ্রোহী প্রার্থী অহিদুল আলম খন্দকার সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আকসিজুল ইসলাম সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াত–সমর্থিত ল’ ইয়ার্স কাউন্সিল থেকে সহসভাপতি মোর্তুজান হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক হারুন অর রশিদ এবং সদস্যপদে ইকরামুল হক নির্বাচিত হয়েছেন।