বগুড়ায় যাত্রীবাহী আর.কে পরিবহনের একটি বাসে দশম শ্রেণির ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে গ্রেপ্তার চালক সোহাইল হাসান শাকিবকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ওই ছাত্রীর ভগ্নিপতি মো.

ইউসুফ আলী আর.কে বাসের চালক সোহাইল হাসান শাকিব ও হেলপার সৈকতসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনকে আসামি করে বগুড়ার শাজাহানপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার শ্যালিকা দুপুর দেড়টায় তাকে ফোন দিয়ে জানায় যে, ঢাকা থেকে আসা তার এক বন্ধু এবং সে সকাল ১০টায় সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় থেকে আর.কে পরিবহনের একটি বাসে বগুড়া যাওয়ার জন্য ওঠে। বাসটি বগুড়া শহরের প্রবেশের পথে দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরতলীর বনানী মোড়ে হক পেট্রোল পাম্পের থেমে যায়। 

সেসময় বাসের সকল যাত্রী নেমে যায়। তারাও বাস থেকে নামতে চাইলে বাসের চালক সোহাইল হাসান শাকিব (২৬) ও হেলপার সৈকত (২২) তাদেরকে বাস থেকে নামতে নিষেধ করে এবং তাদেরকে জোর করে গাড়ির ভিতরে আটকে রাখে। পরে তারা ছেলেটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়। এরপর চালক শাকিব স্কুলছাত্রীকে গাড়ির ভিতরের পিছনের ছিটে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। 

স্কুলছাত্রী চিৎকার করলে চালক তার মুখ চেপে ধরে। এসময় ওই স্কুলছাত্রীর বন্ধু তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে আসামিরা তাকে জোর করে ঢাকাগামী একটি গাড়িতে তুলে দেয়। 

পরে তারা বাসসহ ওই স্কুলছাত্রীকে নিয়ে পর্যটন মোটেলের পশ্চিমে হাইওয়ে রোডের পার্শ্বে অবস্থিত গাড়ি ওয়াশ করার একটি ডকে নিয়ে যায়। সেখানে তারা তাকে বাসের পিছনের সিটে বসিয়ে রাখে। এর কিছুক্ষণ পর বাসের চালক ও হেলপারের সাথে অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন বাসে প্রবেশ করে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখায়।

এরপর গাড়ি ওয়াশ করা শেষে স্কুলছাত্রীকে ওই বাসে করে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া বাস স্ট্যান্ডে নিয়ে যায় তারা। সেখানে গাড়ি থেকে নামিয়ে ঢাকাগামী অন্য একটি গাড়িতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বিষয়টি আর.কে বাসের কাউন্টারে গিয়ে জানালে সেখানে লোকজন থানায় সংবাদ দেয়। 

শাজাহানপুর থানা পুলিশ সেখান থেকে মহিলা পুলিশের মাধ্যমে ভিকটিমকে থানায় নিয়ে যায় এবং থানা হেফাজতে রাখে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনা জানার পর টাঙ্গাইলের হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় বগুড়া ডিবি এলেঙ্গা থেকে বাস চালককে গ্রেপ্তার করে। পরে ভুক্তভোগীর ভগ্নিপতি এ ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহার দিলে সেটাকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

ঢাকা/এনাম/এস

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর র চ লক

এছাড়াও পড়ুন:

বিয়ে করে সংসারী পপি, ইরিন নিউজার্সিতে, সিমলা ও জেবা কোথায়

অভিনয়ে কেউ ৩৫ বছর, আবার কেউ–বা পার করেছেন ২৫ বছর। নব্বই দশকে ঢালিউডে আলো ছড়ানো এমন নায়িকা প্রায় ডজনখানেক। তাঁদের কাউকে এখন আর সেই অর্থে অভিনয়ে দেখা যায় না। দু-একজন আবার বিনোদন অঙ্গনে কাজের ধরন বদলে ফেলেছেন। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় না করলেও উপস্থাপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিচারকাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক নব্বই দশকে আলো ছড়ানো নায়িকাদের এখন কে কী করছেন, কোথায় আছেন?

পপি : ছয় ভাইবোনের মধ্যে পপি সবার বড়। তাঁর বাবা আমির হোসেন পেশায় একজন ঠিকাদার। মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। তাঁর জন্ম খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গায়। তিনি যখন খুলনার একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়তেন, তখন লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতা চলছিল। পত্রিকায় এই খবর দেখে তাঁর মা পপির ছবি পাঠান। এরপর মায়ের ইচ্ছায় পপি ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। কিশোরী পপি সবাইকে অবাক করে লাক্স আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর তাঁকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এর মধ্যে শেষ হয় স্কুলজীবন। এরপর মাকে সঙ্গে করে পপি চলে আসেন ঢাকায়। ভর্তি হন লালমাটিয়া মহিলা কলেজে।

পপি

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • রেলক্রসিংয়ে উঠতেই বন্ধ হয়ে যায় মোটরসাইকেল, অতপর...
  • মাছ শিকারের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ইগল, পাঠানো হলো হাসপাতালে
  • বিপিএল নিলাম আজ, যা যা জানা প্রয়োজন
  • চন্দ্র কেন কম আলো দেয়
  • খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন হলেও স্থিতিশীল, চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারছেন: নাসীরুদ্দীন
  • ফ্রিল্যান্সিং করে ২২ বছরের তানিয়ার মাসে আয় লাখ টাকা
  • ‘একটা চাদর হবে’র গায়ক জেনস সুমন মারা গেছেন
  • সাড়ে ৩ কেজি সোনা পরেন রাজস্থানের ফল ব্যবসায়ী, এখন চাঁদা দাবি করছে সন্ত্রাসীরা
  • নোয়াখালীতে বিদ্যালয়ের শৌচাগার থেকে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
  • বিয়ে করে সংসারী পপি, ইরিন নিউজার্সিতে, সিমলা ও জেবা কোথায়