সিঙ্গাপুরে বিক্রি হবে ওয়ালটনের পণ্য, পরিবেশক নিয়োগ
Published: 20th, May 2025 GMT
এখন থেকে সিঙ্গাপুরে পাওয়া যাবে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের পণ্য। সম্প্রতি দেশটিতে পরিবেশক নিয়োগ দিয়েছে ওয়ালটন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে দেওয়া এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুরের ফ্লেয়ার এম অ্যান্ড ই পিটিই লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাঁচ বছরের বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাইটেক। অর্থাৎ আগামী পাঁচ বছর সিঙ্গাপুরে ওয়ালটনের পণ্য বিক্রি করবে এই ফ্লেয়ার এম অ্যান্ড ই।
এই চুক্তির অধীনে ফ্লেয়ার এম অ্যান্ড ই সিঙ্গাপুরে ওয়ালটনের রেফ্রিজারেটর, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র, টেলিভিশন ও রান্নার সরঞ্জামের একমাত্র পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে।
এ ছাড়া সম্প্রতি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। সম্প্রতি কোম্পানির ৪৪তম পর্ষদ সভায় এই ব্যাটারি উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা কমেছে বলেও সম্প্রতি জানানো হয়েছে।
চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ওয়ালটন হাইটেকের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১২ টাকা ৯৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি ১৩ টাকা ৯৩ পয়সা আয় হয়েছিল। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ টাকা ৯৯ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ২৫ টাকা ১৭ পয়সা আয় হয়েছিল।
প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ ছিল ঋণাত্মক ১ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২২ টাকা ৮৮ পয়সা।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: বছর র
এছাড়াও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাবিক বললেন, ‘আমাদের জীবন ঝুঁকিতে’
কৃষ্ণসাগরে গত ২৮ নভেম্বর একটি তেল পরিবহনকারী জাহাজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ৪জনসহ ২৫ নাবিক। হামলার দুই দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটি তীরের কাছে আনতে গিয়ে উল্টো এখন জাহাজটিতে আটকা পড়েছেন বাংলাদেশিসহ ১০ নাবিক। বাংলাদেশি ওই নাবিকের নাম মাহফুজুল ইসলাম।
আজ শনিবার হোয়াটসঅ্যাপে ওই নাবিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অচল জাহাজটি তুরস্কের উপকূল ছেড়ে ঢেউয়ে ভাসতে ভাসতে বুলগেরিয়ার জলসীমায় চলে যায়। ড্রোন হামলায় এর ইঞ্জিন ধ্বংস হয়ে গেছে। এ অবস্থায় তাঁদের উদ্ধারে কেউ সাড়া না দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নাবিকেরা।
তুরস্কের উপকূলে কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করার সময় গত ২৮ নভেম্বর জাহাজটিতে হামলা করেছিল ইউক্রেনের নৌবাহিনী। জাহাজের ২৫ নাবিকের চারজন ছিলেন বাংলাদেশি। জ্বালানি তেলবাহী জাহাজটি রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহরের’ অংশ বলে বিবিসি জানায়।
হামলার পর নাবিকদের উদ্ধার করে তুরস্কের কোস্টগার্ড। ইতিমধ্যে জাহাজটিতে থাকা বাংলাদেশের তিনজন নাবিক দেশের উদ্দেশে তুরস্ক থেকে রওনা হয়েছেন। এই তিনজন হলেন কুষ্টিয়ার আল আমিন, ঢাকার ধামরাইয়ের হাবিবুর রহমান এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজগর হোসাইন। তবে মাহফুজুল ইসলামসহ মোট ১০ জনকে জাহাজটি নিরাপদে তীরে আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর জাহাজটি তীরে আনতে গিয়ে আটকা পড়েন মাহফুজুল ইসলাম।
ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটির ইঞ্জিন বিকল। বাইরে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছেন নাবিকেরা