2025-11-30@12:27:29 GMT
إجمالي نتائج البحث: 6

«অসহন য়»:

    দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক আয়োজনে পাহাড়িদের বাঁশনৃত্য বেশ জনপ্রিয়। বাঁশের বাজনার তালে তালে নৃত্যের ছন্দে মোহিত হন দর্শকেরা। বম জনগোষ্ঠীর এই নৃত্যে মানুষ এখন পুলকিত হলেও এর উৎপত্তির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শোক। বম সমাজে অপঘাত আর প্রসবজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে নিহত ব্যক্তির সৎকার না হওয়া পর্যন্ত তাঁর ঘরের উঠানে এই নৃত্য করা হয়।বমদের সমগোত্রীয় লুসাই ও পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর মধ্যেও বাঁশনৃত্যের প্রচলন রয়েছে। কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও দেশের বাইরে উত্তর-পূর্ব ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতিতে বাঁশনৃত্য রয়েছে।বম ভাষায় বাঁশনৃত্যকে বলা হয়—রোখা ত্লা। এর অর্থ, বাঁশের মাঝে পা ফেলে শোকের নাচন। বমরা বাঁশনৃত্যের সঙ্গে করুণ সুরে গান করেন। করুণ এই গানের একটি—‘রোখা ত্লা হেন রোখা ত্লা হে/ আই কালান কান পু লুচু; যার অর্থ অসময়ে তোমার চলে যাওয়া আমার জন্য অসহনীয়।বান্দরবানের বম জনগোষ্ঠীর প্রবীণ...
    যুদ্ধ, সহিংসতা ও নিপীড়নের কারণে বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা অসহনীয় হারে পৌঁছেছে। বিপরীতে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তার তহবিল দ্রুত কমছে। বিশ্বে গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একমাত্র ইতিবাচক দিক হচ্ছে সিরিয়ার বাস্তুচ্যুতদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন ‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস রিপোর্ট’–এ এমন চিত্র তুলে ধরেছে। জেনেভা থেকে ইউএনএইচসিআর আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস রিপোর্ট’ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিলের শেষ নাগাদ বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১২ কোটি ২১ লাখে পৌঁছেছে। গত বছর একই সময়ে যা ছিল ১২ কোটি। এ সংখ্যা প্রায় এক দশক ধরে প্রতিবছর শরণার্থী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিই তুলে ধরে। এই বাস্তুচ্যুতির প্রধান কারণ হলো সুদান, মিয়ানমার ও ইউক্রেনের মতো বড় সংঘাত...
    দিল্লি জ্বলছে। সেই সঙ্গে জ্বলছে গোটা উত্তর ভারত। স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি তাপমাত্রার সঙ্গে জুড়েছে অসহনীয় আর্দ্রতা। জ্যৈষ্ঠের শেষের এই তাপ বৃদ্ধির দরুন দিল্লিতে জারি করা হয়েছে ‘রেড অ্যালার্ট’। তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে কী কী করা উচিত, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদেরা বলেছেন, আরও কয়েকটা দিন এই অসহনীয় পরিস্থিতি চলবে। তারপর দেখা দিতে পারে পশ্চিমি ঝড়। বলা হয়েছে, উত্তর–পশ্চিম ভারতে এখনো মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেনি। ফলে আগামী দিনের হাল আরও খারাপ হতে পারে। গত মঙ্গলবার দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার তাপমান ৪৪ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই ছিল। গতকাল বুধবার তা ৪৫ ডিগ্রি পেরিয়ে যায়।আবহাওয়া অফিস জানায়, স্বাভাবিকের তুলনায় এই তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি বেশি। রাজধানীর অভিজাত লুটেন্স দিল্লির আয়ানগরে তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪৫ দশমিক...
    আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ রমজান। যদি এবার ২৯টি রোজা হয়, তবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে ৩১ মার্চ। আর রোজা যদি ৩০টিই হয়, তবে ঈদ হবে ১ এপ্রিল। এখন প্রশ্ন হলো, ঈদের দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে?চলতি মাসে একদফা তাপপ্রবাহ হয়ে গেছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এরপর গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আকাশ মেঘলা হয়ে পড়ে। রাজধানী ঢাকায় কিছুটা বৃষ্টি হয়। বেশি বৃষ্টি হয় উত্তর-পূর্বের সিলেট এবং এর কাছাকাছি এলাকাগুলোয়। এর পর থেকে তাপমাত্রা খানিকটা কমতে শুরু করে। তবে গত সোমবার থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল বুধবার দেশের অন্তত সাত জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এই তাপপ্রবাহ আজও অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই প্রবণতা আরও দুই দিন থাকতে পারে বলে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।ঈদ ৩১ মার্চ বা ১ এপ্রিল—যেদিনই হোক...
    রাজধানীর অন্যতম বাণিজ্যকেন্দ্র পুরান ঢাকায় অসহনীয় যানজটের কারণে ব্যবসায়ীদের বিক্রি ক্রমাগতভাবে কমছে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা, অপ্রতুল অবকাঠামো, এসএমই খাতে অপর্যাপ্ত ঋণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ডলারের মূল্যের অস্থিরতা, আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থার দীঘসূত্রতা, উচ্চ সুদহার, ভ্যাট ও করের হার বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যবসায়ীরা।  গতকাল শনিবার লালবাগের মীম কমিউনিটি সেন্টারে পুরান ঢাকার বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের নেতা এবং বেশকিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মতবিনিময় সভায় এসব সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পুরান ঢাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও করণীয় নির্ধারণে এ সভায় আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, শতবছর ধরে পুরান ঢাকা ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রস্থল হলেও যানজট, অবকাঠামোর অপ্রতুলতা এবং কর ও ভ্যাটের প্রতিবন্ধকতার কারণে এখানকার উদ্যোক্তারা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। ডিসিসিআইয়ের সবেক...
    শরীয়তপুর জেলার প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক পাওয়া গেছে। এসব নলকূপের পানি পরীক্ষা করে আর্সেনিকের এই অসহনীয় মাত্রা পেয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।  এসব নলকূপের পানি খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। এ কারণে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এসব নলকূপে লাল রং দিয়ে চিহ্নিত করে দিয়েছে।জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা প্রতি লিটারে দশমিক শূন্য ৫ মিলিগ্রাম হলেও শরীয়তপুরের এই নলকূপগুলোর পানিতে প্রতি লিটারে শূন্য দশমিক ১ মিলিগ্রাম আর্সেনিকের মাত্রার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৬০ দশকে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা নির্ধারণ করে দশমিক শূন্য ৫ মিলিগ্রাম। এরপর ১৯৯৩ সালে তা দশমিক শূন্য ১ মিলিগ্রামে কমিয়ে আনা হয়; কিন্তু বাংলাদেশ ১৯৬৩ সালের সেই মাত্রা আর পরিবর্তন করেনি। শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আবুল হাদি মোহাম্মদ শাহ্ পরান প্রথম...
۱