2025-11-30@13:37:11 GMT
إجمالي نتائج البحث: 6
«এখন য বন য র»:
বৃহত্তর সিলেটের পাহাড়ি বনাঞ্চলে একসময় হাতির চলাচল ছিল নিত্যদৃশ্য। কিন্তু গত কয়েক দশকে এ অঞ্চলের হাতির দল প্রায় হারিয়ে গেছে। এখন শুধু মৌলভীবাজারের পাথারিয়া বনে তিনটি নারী হাতির হদিস পাওয়া যায়। একমাত্র পুরুষ হাতিটি ২০১২ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মারা যাওয়ার পর থেকেই পাথারিয়া বনে হাতি বিলুপ্তির আশঙ্কা তৈরি হয়।তাই হাতি প্রজননের সম্ভাবনা বাড়াতে বন বিভাগ পাথারিয়ার বনে এবার একটি পুরুষ হাতি ছাড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।হাতির সংখ্যা ও সংকট২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণের জোট আইইউসিএন হাতিকে মহাবিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। পরের বছর জরিপ চালিয়ে দেশে ২৬৭টি বন্য হাতির অস্তিত্ব পায় আইইউসিএন। এদের বড় অংশ দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙামাটির পাহাড়ি বনে টিকে আছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ বছরে দেশে মারা গেছে ১৪৮টি হাতি। যোগাযোগ অবকাঠামো ও উন্নয়ন...
পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বনভূমি উজাড় ও গাছপালা কমে যাওয়ার জন্য বন বিভাগের দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাঙামাটি শহরের জিমনেশিয়াম মাঠে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি। সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে যদি বলা হয় যে আর কোনো কিছু অবশিষ্ট নেই, তাহলে খুব বেশি ভুল হবে না। ৮০ সাল পর্যন্ত এখানে বন ছিল, গাছপালা ছিল, ঝোপঝাড় ছিল। এই অঞ্চলে বা দেশে গাছপালা নিধনের জন্য বন বিভাগ কোনো অংশ কম দায়ী নয়।সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের চেয়ে বড় আকারের বনভূমি এখন মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী কিংবা সিলেটে দেখা যায়। পার্বত্য অঞ্চলে এই অবস্থা কেন সৃষ্টি হলো সবার ভাবতে হবে।পার্বত্য উপদেষ্টা...
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালি বাজার হয়ে ডানে তিন কিলোমিটার পথ পেরোলেই মধুশিয়া গর্জন বন। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে খুটাখালি খালের স্বচ্ছ জলের ধারা। দূর থেকে গর্জনগাছের সারি মুগ্ধতা ছড়ালেও কাছে গেলে দেখা যাবে ভিন্ন চিত্র। গাছের গোড়া থেকে সরে গেছে মাটি। যেকোনো সময় ধসে পড়বে এসব গাছ। এতে মধুশিয়া গর্জন বন এখন হুমকির মুখে।স্থানীয় লোকজন বলছেন, বালু উত্তোলনের কারণে গাছের গোড়া থেকে মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকির মুখে পড়েছে গর্জন বনটি।কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালি ইউনিয়নে পড়েছে খুটাখালি খাল। এটি সংরক্ষিত বনভূমির পাশে অবস্থিত। ইউনিয়নের হরিখোলা গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ আলী লিটন, সাইফুলসহ ৫০ জনের একটি সিন্ডিকেট বালু উত্তোলন করে। খালে বালু নেই, তাঁরা মূলত ইজারা নিয়ে বনের বালু তোলেন। এভাবে বালু তোলায় বনভূমি বিলীন...
সাতক্ষীরার শ্যামনগর–সংলগ্ন পশ্চিম সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া চরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) রেখে যাওয়া ৭৮ জন এখনো বন বিভাগের আশ্রয়ে আছেন। ঘটনার ৩৪ ঘণ্টা পর আজ শনিবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত তাঁরা বন বিভাগের মান্দারবাড়িয়া ক্যাম্পেই অবস্থান করছিলেন।এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে বঙ্গোপসাগর–সংলগ্ন সুন্দরবনের গহিনে মান্দারবাড়িয়া এলাকার চরে কয়েকটি স্পিডবোট থেকে ৭৮ জনকে রেখে যায় বিএসএফ। সকাল ৯টার দিকে বন বিভাগের মান্দারবাড়িয়া ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁদের উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। বিষয়টি পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে জানানো হয়।বন বিভাগের পক্ষ থেকে ৭৮ জনকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হলেও গতকাল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকে শুক্রবার জানানো হয়, তাঁরা বাংলাদেশি কি না, তা যাচাই করে দেখা হবে। আজ শনিবার বলা হয়, বিষয়টি বিজিবির বিশেষায়িত কোম্পানি ‘রিভারাইন বর্ডার গার্ড’ (আরবিজি) দেখছে। তারাই...
ধনঞ্জয় ত্রিপুরা (৬৫) আশ্বাস পেয়েছিলেন, তাঁর নামে জমি দেওয়া হবে। সেই জমিতে বসতবাড়ির পাশাপাশি থাকবে রাবারবাগান। সেই বাগান হয়েছিলও। সে প্রায় ৪৫ বছর আগের কথা। তাঁর মতো আরও অনেক পাহাড়ি জুমনির্ভর (পাহাড়ের বিশেষ ধরনের চাষাবাদ) মানুষকে এসব প্রতিশ্রুতি দিয়েই আনা হয়েছিল এই গাছবান গ্রামে। গ্রামটির অবস্থান খাগড়াছড়ি শহর থেকে ছয় কিলোমিটার উত্তরে। এ গ্রামে ত্রিপুরা ও চাকমা মিলিয়ে শতাধিক পরিবারের বসবাস।গত শতকের আশির দশকে ধনঞ্জয়দের মতো পাহাড়ি ও বননির্ভর মানুষদের ‘পুনর্বাসন’ করা হয় ‘উচ্চভূমি বন্দোবস্তকরণ’ নামের একটি প্রকল্পের অধীন। মূল উদ্দেশ্য ছিল, রাবার চাষের মাধ্যমে এসব মানুষের আয় বাড়ানো। এ রাবারের চাষ হয়েছিল বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক বন উজাড় করে। প্রায় পাঁচ দশক পর প্রাকৃতিক বন এখন নাই হয়ে গেছে। রাবারগাছ নেই বললেই চলে। এ প্রকল্পে পাহাড়ের ৩৯টি গ্রামে ২ হাজার পরিবারকে...
রাঙামাটি শহরের বনরূপা বাজারে সমতাঘাট এলাকায় বুধবার হাটের দিন সকালে একজন বিক্রেতার চারপাশে বেশ ভিড়। ভিড় সরিয়ে কাছে যেতেই দেখা গেল, থুরঙে (বাঁশের ঝুড়ি) করে বিক্রি করছেন আমের মুকুলের মতো হলদে-সবুজ একধরনের সবজি। মুহূর্তেই স্পষ্ট হলো ভিড়ের কারণ। এ যে ‘অগোয্যা’ বা ‘আগাজা গুলো’। চাকমা সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছে এ নামে পরিচিত সবজিটি অতি আদরণীয়। কেবল চাকমা নয়, সব পাহাড়ি সম্প্রদায়ের প্রিয় সবজি এটি। ৬০০ টাকা কেজি দাম হাঁকছিলেন বিক্রেতা। কিন্তু দামের পরোয়া কে করে, মুহূর্তেই শেষ সব সবজি। ‘আগোয্যা’ বা ‘আগাজা’ আসলে বিরল বন চালতার ফুল। এই ফুল পাহাড়িরা রান্না করে খায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এর স্বাদ অমৃতের মতো। সচরাচর বাজারে পাওয়া যায় না বলে দাম যতই হোক, আনার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি হয়ে যায়।পরিবেশবিদ ও লেখক মৃত্যুঞ্জয় রায়ের একটি লেখা...
