কোকোর কবর জিয়ারত করলেন জুবাইদা রহমান
Published: 10th, May 2025 GMT
রাজধানীর বনানী কবরস্থানে বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। কোকো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে এবং সম্পর্কে ডা. জুবাইদার দেবর।
আজ শনিবার কোকোর কবর জিয়ারত করার সময় ডা. জুবাইদার সঙ্গে কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানও ছিলেন। সেখানে তাঁরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাত করেন।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে দেশ ছেড়েছিলেন জুবাইদা রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।
বনানী কবরস্থানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) পরিচালক ডা.
আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম ঢাকায়, ১৯৬৯ সালে। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে যান। ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো।
উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: আর ফ ত রহম ন ক ক ব এনপ
এছাড়াও পড়ুন:
কবরস্থানে মাটি চাপা দেওয়া ছিল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ
নিখোঁজের ২১ দিন পর গোপালগঞ্জের একটি কবরস্থান থেকে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার খাগাইল এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত ব্যবসায়ীর নাম মিজানুর রহমান মোল্লা (৪৮)। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর এলাকার হারেজ মোল্লার ছেলে ও মুঠোফোন ব্যবসায়ী ছিলেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম জাহিদ মোল্লা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও হারেজের ব্যবসায়িক অংশীদার।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ৮ নভেম্বর রাতে মুঠোফোনে কল করে মিজানুরকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলেন জাহিদ। মিজানুরকে ডেকে নেন জাহিদ। এর পর থেকে মিজানুরের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ওই কবরস্থান থেকে মিজানুরের গলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যদের শনাক্তের পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
মিজানুরের স্ত্রী জামিলা ইসলাম অভিযোগ করেন, ৮ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে মিজানুরকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে মুঠোফোনে ডেকে নেন তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার জাহিদ। এর পর থেকেই মিজানুর নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর ব্যবহৃত সব নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।